তোকে চাই || সিজন -২ || Part_36 ❤ নৌশিন আহমেদ রোদেলা❤

তোকে চাই সিজন ১ সকল পর্ব

তোকে চাই সিজন ২ সকল পর্ব 

💔💔💔💔💔💔💔💔💔💔💔💔💔💔💔

#তোকে চাই❤
………(সিজন -২)
#writer : নৌশিন আহমেদ রোদেলা❤
#part: 36
.
.
🍁
.
শুভ্র ভাইয়ার মেজাজ ভীষন রকম গরম।।উনি একবার চেয়ারে বসছেন তো একবার হাঁটাহাঁটি করছেন…কিছুতেই নিজেকে শান্ত করতে পারছেন না ।।সাহেল ভাইয়া ক্রমাগত হেসে চলেছেন…. আমি আর চিত্রা মুখ গোমরা করে দাঁড়িয়ে আছি।।আজকের প্ল্যান ছিলো সবাই মিলে ঘুরতে যাবো আর অভ্র ভাইয়া দিবেন ট্রিট।। আমরা সবাই তো মহা খুশি…চিত্রাও রেডি হয়ে চলে এসেছে ঝটপট কিন্তু লাস্ট মোমেন্টে কি হলো??অভ্র ভাইয়া আপুকে নিয়ে হাওয়া!! শুভ্র ভাইয়ার কিছুতেই বিশ্বাস হচ্ছে না যে,,তার মায়ের পেটের ভাই তাকে এভাবে ধোঁকা দিলো??তার মাসুম ভাইটা মিরজাফর হয়ে গেলো আর উনি টেরই পেলেন না.???আফসোস!!বহুত আফসোস!!
.
সাহেল তুই হাসছিস?ভাই আমাদের এভাবে ধোঁকা দিয়ে দিলো আর তুই হাসছিস??
.
সাহেল ভাইয়া চেয়ারে গা এলিয়ে দিয়ে বলে উঠলেন-
.
তো কি করবো বল?তুই ভাবতে পারছিস?আমরা ভাইয়ের এমন অবস্থা করেছি যে তাকে রোমাঞ্চ করার জন্য বউ নিয়ে পালাতে হয়েছে…ভাবা যায়??তুই যে রাতে..
.
সাহেল ভাইয়ার কথার মধ্যেই ফট করে বলে উঠলো চিত্রা-
.
কি করেছেন আপনারা?(এক্সাইটেড হয়ে)
.
চিত্রার কথায় সাহেল ভাইয়া ভ্রু কুঁচকে তাকালেন…বাঁকা হেসে বলে উঠলেন-
.
বাহ,,তোমার তো দেখি খুব ইন্টারেস্ট!!এতো ইন্টারেস্ট ভালো না বাচ্চারা…..তোমাদের ইন্টারেস্ট থাকবে রান্না ঘরে…যাও যাও আমাদের জন্য চা নিয়ে আসো..
.
আমরা কেন চা আনবো??নিজেরে নিয়ে খান যান…
.
ওহ মাই গড…শুভ্র দেখ দেখ…তোর শশুড়বাড়ি তোর কোনো ইজ্জত নাই।এক কাপ চায়ের জন্য এতো খোটা??এতো??
.
সাহেল ভাইয়ার কথায় হাসলেন শুভ্র।আমিও মুচকি হাসলাম এদিকে চিত্রা রেগে ফায়ার-
.
এই এই?আপনাকে বেইজ্জত করার মতো কি কথা বললাম শুনি??আ…
.
চিত্রাকে মাঝপথে থামিয়ে দিয়েই বলে উঠলাম আমি-
.
আমরা চা আনছি ভাইয়া। আপনারা গল্প করুন।
.
আমার কথা শেষ হতেই মুখ ফুলালো চিত্রা…যার অর্থ সে যাবে না।আমি ওর দিকে ভ্রু কুঁচকে তাকিয়েই বলে উঠলাম-
.
তাহলে কি তুই উনাদের সাথে থাকতে চাস??তুই..
.
আমার কথা শেষ না হতেই ধুপধাপ করে নিচে নেমে গেলো সে।।শুভ্র আর সাহেল ভাইয়া হেসে ওঠে একসাথেই বলে উঠলেন- “চা নয় কফি প্লিজ” আমি হালকা হেসে মাথা নেড়ে সম্মতি জানিয়েই নিচে নেমে এলাম। কিচেনে এসেই আমি অবাক…আমাদের চিতা বাঘ কফি বানাচ্ছে আর গুন গুন করে গান গাইছে…”প্রেমে পড়েছে মন..প্রেমে পড়ছে/অচেনা এক মানুষ আমায় পাগল করেছে।” ওর এমন নেচে নেচে গান গাওয়া দেখেই আমার ভেতরেও কৌতূহলগুলো নেচে উঠলো…মাইয়া এতো প্রেম পায় কই??আমি আস্তে করে ওর পেছনে দাঁড়িয়ে কফি কাপ রেডি করতে করতে বললাম-” তো?কার প্রেমে পড়লি?কে সে অচেনা মানুষ যে বনের চিতা বাঘকেও পাগল করে ফেললো??” চিত্রা মনের আনন্দে অন্যমনস্ক হয়ে “ওই তো ম..” এইটুকু বলেই থেমে গেলো।।আমাকে দেখে অপ্রস্তুত হাসি দিয়ে বলে উঠলো সে-
.
এমা…রোদ??আমি তো চায়ের জায়গায় কফি বানিয়ে ফেলেছি রে..এবার কি হবে?(অসহায় চোখে)
.
এতো প্রেম প্রেম পেলে তো তাই করবে সোনা!বাট এতো প্রেম প্রেম পায় কার উপর সেটা তো বল…(ভ্রু নাচিঁয়ে)
.
চিত্রা কিছু একটা বলতে যাবে তখনই ভাইয়া এসে হাজির।।আমার মাথায় টোকা দিয়ে বলে উঠলো -“বুড়ি!!” আমি রেগে তাকাতেই দাঁত কেলিয়ে হেসে উঠলো ভাইয়া…চিত্রার দিকে তাকিয়ে বললো-
.
কফি বানাচ্ছো চিত্রা?
.
জি ভাইয়া!!
.
আমার জন্যও এক কাপ প্লিজ…হবে তো?(মুচকি হেসে)
.
চিত্রা ঝটপট জবাব দিলো-” একদম” ভাইয়া আবারও আমার মাথায় একটা চাটি মেরে মুচকি হেসে বেরিয়ে গেলো।।চিত্রা এখনো অন্যমনস্ক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে…এই মেয়ের আগামাথা কিছুই বুঝতে পারছি না আমি…সামথিং ইজ ফিসি হেয়ার।।কার প্রেমে পড়লো সে??আমি কি তাকে চিনি??চিত্রার হাতে ভাইয়ার কফি কাপটা ধরিয়ে দিয়ে আমি হাঁটা দিলাম ছাঁদের দিকে…. মনে মনে চিত্রার কথায় ভাবছি…সত্যি প্রেমে পড়লো বুঝি??ছাদের দরজার কাছে এসে শুভ্র ভাইয়ার মুখে চিত্রার নাম শুনেই থমকে দাঁড়ালাম।।সাহেল ভাইয়া আর শুভ্র ছাদের রেলিং এ হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন।।শুভ্র ভাইয়া মুচকি হেসে বললেন-
.
চিত্রাকে বিয়ে করে নে সাহেল।রোদের ধারণা ব্যাপারটা দারুন জমবে।
.
শুভ্র ভাইয়ার কথায় বিষম খেলেন সাহেল ভাই।। কাশতে কাশতে বললেন-
.
চিত্রা!লাইক সিরিয়াসলি?
.
শুভ্র ভাইয়া মুহূর্তেই হুহা করে হেসে উঠলেন।। নিজেকে সামলে নিয়ে বলে উঠলেন-
.
তো?সমস্যা কি?আরে চিত্রা নাকি ভার্সিটির বেস্ট সুন্দরীদের মধ্যে একজন…তোর তো ফাঁটা কপাল হবে রে…সুন্দরী বউ!!(চোখ টিপে)
.
তাই বুঝি?তো এক কাজ কর না…তুই-ই বিয়ে করে ফেল ওকে…সুন্দরী বউ হবে…(দাঁতে দাঁত চেপে)
.
নাউজুবিল্লাহ!!কি সব বলিস দোস্ত….রোদময় জীবন আমার…এ জীবনে অন্য কাউকে নিয়ে ভাবা মানেই মরণ…ওকে ছাড়া অন্য কিছু চোখেই পড়ে না আমার।।বাট তোর ব্যাপার তো আলাদা…
.
হুহ…তাই বলে আমার গলায় ঝুলাবি?এতো সুন্দরী মেয়ে আমার লাগবে না….আমার তো মায়াপরী চাই…(অন্যমনস্ক হয়ে)
.
শুভ্র ভাইয়া একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে অন্যদিকে তাকিয়েই হঠাৎ বলে উঠলেন-
.
রোদকে ভালোবাসিস সাহেল??
.
শুভ্র ভাইয়ার করা এমন প্রশ্নে সাহেল ভাইয়া যেনো চমকে উঠলেন…সাথে আমিও।।আমার হাত কাঁপছে…সাহেল ভাইয়া কি বলবেন এবার?উনাদের মধ্যে আমার জন্য প্রবলেম ক্রিয়েট হবে না তো??মনে মনে দোয়া দুরুদ পড়ছি আর সাহেল ভাইয়ার জবাবের অপেক্ষা করছি।সাহেল ভাইয়া একবার শুভ্রর দিকে তাকিয়ে চোখ ফিরিয়ে নিয়ে আকাশের নীলে দৃষ্ট নিবদ্ধ করে চুপ করে রইলেন।।শুভ্র ভাইয়া আবারও প্রশ্ন করলেন-
.
ভালোবাসিস তাই না?নিশ্চুপ কেন তুই?কিছু তো বল সাহেল!!
.
সাহেল ভাইয়া একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে শুভ্র ভাইয়ার দিকে তাকালেন…..একটা মুচকি হাসি দিয়ে চোখে চোখ রেখে বলে উঠলেন-
.
আমি নিশ্চুপ কোথায়?নিশ্চুপতা মানে কি শুধুই চুপ থাকা শুভ্র??নিশ্চুপতা মানে অসংখ্য অভিযোগ যা আমি মুখে বলতে চাই না।নিশ্চুপতা মানে একবুক কষ্ট যা আমি তোকে দেখাতে চাই না।নিশ্চুপতা মানে অসংখ্য ভুলের ছড়াছড়ি যা আমি ধরিয়ে দিতে চাই না।আমি নিশ্চুপ নই শুভ্র….এই নিশ্চুপতার পেছনে আমার অনেক কথা… অনেক!!
.
সাহেল ভাইয়ার কথায় চোখ ফিরিয়ে নিলেন শুভ্র।হঠাৎই ধুম করে বসে পড়লেন নিচে।কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বলে উঠলেন-
.
কষ্ট হয় না তোর?কিভাবে পারিস সাহেল?আমি হলে তো মরে যেতাম রে!!
.
শুভ্র ভাইয়ার কথায় মুচকি হাসলেন উনি।শুভ্র ভাইয়ার পাশে রেলিং এ ঠেস দিয়ে বসে ছোট্ট একটা নিঃশ্বাস ফেলে বলে উঠলেন-
.
এইজন্যই সে এখন তোর…আর কষ্ট?সে তো কাউকেই ছাড় দেয় না শুভ্র….এই বাম পাশটায় এতো ব্যাথা করে যেন কেউ ক্রমাগত ছুড়ি চালিয়ে চলেছে…মাঝে মাঝে মনে হয় মরে যাই কষ্ট কমে যাবে…কিন্তু আমি তো তোর মতো সাহসী না রে একদম ভীতু তাই ওসব পারি না….আমি জানি তুই পারতি…এতোদিনে শেষ হয়ে যেতি….তাই ও তোর…শুধুই তোর!!
.
কথাটা বলতেই দু’ফোটা মোটা মোটা জলের বিন্দু পড়লো তার গালে।শুভ্র ভাইয়া মাথা নিচু করে চুপ করে আছেন…সাহেল ভাইয়া পানিটুকু বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে সাবধানে মুছে নিয়ে সহাস্যে বললেন-
.
তোকে আর সানসাইশনকে খুব মানিয়েছে রে।।সানশাইন যখন তোর আশেপাশে থাকে ওর মধ্যে অন্যরকম একটা খুশির ঝিলিক থাকে….ও ভালো থাকে।।এটাই তো বড় পাওনা রে।আমি কষ্টে নেই বরং ভালো আছি।তোর সাথে আমার পছন্দের মিল থাকলেও স্বভাব কিন্তু মেলে না…সানশাইন আমার হলে তুই কখনো অন্যকাউকে নিজের সাথে জড়াতে পারতি না…কিন্তু আমি পারবো।।আর যাকে জড়াবো তাকে সর্বোচ্চ ভালোবাসবো দেখে নিস…তাই সেদিক থেকে সানশাইন তোর হয়েই ভালো হয়েছে তিনটা জীবন বেঁচে গেছে।।
.
কথাটা বলেই মুচকি হাসলেন উনি।।শুভ্র ভাইয়া হুট করেই জড়িয়ে ধরলেন উনাকে…সাথে সাথে সাহেল ভাইয়াও আগলে নিলেন তাকে।।শুভ্র ভাইয়া টলমলে চোখে বলে উঠলেন-
.
এই প্রথম হেরে গেলাম তোর কাছে….খুব বাজে ভাবে হেরে গেলাম রে!!
.
সাহেল ভাইয়া হাসলেন…শুভ্র ভাইয়ার পেটে গুঁতো দিয়ে বলে উঠলেন-
.
“বলেছিলাম তোকে একদিন জিতটা আমারই হবে। দেখ..বন্ধুত্বের যুদ্ধে তোকে হারিয়ে দিয়েছি আমি…আহ্ কি আরাম!!ছোট থেকে জ্বালাচ্ছিস শালা…”
.
কথাটা বলেই হেসে উঠলেন দু’জনে।সাহেল ভাইয়া হাসতে হাসতেই বললেন- “তোর ভাবি দেখিস তোর বউয়ের মতোই হবে…একদম কার্বন কপি আনবো…আমাদের দু’জনের মতো অদৃশ্য বন্ধনে আবদ্ধ থাকবে তারা…দেখে নিস!!”
.
আমি সাথেসাথেই মনে মনে বলে উঠলাম -“আমিন” বন্ধুত্ব এতোটা সুন্দর হতে পারে জানা ছিলো না।।ইতিহাস,উপন্যাস বা মহাগ্রন্থ সব জায়গায় মেয়েরা দোষী তাদের জন্যই পাপের শুরু…কিন্তু যেখানে এমন মনের মানুষ আছে…এমন বন্ধুত্ব আছে সেখানে কি নারীরা দোষী হবে?চাইলেও হয়তো পারবে না…..কখনোই না!!!আমি আর দাঁড়ালাম না….কফির ট্রে টা হাতে নিয়েই নিচে নেমে এলাম।।চিত্রাকে সামনে পেয়ে ওর হাতে ট্রে টা দিয়েই রুমে ঢুকে দরজা দিলাম।।কেন জানি খুব ক্লান্ত লাগছে নিজেকে….একটু জিরিয়ে নিই এবার…
.
🍁
.
রাত প্রায় তিনটা।হঠাৎ দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ!এতে রাতে কে হতে পারে ভাবতে ভাবতে দরজা খুলেই আমি অবাক…শুভ্র!! আমাকে ঠেলে সরিয়ে ভেতরে ঢুকেই তাড়াহুড়ো করে দরজা বন্ধ করলেন উনি।।আমি কিছুক্ষন বিস্ময়মাখা চোখে তাকিয়ে থেকে….নিজেকে কোনো রকম সামলে নিয়ে ফিসফিস করে বললাম-
.
আপনি??
.
উনি আমার থেকেও দ্বিগুণ ফিসফিসিয়ে বললেন-
.
হুম ঘুমোবো…
.
তো ঘুমান…এখানে কেন?
.
তোমার সাথে ঘুমাবো…(আমি ভ্রু কুঁচকে তাকাতেই)আই মিন এ ঘরে ঘুমাবো…ও ঘরে অনেক মশা!!!(হাত বাড়িয়ে দিয়ে) দেখো তোমার বরের রক্ত অর্ধেক খেয়ে ফেলছে…মায়া লাগে না?(মুখ ফুলিয়ে)
.
আমি কিছু বলতে যাবো ঠিক তখনই পেছন থেকে ঘুমু ঘুমু গলায় বলে উঠলো চিত্রা-
.
একটা পাপ্পি দিয়ে দে রোদু…ভাইয়ার রক্ত যা গিয়েছে তার দ্বিগুণ চলে আসবে,, তাই না ভাইয়া??
.
চিত্রার কন্ঠে চমকে উঠলেন শুভ্র ভাইয়া।।বিস্ফারিত চোখে বললেন-
.
ও এখানে কি করছে??
.
আমি স্বাভাবিক কন্ঠে বললাম-“ঘুমোচ্ছে!!”
.
ওর ঘুমানোর জন্য কি পৃথিবীতে দ্বিতীয় কোনো জায়গা নেই??সোজা আমার বউয়ের বিছানায়??(অসহায় মুখে)
.
আপনি যাবেন??(রাগী গলায়)
.
না গিয়ে উপায় কি?আচ্ছা?ওকে সাহেলের রুমে পাঠিয়ে দিলে কেমন হয়??(আমি রেগে তাকাতেই) আব আব তাহলে তোমার ভাইয়ার রুমে??
.
এবার আমি কোমরে হাত রেখে ভ্রু কুঁচকে তাকালাম…ভেতরটা হাসিতে ফেটে যাচ্ছিলো আমার…তবু নিজেকে শক্ত রেখে রাগী চোখে তাকাতেই আবারও বলে উঠলেন উনি-
.
তাহলে ফুপা-ফুপ্পির রুমে??
.
আপনি যাবেনননন???
.
ওকে বাবা যাচ্ছি তো…ওমন করো কেন??ভালোবাসা তো নাই-ই। একটু মায়া দয়াও তো দেখাতে পারো নাকি??(করুণ কন্ঠে)
.
উনি পেঁচার মতো মুখ করে রুম থেকে বেরুতে বেরুতে চিত্রাকে উদ্দেশ্য করে বললেন-
.
শালিসাহেবা??আমারও সময় আসবে…তোমার বাসর ঘরে আমাদের বাচ্চাদেরকে শুইয়ে দিয়ে আসবো হুহ…
.
উনি আবারও আমার দিকে অসহায় দৃষ্টি নিক্ষেপ করে বেরিয়ে গেলেন।।উনি বেরিয়ে যেতেই দরজাটা আটকিয়েই দুজনে হাসিতে ফেটে পড়লাম।।শুধু হাসি নয় একে বলে বিছানায় গড়াগড়ি খাওয়া টাইপ হাসি!!
.
#চলবে…

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *