তোকে চাই। পার্ট_১৬ স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার গল্প

#তোকে চাই❤
#writer: রোদেলা❤
#part: 16

তোকে চাই সকল পর্ব



তুই কি জানিস তোর একটি কথা শোনার জন্য এখন আমি সারাটাদিন ছটফট করি,,,,তোর মুখে হাসি ফোটানোর লোভে আজ আমি কতোটা লোভী।মাঝরাতের অবাধ্য অশ্রুটার সাথে তুই মিশে আছিস কতো নীরবে।বুকের চিন চিনে ব্যাথাটাও কতো নির্মমভাবে মনে করিয়ে দেয় তোর কথা।।কিন্তু,,,, তুই??কখনো অবসরেও কি ভাবিস আমার কথা?তোর জন্য স্বার্থপর এই আমার ঠোঁটের ব্যালকনির হাসিটা কি তোকে ভাবায়?উত্তরটা আমি জানি।।পরিচিত উত্তরের হাতছানি যে কতো নির্মম,,, কতো নিষ্ঠুর!! ঘুম ভাঙা চোখে সোনালি আলোয় তোকে নিয়ে দেখা স্বপ্নগুলো বড্ড অসহায়,,,,

মন খারাপ??

ছাদে দাঁড়িয়ে ছিলাম,,,পেছন থেকে উনার কন্ঠ কানে আসায় ঘাড় ঘুরিয়ে তাকিয়েই বলে উঠলাম,,,,,,,

নাহ তো,,মন খারাপ না,,,কিন্তু মনের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে দিন দিন।।।(মুচকি হেসে)

মানে???(ভ্রু কুঁচকে)

নাথিং,,,

এতো রাতে একা দাঁড়িয়ে আছো যে??

রাতের আকাশ দেখছিলাম,,একটা আকাশের কতো রূপ,,কতো রং।।আমাদের জীবনটাও আকাশের মতো কখনো সাদা,,কখনো নীল আবার কখনো ঘন কালো,,,

হুমম,,,তো আজ হঠাৎ এতো কাব্যিক কথাবার্তা??দাঁড়িয়ে শুনছিলাম,,,তোমার বলা প্রথম কথাগুলো,,,

বিনা অনুমতিতে শুনছিলেন??এবার পানিশমেন্ট দেওয়া উচিত আপনাকে,,,(মুচকি হেসে)

তাই??দোষ যখন করেছি,, পানিশমেন্ট তো পেতেই হবে,,,তো বলুন ম্যাডাম,,কি পানিশমেন্ট দিতে চান,,,?

শুধু একটা প্রশ্নের উত্তর,,(আকাশের দিকে তাকিয়ে)

কি প্রশ্ন??

জাস্ট ইমাজিন যদি নীলিমা আপু কোনো ভাবে আবার আপনার লাইফে বেক করেন তো কি করবেন??(ঘাড় ঘুরিয়ে উনার দিকে তাকিয়ে)

উনি শূন্য দৃষ্টিতে সামনের দিকে তাকিয়ে আছেন,,উনাকে চুপ থাকতে দেখে মুচকি হেসে বলে উঠলাম,,,,”নিশ্চয় আমায় ছুঁড়ে ফেলে দিবেন??দেওয়ারই কথা প্রয়োজন যে ফুরিয়ে যাবে।”

উনি আমার দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন,,,সে দৃষ্টি কি বলতে চাইছে আমি জানি না,,,,আজ আমি নিজের উপর বড্ড বিরক্ত,,উনার চোখের ভাষা বোঝার সদিচ্ছা তিল পরিমান নেই আজ,,,আমার চোখ দুটো রাতের আকাশ দেখতে ব্যস্ত,,,,”যদি কখনো প্রয়োজনটা ফুরিয়ে যায়,,, বলবেন আমায়।।ভয় নেই,,পরগাছার মতো লেপ্টে থাকবো না,,,পা বাড়াবো অজানার পথে”…

তুমি আমায় এতোটা,স্বার্থপর ভাবো রোদ??

নাহ,,আমি নিজেকে প্রয়োজনহীন ভাবি ব্যস,,

রোদ?নীলির যদি ফিরে আসার ১% চান্সও থাকতো তবু আমি তোমায় বিয়ে করতাম না,,,তখন আমার কাছে বাহানা থাকতো,,হয়তো সে ফিরে আসবে।।।কিন্তু নীলি আসবে না।।আর যদি তুমি আমাকে জিজ্ঞেস করো আমি কি চাই??তাহলে বলবো,,আমি এখন আর চাই না ও ফিরে আসুক।।।না,,এর মানে এই নয় যে ভালোবাসা কমে গেছে,,তা নয়।।কিন্তু বাস্তবতা আবেগের কাছে হেরে যায় বারবার,,,নীলি ফিরে এলে না তুমি সুখী হতে পারবে না আমি,,,না নীলি।।।তিনটি বিক্ষিপ্ত জীবন নিয়ে আমাদের মরে মরে বাঁচতে হবে,,,,ভালোবাসার মানুষকে কষ্টে দেখতে পারার জন্যও অসীম সাহস আর ধৈর্য লাগে,,যা এখন আর অবশিষ্ট নেই,,,,তাই আমি তোমাদের দুজনের কারো চোখেই জল দেখতে পারবো না।।।তোমরা দুজনই আমার জীবনের অংশ,,,অস্তিত্বে মিশে আছো।।নীলি আমার প্রতিটি অনুভূতিতে মিশে আছে আর তুমি আমার প্রতিটি নিশ্বাসে।।। নীলিকে ছাড়া বাঁচতে শিখে গেছি আমি,,,কিন্তু তোমাকে ছাড়া নতুন করে বাঁচতে শিখা আমার পক্ষে সম্ভব না,,,সেটা নীলি আমার পাশে থাকলেও না।।।তোমাকে আমার চাই রোদ,,,প্রতিটি মুহূর্তে চাই,,,কোনো কারণ ছাড়াই চাই।।।

আমি উনার কথা শুনছি,,মন দিয়েই শুনছি।।আমি ঠিক বুঝতে পারছি না আমার খুশি হওয়া উচিত নাকি কষ্ট পাওয়া উচিত।।চিন্তাশক্তিটা কাজে লাগছে না,,,সবকিছু কেমন ঘোলাটে হয়ে আসছে,,,,হঠাৎই একটা ঠান্ডা হাতের পরশ পেলাম যে হাতটা আমাকে জড়িয়ে নিলো নিজের সাথে,,,কপালে এঁকে দিলো ভালোবাসার পরশ,,,,আমি শুধু নির্বাক দ্রষ্টার মতো দাঁড়িয়ে আছি,,,

দুদিন যাবৎ গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঘুরছি,,,,জুলাই মাসের চরম গরমে ব্যাপারটা খুবই বিরক্তকর।।প্রথম প্রথম সবার হাজারো প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হলেও এখন সব স্বাভাবিক।।।সবার কাছে এক উত্তর” ঠান্ডা লাগছে তাই ওড়না পেঁচিয়েছি।।”যদিও আমার ধারনা তারা আমার কথাটি বিন্দুমাত্র বিশ্বাস করে নি,,,,তবু প্রশ্নের কবল থেকে বেঁচেছি সেটাই অনেক।।।শুভ্র প্রয়োজন ছাড়া রুম থেকে বেরুয়নি,,, যা একটু বেরিয়েছে তা মামানি ঠিক সামলে নিয়েছে,,,সবার মধ্যে শুধুমাত্র মামানিই পুরো ব্যাপারটা জানে,,,সেদিন সকালে হঠাৎই মামানি রুমে ঢুকে যায়,,,আর আমাদের এই অবস্থা দেখে চরম অবাক হয়ে প্রথম যে কথাটি বলে তা হলো,,,”তোরা কি বেবি প্ল্যান করছিস?” উনার কথায় যে আমরা অস্বস্তির কোন পর্যায় পৌঁছে গিয়েছিলাম শুধু আমরা জানি।।শাশুড়ীর মুখে কি এসব মানায় বলুন??কিন্তু আমার শাশুড়ী মা সেসবের ধারে কাছে নেই,,,তার কথা সোজাসাপ্টা,,,, “আরে,,লজ্জার কি আছে??মা কে বলবি না তে কাকে বলবি??” মামানির এই কথায় শুভ্র কতটুকু লজ্জা পেয়েছিলেন জানি না,,তবে কাশতে কাশতে যে যক্ষা রোগীর পদবীটা ছিনিয়ে নিতে চাইছিলেন,, সে বেশ বুঝতে পেরেছিলাম,,


মামানির এই কথায় শুভ্র কতটুকু লজ্জা পেয়েছিলেন জানি না,,তবে কাশতে কাশতে যে যক্ষা রোগীর পদবীটা ছিনিয়ে নিতে চাইছিলেন,, সে বেশ বুঝতে পেরেছিলাম,,,,কিন্তু ছেলের এই করুন অবস্থায় মামানির বিন্দুমাত্র দয়া হলো বলে মনে হলো না,,,উনি দুর্দান্ত গতিতে তার প্রশ্ন ছুঁড়ে চলেছেন,,,

শুভ্র??এটা ফ্যামিলি প্ল্যানিং করার টাইম নাকি??রোদ কতো বাচ্চা একটা মেয়ে,,,ওকেই আমায় সামলাতে হয়,,,ওর বাচ্চাকে কে সামলাবে???রোদের এডমিশনের আরো দুইমাস আছে,,সেপ্টেম্বরে এক্সাম আর তুই এই সময় এইসব প্ল্যানিং করছিস??এসব নাই বাদই দিলাম,,আমি যে বাচ্চাদের এক সিট করে ড্রেস কিনে ফেলেছি,,,এবার তো নতুন করে শপিং করতে হবে,,সবাইকে বলতে হবে,,কতো কাজ।।।

মামানির কথাগুলো শুনে আমি রীতিমতো “হা”।।উনি কই থেকে কই চলে গেছেন???হায় আল্লাহ দরি ফালাও,,,শুভ্রর দিকে আড়চোখে তাকিয়ে দেখলাম সেও হাবলার মতো তাকিয়ে আছে,,,মামানি এক নিশ্বাসে কথা বলেই চলেছেন,,,যাকে বলে ননস্টপ টকিং ।।।

তুই যে মার সেইদিনের বাচ্চা বিষয়ক কথা এতো সিরিয়াসলি নিয়ে নিবি আমি ভাবতেই পারি নি,,,,আর রোদ??তুই কিভাবে,,,

মা?(চাপা গলায়)

রোদ তুই কিভাবে প্রশ্রয় দিলি??কই এডমিশনের পর হানিমুন টানিমুনে যাবি তা না,,,এখনি,,,

মা প্লিজজজজ

কি হয়ছে??চেঁচাচ্ছিস কেন??

মা তুমি একটা কামড় থেকে বাচ্চার জন্য শপিং পর্যন্ত চলে গেছো,,,তাহলে সত্যি সত্যি বাচ্চা পেটে আসলে তো দেখি ওর বিয়ে ঠিক করে ফেলবে,,,,

কি বলতে চাচ্ছিস তুই??(ভ্রু কুচঁকে)

মা??এতো ফাস্ট না দৌড়াই একটু স্লো হও,,, তুমি যে আকাশ-পাতাল ভাবছো,,,তা কিছুই নয়।।রোদ আর আমি ঝগড়া করছিলাম,,,,তাই এই কামড়াকামড়ি,,,

হোয়াটটট???তোরা কি বাচ্চা যে কামড়া কামড়ি করিস??(অবাক হয়ে)

তোমার বউমা তো বাচ্চাই,,(নিরীহ ভঙ্গিতে)

বউমা বাচ্চা হলেও তুইতো ধামড়া ছেলে,,,ছি ছি,,এসব কি??বউয়ের সাথে ঝগড়া করে কামড়া কামড়ি,,মানসম্মান সব ধুলোই মিশিয়ে দিবি দেখছি,,,ওসব নয় বাদই দিলাম আমি যে কতো কিছু ভাবলাম,,,শপিং করবো,,দুই বাচ্চাকে একসাথে কোলে নিয়ে পার্কে ঘুরবো,,,সারাবাড়ি ঘুরে ঘুরে দুই নাতনীকে খাওয়াবো,,,,আর তুই সব ভাবনায় পানি ঢেলে দিলি হতচ্ছাড়া,,,,

আমি অবাক হয়ে মামানির কথা শুনছি,,,এর মধ্যে উনি এতো কিছু ভেবে ফেলেছেন???এখন আমারও মনে হচ্ছে উনি সত্যিই বেবি আসার আগেই বেবির বিয়ের ব্যবস্থা করে ফেলবেন।।তবে আমাদের কামড়া-কামড়ির ব্যাপারটি মামানির জানা থাকায় একদিকে ভালোই হয়েছে,,উনিই সবার প্রশ্নের হাত থেকে কয়েক দফা বাঁচিয়ে দিয়েছেন।।।


দুদিন যাবৎ কোচিং এ ও যায় না,,,সারাদিন ঘর বন্ধি হয়ে থাকতে কার ভালো লাগে???ভালোবাসা যেমন ভালো,,অতি ভালোবাসা তেমনি খারাপ।।যা এখন আমি প্রকটভাবে বুঝতে পারছি।।। বিছানায় পা উঠিয়ে,,গাল ফুলিয়ে বসে আছি,,,,সব কিছুই বিরক্তিকর লাগছে,,,আর এই বিরক্তি চক্রবৃদ্ধি হারে বেড়েই চলেছে,,,ইচ্ছে করছে কাউকে ইচ্ছেমতো চড়াই,,এটা মন ভালো করার ভালো ট্রিক,,,বাবা মার সাথে কথা বলতে পারলেও হতো,,,ভাইয়া নামক ডাফারটার সাথে কিছুক্ষন বকবক করলেও মন ভালো হয়ে যাওয়ার চান্স ছিলো কিন্তু আমার কাছে ফোন থাকলে তো,,,,হঠাৎই উনি রুমে ঢুকলেন,,আমি এমন একটা ভাব করলাম যেনো উনাকে দেখিই নি,,,,উনি আমার দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন,,তার মূল কারন তিনি কয়েকবার আমাকে ডেকেছেন কিন্তু কাঙ্ক্ষিত উত্তর তার মেলে নি।।

কি সমস্যা??কথা বলছো না কেন??(একদম সামনে এসে দাঁড়িয়ে)

ইচ্ছে করছে না তাই,,,

ইচ্ছে কেনো করছে না??(ভ্রু কুচঁকে)

মুড সুয়িং করছে,,ব্যাপক বিরক্ত লাগছে,,,(ঠোঁট উল্টিয়ে)

তাই??

উনার তাই কথাটা শুনে উনার দিকে আড়চোখে তাকালাম,,,উনাকে দেখে মনে হচ্ছে,,আমার মুড সুয়িং এর ব্যাপারটাই উনি চরম খুশি।।।উনার এমন অবাঞ্ছিত খুশি খুশি ভাব দেখে,,অটোমেটিকলি আমার ভ্রু কুঁচকে গেলো,,,,

কি ব্যাপার?এতো খুশি খুশি লাগছে কেন আপনাকে??

ভাবছি তোমাকে নিয়ে ঘুরতে যাবো,,দেখবে মুড সুয়িং ভাবটা হাওয়া হয়ে গেছে,,,

আমি উনার দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি,,,উনার মাথায় কি চলছে,,তাই বুঝার চেষ্টা।।

জটপট তৈরি হয়ে নাও,,,

আপনার ফোনটা দিবেন প্লিজ??

কেনো??(ভ্রু কুচঁকে)

আমার কাছে ফোন নেই,,একটা আপনি ভাঙছেন অন্যটা বাসায় ফেলে আসছি,,,,আম্মুর সাথে কথ বলবো(মুখ ফুলিয়ে)

ওহ,,,ওকে

উনি ফোনটা আমার হাতে দিলেন,,,খুশি খুশি মনে মনে স্ক্রিনটা অন করতেই,,,স্ক্রিন সোজাসাপ্টা ভাবে জানিয়ে দিলো তার পাসওয়ার্ড চায়,,নয়তো সে খুলবে না।।।ব্যাপারটা সে যতো সহজভাবে বললো,,আমার মেজাজ ততো সহজ ভাবে নিলো বলে মনে হলো না,,বিরক্তি আগের থেকে কয়েকধাপ এগিয়ে গেলো,,,এই সাদা বিলাইকে কি করা যায়??ব্যাটা পাসওয়ার্ড না খুলেই ফোন হাতে তুলে দিলো,,আহাম্মক একটা।।।

এইযে??আপনার ফোনের পাসওয়ার্ড কি??

উনি ল্যাপটপ দেখছিলেন,,আমার কথায় মাথা উঠিয়ে বলে উঠলেন,,,”দাও খুলে দিচ্ছি”

না,,আপনি বলুন,,, আমি ইন করছি,,

আমি বলছি তো দাও আমি খুলে দিচ্ছি,,

আমিও তো বলছি আপনি বলুন,,,,কি এমন জিনিস আছে যে পাসওয়ার্ড শুনে নিলে মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যাবে,,,(ভ্রু কুচঁকে)

আশ্চর্য এমন সিম্পল একটা বিষয়ে তুমি জেদ করছো কেন??(রাগী গলায়)

আশ্চর্য এমন সিম্পল একটা বিষয়ে আপনি জেদ কেন করছেন??নাকি কারো সাথে চক্কর চলছে??(সন্দেহের দৃষ্টিতে)তাই এতো ইনসিকিউর ফিল করছেন???(ভ্রু নাচিয়ে)

ইউ আর জাস্ট ইম্পসিবল,,,, এতো জেদি কেন তুমি??যত্তোসব,,,ওকে তুমিই ইন করো,,,(রাগী গলায়)

হ্যা হ্যা বলুন,,,(উৎহাস নিয়ে নড়েচড়ে বসে)

“মাই পুচকি”

উনার কথাটা শুনেই আমার দৃষ্টি সরু হলো,,,পুচকি??ইটস মি??ব্যাপারটা ভাবতেই আমার মুখ “হা” হয়ে যাওয়ার উপক্রম,,,,আমি “থ” মেরে বসে আছি,,,উনি উঠে এসে ফোনটা হাত থেকে নিয়ে লক খুলে দিয়ে বেরিয়ে গেলেন।। যেতে যেতে বলে গেলেন,,,”রেডি হয়ে নাও,,আমরা বেড়োবো”,,,আমি এখনো চুপচাপ বসে আছি,,নিজেই বুঝতে পারছি না আমার ভেতরের অনুভূতিটা আসলে কি???,,,অবাক হয়েছি নাকি খুশি হয়েছি,,,,


দুজনেই নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে আছি,,এটা সেই জায়গা যেখানে উনি সেন্সলেস হয়ে গিয়েছিলেন,,আজও এমন কিছুর প্ল্যান করছেন না তো???আমি উনার দিকে আড়চোখে তাকাচ্ছি কিন্তু উনি আমার দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন,,,ব্যাপারটা ব্যাপক রহস্যজনক,,,

#চলবে,,,,

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *