অনুরাগের ভালোবাসা | Heart Touching Love Story

অনুরাগের ভালোবাসা
👇
–আরে আরে মারছিস কেন। লাগছে তো
–আগে বল তুই আমার সাথে প্রেম করিস।
–হ্যাআ…না
–তাহলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিছিস কেন। বল
–ভালোবাসি তাই দিছি
–আমি তোকে বলছি। যে ..আমি তোকে ভালোবাসি?
–না।
–তাহলে কেন দিলি
–তোকে রাগানোর জন্য
–আমাকে রাগাতে তোর খুব ভালোলাগে?
–শুধু রাগাতে না। তোর সব কিছু ভালোলাগে।
–দেখ …আমি তোকে ..আবারো বলছি। আমি তোকে ভালোবাসি না। just শুধু বন্ধু ভাবি
…তুই যদি আবারো ভালোবাসার কথা বলিস।
তাহলে তোকে বন্ধু ভাবতেও ভুলে যাবো।
–আচ্চা তুই কেন বুঝছিস না। আমার ভালোবাসা।
কি কমতি আছে আমার মাঝে””
আমাকে বল।
..আমি দেখতে (খারাপ) না তোর যোগ্য না।
–আমি কি বলছি যে..তোকে আমার ভালো লাগেনা। তুই আমার যোগ্য না।
–তাহলে কেন ভালোবাসিস না।
–ধ্যেত তুই থাক। তোর ভালোবাসা নিয়ে।
এই বলে চলে গেলো (রাত্রি) কলেজ ক্যাম্পাস থেকে।
আর (নিলয়) একাকার হয়ে। ভাবছে
…কেন তার ভালোবাসা বোঝেনা….রাত্রি।
সেই ক্লাস 10–থেকে …তাকে ভালোবাসি
ভালোবাসি বলছে।
কিন্তু .. রাত্রির একৈই কথা।
সে তাকে ঐ চোখে ভাবেনা। শুধু ..বন্ধু.. ভাবে।
আজ… রাত্রি একটু বেশি ক্ষেপেছিল
… ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়াই
…নিলয় কখনো ভাবেনি ..এতো কিছু হবে
একটু ফাজলামি করছিলো।
যে রাত্রির আর নিলয়ের ২বছরের বন্ধুত্ব তার মনে কততা গভীর। তা জানার জন্য।
…আজ ৫দিন হয়ে গেলো রাত্রির কোনো যোগাযোগ নেই। নিলয়ের সাথে…
নিলয়ের ফোন নাম্বার ব্লক করে দিয়েছে।
কলেজে …তার সাথে কথা বলনা।
নিলয় তাকে ডাক দিলেও…না শোনার ভান করে
চলে যায়।….
আজ নিলয় কলেজ ছুটির পর…
বাহিরে দারিয়ে আছে..
তার সাথে …কথা বলবে বলে।
–রাত্রি কলেজ থেকে বের হয়ে দেখে। নিলয় বাহিরে দারিয়ে।…তাই রাত্রি তার চাচা ভাইকে ফোন করে ডেকে তার হাত ধরে গাঁ ঘেঁষে…নিলয়ের সামনে দিয়ে যেতে থাকে..
তখন নিলয়…পিছোন থেকে রাত্রির হাত ধরে।
ঠাঠাঠাস…রাত্রি পিছোন ঘুরেই নিলয়ের গালে..
থাপ্পড় বসিয়ে দেয়।
…তুই আমার হাত ধরার সাহস কৈই পেলি। (রাত্রি)
–আসলে sry পিছোন থেকে তেমন দেখতে পাইনি।
আমি মনে করেছিলাম আমার বন্ধু…যাইতেছে।
তাই হাত ধরছিলাম। কিন্তু ..আপনি এটা। (নিলয়)
২য়—
👇
–মেয়ে দেখলেই বন্ধু মনে করে হাত…ধরতে মন চায়।
তোদের মতো ছেলেদের তো জুতা পিটা করা উচিৎ। (রাত্রি)
–ঠিক বলেছেন…আমার মতো মানুষদের এমনটাই পাওয়া উচিৎ। যারা মানুষকে বেশি
ভালোবাসা দিয়ে থাকে।
তার অজান্তেই খুব কাছের মানুষ মনে করে।
কান্না করতে করতে (নিলয়)
.
এই কথা বলাতে …
–নিশ্চুপ (রাত্রি)
কারণ রাত্রি যানে নিলয় কেমন ছেলে..
তার থেকে ভালো আর কেউ জানেনা।
কিন্তু…রাত্রি নিলয়কে বোঝাতে পারছে না। যে
আমি তাকে ভালোবাসতে পারবো না।
অনেক বার বলার পরোও..নিলয় বোঝতে
চায় না।
তাই এমন আচারণ করছে যে
নিলয়র ভালোবাসা যেন ঘির্ণাই পরিনত হয়।

–রাত্রি ও বলছে তো.. ভুল হৈইছে..ছেরে দাও না (রাত্রির চাচা ভাই)
–আচ্চা চলো। যতো সব ফালতু ছেলে।
এই বলে রাত্রি চলে গেলো।
–নিলয় সেখান থেকে কান্না করতে করতে..
বাসায় চলে যায়।
বিকেলটা কষ্টে পার করে দেয়।
কিন্তু রাতে…তার কথা মনে পরে যায়..
আর ভাবতে থাকে …যেই রাত্রি আমাকে
ছাড়া একমহূত থাকতে পারতো না।
আর সে এতোটা নিষ্ঠুর হলো কি ভাবে।
আর আজকে যা।
করলো…তার ভাবতে কান্না চলে আসে..
নিজে নিজে বলতে থাকে।
রাত্রি তুই বলতেই পারতি …আমি তোর
বিরক্তির কারণ…আমার সাথে আর
সম্পর্ক রাখতে চাসনা।
…তাহলেই তো দুরে সরে যেতাম।
অযথা___থাপ্পর দিয়ে অপমান..করার
কি দরকার ছিল।..
মনে মনে …প্রতিকগা করে…(নিলয়)
আর কখনো রাত্রির সামনে যাবেনা।
… কিন্তু তাকে না। দেখলে তো
…তার এক মুহুর্ত সময় কাটে না।
…তাই সে ভাবে অন্য কলেজে পড়বে।
তার বাবাকে বলে …আমার অন্য কলেজে
ভর্তি করার ব্যাবস্থা করতে।
… নিলয় কথায় তার বাবা রাজি হয়ে
হয়ে যায়।… কারণ নিলয়ের বাবা জানে
….তার ছেলে যা করে নিজের ভালোর
জন্য করে।
পরের দিন বিকালে তার বাবা জানায়..
…অন্য কলেজে তার ভর্তি হয়েছে।
…পরের দিন থেকে ক্লাস শুরু।
__
আর দিকে…ভাবতে থাকে রাত্রি।
খুব কাছের বন্ধু আজ নিজের কারণেই
অনেক দূরে…
যাকে ছাড়া তার এক মুহুর্ত ভালো লাগেনা।
তাকে আজ নিজের রাগের বশে…গায়ে হাত
তুললো।
–রাত্রির সেই পুরনো দিনের কথা মনে পরে যায়।
যখন
রাত্রি যখন অন্য স্কুল থেকে…নিলয়দের স্কুলে
ভর্তি হয়।
তখন তার কোন বন্ধু ছিল না।
সে একা একা সময় কাটাতো…
তখন নিলয় নিজ ইচ্ছায়। এসে বন্ধুত্বের হাত
বাড়ায়।
….তার পর থেকেই সব সময়…তার সাথে সময়
কাটাতো।
ভালোই যাচ্ছিল দিন।
কিন্তু ক্লাস ১০এ এসে
… বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসাই… জড়িয়ে জায়।
(নিলয়)
…তারপর থেকেই একটু একটু ফাটোল ধরতে থাকে…যার শেষ পরিণতি…ঘির্ণাই পরিনতো হয়েছে।
–রাত্রি ঘরির দিকে তাকিয়ে দেখে রাত ১২.৩০ বাজে
ঘুম, ঘুম চোখ তবুও…আজ তার ঘুম নেই।
…কাল কলেজে গিয়ে ..নিলয়ের কাছে সরি
বলবে। তাদের সম্পর্ক আগের মত গড়াবে।
এসব ভাবতে ভাবতে। ঘুমিয়ে যায় (রাত্রি)
….সকাল ৭.০০ দিকে ঘুম ভাঙ্গে রাত্রির–
ফ্রেস হয়ে খাওয়া দাওয়া। করতে করতে
কলেজের সময় হয়ে যায়…
তাই সে কলেজে রউনা দেয়।


আর এদিকে –নিলয়–তার নতুন কলেজে..
চলে যায়।
–রাত্রি ..কলেজে এসে তার চোখ শুধু
–নিলয়কে খুঁজতে থাকে।
কিন্তু নিলয়কে কোথাও পায়না…
(রাত্রি)
–খুব কষ্টে ক্লাস করে বাসায় ফিরে রাত্রি।
এভাবেই কেটে যায় ১০দিন।
তার ছায়াঁও খুঁজে পায়না রাত্রি।
–আর এদিকে নিলয়ের দিন ভালো গেলো ও..
তার মন যে সারাক্ষণ রাত্রির শূন্যতা অনুভব করে।
তবুও কষ্টে/অভিমানে চলতে থাকে..
নিলয়ের জিবন।
— আর সন্ধ্যায় রাত্রি তার নিজের মায়ের…কাছ থেকে
নিলয়ের ফোন নাম্বার নেয়।
আপনারা ভাবছেন ..নিজের মায়ের কাছ..
থেকে নাম্বার নিলো। তার কাছেই তো ছিলো।
আর মা..ই বা কৈই পেলো
সেটাই আগে বলি আপনাদের…


সেইদিনের পর রাত্রি তার ফোন থেকে
নিলয়ের নাম্বার ডিলিট করে দেয়।
তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করার জন্য।
..
আর তার মায়ের কাছে নাম্বার থাকার
কারণ।
নিলয় রাত্রির ফোন বন্ধ পেলে..
তার মায়ের কাছে ফোন দিয়ে
তার খবর নিতো।

…তো
তার ..নাম্বারে দেয় রাত্রি। কিন্তু ফোন বন্ধ।
…এখন খুব কষ্ট হচ্ছে রাত্রির–
..
–তাহলে কি নিলয়ের দেখার…আর সে পাবে না।
এভাবে আরো কিছু দিন কেটে যায়।
—একদিন।
খুব বৃষ্টি হচ্ছিলো। কিন্তু নিলয় বৃষ্টির মধ্যে
গাড়ি পাচ্ছিলো না।…
তাই … রাস্তার পাশে ছাউনীতে দাঁড়িয়ে আছে।
হঠাৎ সে দেখতে পায়… রাস্তার ওপর পাশে।
কিছু ছেলে। একটা মেয়েকে…
ডিস্টার্ব করছে।
নিলয় ছাতা নিয়ে আসেনি।
তবুও একটু গা ভিজিয়েই ওপার চলে যায়।
মেয়েটিকে বাজে ছেলেদের হাত থেকে
রাক্ষা করারা জন্য।
মেয়েটিকে দেখার সাথে সাথে ….?

পার্ট– ২য়…. শেষ পর্ব। আসছে 

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *