তোকে চাই || সিজন -২ || Part_33 ❤ নৌশিন আহমেদ রোদেলা❤

তোকে চাই সিজন ১ সকল পর্ব

তোকে চাই সিজন ২ সকল পর্ব 

💔💔💔💔💔💔💔💔💔💔💔💔💔💔💔

#তোকে চাই❤
………(সিজন -২)
#writer : নৌশিন আহমেদ রোদেলা❤
#part: 33
.
.
🍁
.
আপু আর অভ্র ভাইয়ার বিয়ে হয়ে গেছে?
.
তো?তোমার কি মনে হয় এখনো বসে আছে?বাসর ঘরেও ঢুকে গেছে এতোক্ষণে। বুঝো না গ্রামে সন্ধ্যা সময়ই মধ্যরাত।।ভাইয়া তো বেচারা আরেকটু হলে কেঁদেই দিতো….যতবারই সে কবুল বলতে যায় কিছু না কিছু প্রবলেম শুরু হয়ে যায়।।প্রথম বার যখন কবুল বলতে গেলো রহিমা খালা চেঁচামেচি করে আমাকে অলমোস্ট রেপিস্ট বানিয়ে দিলো…আর সেকেন্ড টাইম তুমি….হা হা হা..
.
কথাটা বলেই ভুবন কাঁপিয়ে হাসতে লাগলেন উনি।কিন্তু আমার মুখে হাসি নেই।চোখ ভার হয়ে আসছে আমার…অশ্রু দেবী এই এলো বলে।।আমি উনার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি… আমায় এভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে হাসি বন্ধ করে চোখের ইশারায় জিগ্যেস করলেন-
.
কি হয়েছে?
.
আই এম সরি!!আমার জন্য এতো কিছু..
.
উনি মুচকি হেসে আবারও নিজের সাথে জড়িয়ে নিলেন আমায়…একটা শান্তির নিঃশ্বাস ফেলে বলে উঠলেন-
.
তুমি না আই এম সরি রোদপাখি…এতোটা রিয়েক্ট করা উচিত হয় নি আমার।মাথায় কতোটা ব্যাথা পেয়ে গেছো দেখলে??ইশশ!!কতোটা ফুলে গেছে..(কপালে ঠোঁট ছুইয়ে).আচ্ছা?তুমি রহিমা খালাকে এক্জেক্টলি কি বলেছিলে শুনি??যার জন্য উনি এতো কিছু ভেবে নিলেন!!
.
উনার কথায় লজ্জা পেয়ে গেলাম আমি।এখন কি বলবো?রহিমা খালাকে যা বলেছি তা কি আর উনাকে বলা যাবে নাকি??আমাকে চুপ থাকতে দেখে আবারও বলে উঠলেন-
.
কি হলো?বললে না তো…কি বলেছিলে?
.
কিছু না।।চলুন নিচে যাবো।অন্ধকার হয়ে গেছে তো!!
.
কথাটা বলে উঠতে নিলেই আমার বামহাতটা ধরে একটানে আবারও বসিয়ে দিলেন উনার পাশে….কোমরটা শক্ত করে চেপে ধরে বলে উঠলেন-
.
কোথায় যাচ্ছো?চুপচাপ বসে থাকো।হোক রাত…তাতে কি??নিচে যে যার মতো কাজ করছে তোমার সেখানে কোনো কাজ নেই।।সো আমার পাশে বসে থাকো।।আজ সারারাত তোমায় নিয়ে চন্দ্র বিলাস করবো…দেখো কতোবড় চাঁদ উঠেছে!! (আকাশের দিকে ইশারা করে)
.
পাগল নাকি?কেউ চলে এলে কি বিশ্রী অবস্থা হবে…ভেবেছেন একবার??গ্রামে ছেলে মেয়ে একসাথে বসাটাও খারাপ নজরে দেখা হয়….তারউপর এখন তো রাত!!দেখি ছাড়ুন তো…
.
রাত তো কি হয়েছে?তুমি কি অন্যকোনো ছেলের সাথে বসে আছো??এই গ্রামের সবাই অলরেডি জেনে গেছে যে তুমি আমার ওয়ানপিস বউ..যে কাহিনী করে বিয়ে হলো…. মাই গড!!…এতো কাহিনীর পর আমার তো মনে হয় শুধু এই গ্রাম না আশেপাশের দশ গ্রামের মানুষও জেনে গেছে আমাদের বিয়ের ব্যাপারটা।।সো আমাদের এভাবে বসে থাকতে দেখলেও কেউ কিচ্ছু ভাববে না… নো টেনশন।।তাছাড়া রাতের বেলা গ্রামের কেউ ছাদে আসে না…গ্রামের মানুষদের ছাদভীতি আছে বুঝলে?ওদের ধারনা ছাদ মানেই ভূতের বাসা…আর কেউ শখ করে ভূতের হাতে মরতে আসবে না নিশ্চয়?আর তবু যদি ভুল করে চলে আসে তাতেও সফল হতে পারবে না…রাতুল আর সাকিবকে বলে দিয়েছি আজ রাতে যদি কেউ ছাদে ওঠে তো ওদের দুটোর হাত পা ভেঙে নদীতে ফেলে দিবো… সো ওরাই হ্যান্ডেল করবে সব….
.
আচ্ছা তা নাহয় হলো…কেউ ছাদে না এলেও তো আমাদের নিচে যেতে হবে নাকি??আমি সারাদিন কিচ্ছু খায় নি…ক্ষুধা পেয়েছে তো….(মুখ ফুলিয়ে)
.
তোমার কি মনে হয় আমি এতো বোকা??ওই দোলনার দিকে তাকাও…খাবার টাবার সব এনেছি রোদপাখি…আমি থাকতে বউ আমার না খেয়ে থাকবে হতেই পারে না।।(চোখ টিপে)
.
উনার মুখে “বউ” কথাটা শুনেই কেঁপে উঠলাম আমি।।সত্যিই আমি উনার বউ??কয়েকঘন্টার ব্যবধানে কারো জীবনের সাথে কতো সহজেই মিশে গেছি…এখন আমি অন্যের অধিকার…কপালে ঠান্ডা কিছুর ছোঁয়ায় ঘোর কাটলো আমার।।শুভ্র রুমালে বরফ পেচিয়ে,, বরফ লাগাচ্ছে আমার কপালে…কিন্তু এতো তাড়াতাড়ি বরফ কোথা থেকে পেলেন উনি??ভ্রু কুঁচকে যখনই কথাটা জিগ্যেস করতে যাবো তখনই দেখি উনার পাশে একটা আইস বক্স.…তাতে দুটো আইসক্রিম ও দুটো কোকও আছে…বাহ্ উনি তো দেখি পুরো ব্যবস্থা করেই এসেছেন।।করবেনই তো… দেখতে হবে না বরটা কার!! কথাটা ভেবে নিজের মনে একটু হেসেই মনোযোগী হলাম উনার কথায়…উনি খাবারের প্লেটটা আমার হাতে তুলে দিয়ে বলে উঠলেন-
.
খাইয়ে দাও…উফফ কি হাত ব্যাথা..আমার প্রচুর হাত ব্যাথা বুঝলে রোদপাখি??ভাত মুখে তুলতে পারবো বলে মনে হয় না।।(ঠোঁট উল্টে)
.
আমি অবাক চোখে উনাকে দেখছি।লেম এক্সকিউজ!! হাত দিয়ে দুনিয়ার কাজ করছেন উনি আর খাবার সময়ই হাতে ব্যাথা??অদ্ভুত!! আমি খাবারের ঢাকনাটা খুলে আবারও অবাক হলাম…সব গ্রাম্য খাবার…কচুশাকের চচ্চড়ি,,ছোট মাছ..ডালের বড়া… আমি কৌতুহলী কন্ঠে বলে উঠলাম-
.
এসব কোথায় পেলেন?বিয়ে বাড়িতে তো এসব রান্না হয় না…তাহলে??
.
জোগার করেছি।বিয়ে বাড়ির এসব ভারি খাবারে বিরক্ত হয়ে গেছি একদম।।আর আমি এটাও জানি মিসেস আবরার শুভ্রও এসবে বোর.. রাইট??
.
আমি হাসলাম।।সত্যিই বিরক্ত হয়ে পড়েছিলাম এসব পোলাও,,মাংস হাবিজাবি খেয়ে।।আমাকে চুপ থাকতে দেখে আবারও বলে উঠলেন উনি-
.
একটু কষ্ট হয়েছে বাট তিনজনের জন্য ম্যানেজ হয়ে গেছে।।(মুচকি হেসে)
.
তিনজন??আমরা তো দুজন…তাহলে তিনজন বললেন কেন??(ভ্রু কুচঁকে)
.
আরেকজন হলো সাহেল।খুবই অদ্ভুতভাবে সাহেল আর আমার পছন্দ এক।আমি কোনোকিছু এক দেখায় বলে দিতে পারবো কোনটা ওর পছন্দ হবে আর কোনটা হবে না।।কারণ আমার যা পছন্দ ওর ও তাই পছন্দ…তুমি খেয়াল করে দেখো…আমরা প্রায় সব অকেশনে সেইম ড্রেইস পড়ি…আজও কিন্তু পড়েছিলাম।।কিনতে গেলেও একই রকম কিনি।আমার মাঝে মাঝে মনে হয় কি জানো??ও তোমাকেও পছন্দ করে(চিন্তিত হয়ে) তোমার মনে হয় না?
.
আরে ধুর!! উনি আমায় কেনো পছন্দ করতে যাবেন।।সাহেল ভাইয়ার সাথে চিত্রার বিয়েটা হয়ে গেলে দারুন হবে।।আমরা দুজন বেস্ট ফ্রেন্ড…. আপনারাও…দারুন হবে না??(কৌতূহলী হয়ে)
.
উনি হাসলেন।আমার হাত থেকে প্লেটটা নিয়ে আমার মুখে খাবার তুলে দিতে দিতে বলে উঠলেন-
.
দারুণই হবে বাট চিত্রাকে ওর পছন্দ না।ও বিয়ে করবে না।
.
কেন কেন??আমার বেস্টুর মধ্যে খারাপটা কি??ভার্সিটির সবচেয়ে সুন্দরী মেয়ে।।সব ছেলের উচিত ওর পেছনে লাইন মারা…..আর সাহেল ভাইয়া এভাবে রিজেক্ট করে দিবেন??ইম্পসিবল….
.
আমার কথায় হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাচ্ছে শুভ্র।। আমি ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে আছি।।এমন কি বললাম যে একদম হেসে মরে যেতে হবে?? উনি কোনোরকম হাসি কন্ট্রোল করে বলে উঠলেন-
.
ছেলেরা কি শুধু সৌন্দর্যই দেখে নাকি??তাছাড়া সাহেল অন্যান্য ছেলেদের মতো না একটু ডিফারেন্ট …এন্ড মেইন পয়েন্ট ইজ হি ডোন্ট লাইক চিত্রা…
.
কেনো লাইক করে না??অদ্ভুত!! আচ্ছা আপনাদের দুজনের চয়েজ তো সেইম তাই না??তাহলে আপনিও কি চিত্রাকে লাইক করেন না??
.
না….
.
কেনো?(ভ্রু কুচঁকে)
.
উনি হাসলেন…ফু দিয়ে আমার কপালে এসে পড়া চুলগুলো সরিয়ে দিয়ে বলে উঠলেন-
.
কারণ আমার বউ আছে আর আমি আমার বউকেই পছন্দ করি।অন্যকাউকে দেখার সময় কোথায়??
.
তাই বলে পছন্দই করবেন না??(অবাক হয়ে)
.
আরে বাবা!! সেই পছন্দ বলেছি নাকি…..এই পছন্দ সেই পছন্দ নয় বোকা!!এজ আ পার্সন আমি ওকে পছন্দ করি বাট নট আ স্পেশাল ওয়ান….. আর অপছন্দই বা কেন করবো বলো তো??
.
ওহ…আচ্ছা আপনি কি জানেন আপনার চয়েজ খুবই বাজে?
.
আমার কথায় ভ্রু কুঁচকে তাকালেন।প্লেটটা হাত থেকে রেখে আমার হাতে মেডিসিন ধরিয়ে দিতে দিতে বললেন.. ” কেনো?”
.
কেনো আবার??চিত্রা তো বেশ সুন্দরী কিন্তু আপনি তার প্রেমে পড়লেন না??চিত্রার কথা ছেড়েই দিলাম…শ্রেয়াকেই ধরুন না…আপনি ওর নামটাই ভুলে গেলেন??যেখানে শ্রেয়ার জন্য সবাই পাগল!!
.
আমার কথায় হাসলেন উনি।।নিজের মুখে খাবার পুড়ে নিতে নিতে বললেন…
.
রোদপাখি.?ভালোবাসাটা একটা ভয়ঙ্কর নেশা বুঝলে!! তুমি কাকে কখন কিভাবে ভালোবেসে ফেলবে তা তোমার হাতে নেই।।ভালোবাসাটা জাস্ট হয়ে যায়…আর যখন এই ভালোবাসা নামক নেশাটা রক্তে রক্তে ঘুরে তখন পৃথিবীর সব সৌন্দর্যের পাশে ভালোবাসার মানুষটির প্রতিচ্ছবিই ভেসে উঠে বারবার।।আর আমি জানি আমার চয়েজটা কতোটা মারাত্মক …… তাই এতো ভয়ে থাকি….আমার মায়ার জালটা আবার কেউ চুরি করে না নিয়ে যায়….একবার চুরি হলেও তো আমি শেষ…একেবারেই নিঃশ্ব!!
.
আমি স্তব্ধ হয়ে উনার কথাগুলো গিলে চলেছি।।কি সুন্দর গুছিয়ে কথা বলেন উনি।।খাওয়া শেষ করে হাত ধুয়ে…হাতটা আমার আচঁলে মুছেই একটা আইসক্রিম ধরিয়ে দিলেন আমার হাতে…নিজের জন্য একটা নিয়েই আমার কোলে মাথা রেখে সটান শুয়ে পড়লেন উনি আবার কি ভেবে চট করে উঠেই বলে উঠলেন-
.
তুমি শোয় রোদ।তোমার তো মাথা ব্যাথা করছে।।ইউ নিড স্লিপ।নিচে এত্তো এত্তো মানুষের মধ্যে তোমার ঘুম হবে না।তাই এখানেই ঘুমাও আমি তো আছিই…
.
কথাটা বলে এক মিনিটও দেরি না করে একরকম জোর জবরদস্তি করেই আমাকে উনার কোলে মাথা রাখতে বাধ্য করলেন।।উনার এতো কাছে এভাবে কখনো ভাবিনি নিজেকে… বড্ড অস্বস্তি হচ্ছিলো মনে।।কিন্তু মাথায় উনার হাতের স্পর্শ আর উনার ননস্টপ বলা কথায় অস্বস্তিটা যেনো দৌড়ে পালালো।।সাথে সাথেই ঘুমেরা ধরা দিলো চোখে।শান্তির ঘুম!!
.
🍁
.
ঘুমটা হঠাৎই ছুটে গেলো আমার…হঠাৎ ঘুম ভাঙায় নিজেকে ঠিক আবিষ্কার করতে পারছিলাম না ঠিক কোথায় আছি আমি?মুখের উপর কাপড় জাতীয় কিছু ফিল হওয়ায় হাত দিয়ে সরিয়ে আনলাম জিনিসটা…রুমাল??রুমালটির দিকে ভ্রু কুঁচকে তাকাতেই কোথা থেকে কেউ একজন বলে উঠলো –
.
গুড মর্নিং রোদপাখি…
.
কথাটা শুনে চোখ তুলে উপরের দিকে তাকাতেই শুভ্র ভাইয়ার মুখ ভেসে উঠলো।মুখে ক্লান্তিমাখা হাসি।।উনার মুখ দেখেই কাল রাতের কথা মনে পড়ে গেলো আমার।।উনি ঠিক রাতের মতোই বসে আছেন৷।। ইশশশ….উনি সারারাতই জেগেছিলেন নাকি??চারদিকে ভোরের আমেজ শুরু হয়েছে মাত্রই…একেই হয়তো বলে কাক ডাকা ভোর।।কিন্তু চারপাশে কাকের ডাক শুনা যাচ্ছে না মোটেই।।চারপাশে তো পাখির কিচিরমিচিরের শব্দ….এই রকম একটা ভোরের কথায় হয়তো…উপন্যাসিকরা লিখতেন তাদের উপন্যাস পটে…!! আমি মুগ্ধ চোখজোড়া নিয়ে উঠে বসতেই উনি শুয়ে পড়লেন আমার কোলে…আমার আঁচল টা টেনে নিলেন উনার মুখে।।আচঁলে মুখ ঢেকেই বলে উঠলেন..
.
ডোন্ট ডিস্টার্ব…. পুরো একঘন্টা ঘুমাবো আমি।আর এই আচঁল সরাবে না একদম…এই স্মেল টা আমার নেশা!!!
.
🍁
.
আজ আবারও ঢাকার গন্তব্যে পাড়ি জমিয়েছি সবাই।।শুভ্র ভাইয়ার মুখটা দেখার মতো হয়েছে…তার প্রধান কারণ হলো আমাদের বিয়ে!! আমাদের বিয়েটার কথা যেনো সবাই ভুলেই গিয়েছে।। তাদের ধারনা এই এক্সিডেন্টালি বিয়ে হওয়াটা আমরা কেউই মেনে নিতে পারি নি।।আর এই বিয়ে কোনো বিয়ের পর্যায়ে পড়ে নি।।পাত্র পাত্রীর অসম্মতিতে বিয়ে ঠিক নয়।।তাই আমাদের বিয়েটাও ঠিক নয়।।ব্যাপারটায় আমার ভাবাবেগ না হলেও শুভ্র ভাইয়া চরম বিরক্ত।।উনি বেশ কয়েকবার আমার কানে ফিসফিস করে বলেও দিয়েছেন-
.
লুক রোদপাখি!! আজ যদি বিয়েটা আমার… তুমি ছাড়া অন্য কোনো মেয়ের সাথে হতো তো বিয়ের দু’মিনিট পরই বাবা চড় থাপড়া দিয়ে বাসর ঘরে ঢুকিয়ে দিতো।।আর মা তো আরো একধাপ এগিয়ে…নির্ঘাত স্টার জলসার মা’দের মতো কসম দিয়ে বলতো…খোকা!! কথা দে…একবছরে নাতি নাতনীর মুখ দেখাবি…কথা দে!! আর এখন যখন আমি রাজি আছি তখন দেখো?দুনিয়ার সবাই বিয়েটাই ভুলে গেলো??বাসর তো বহুত দূরের কথা…এটাই আমার কপাল বুঝলে??(মুখ ফুলিয়)
.
উনার কথায় বারবারই হুহা করে হেসে উঠেছি আমি….কি বাচ্চাদের মতো কথাবার্তা!!
.
#চলবে…

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *