পিচ্ছি বউ পার্ট-৫ | পিচ্চি বউয়ের ভালবাসার গল্প

পিচ্ছি বউ
পর্ব-৫

পিচ্ছি বউ পার্ট-১

পিচ্ছি বউ পার্ট-২

পিচ্ছি বউ পার্ট-৩

পিচ্ছি বউ পার্ট-৪

পিচ্ছি বউ পার্ট-৫

পিচ্ছি বউ পার্ট-৬

পিচ্ছি বউ পার্ট-৭

পিচ্ছি বউ পার্ট-৮

পিচ্ছি বউ পার্ট-৯  অন্তিম পর্ব

 

#### গল্পটার কিছু পর্ব ডিলিট হয়ে গেছিলো তাই আবার দিলাম ৪ পর্বের পড় থেকে #### 

“”” সাথীকে,এসব বলে ফোন রাখতেই পিছন দিকে তাকাতেই দেখি মালা সিলিং ফ্যানের সাথে, ঝুলছে এমন একটি উড়না গলায় পড়ছে। বুকের ভিতর কেমন জানি চিনচিনে ব্যাথা করতে লাগল।

.
দৌড়ে গেয়ে, মালাকে একটা থাপ্পর দিলাম! ” কি করছো এসব? ”

.
আমি ছোট বলে,এতিম বলে কারো ভালবাসা পাবো না! বিয়ের পর সকল নারীই তাঁর স্বামীর অধিকার চায়। আর আপনি বিয়ের পর একটি রাত আপনার বুকে পর্যন্ত ঘুমাতে দেননি।কতটা স্বপ্ন

প্প৬অক৫লায়াযা
দেখেছিলাম তোমায় নিয়ে। কিন্তু তুমি আমায় রেখে অন্য মেয়ের সাথে অবৈদ সম্পর্ক করতে চাচ্ছো! ( মালা)

.

প্লিজ বুঝায় চেষ্টা করো,এখন এসব বলার সময় নয়। চলো দেরি হয়ে যাচ্ছে, গাড়ি মিস করবো আবার। মালা আর কিছু বললো না!

.

এদিকে মালার এসব কান্ড-কারখানা সব সাথীকে সব বললাম! সাথী বললো, কোন চিন্তা না করতে। আমাদের সাথে একই গাড়িতে সাথীও গেল কক্সবাজার।

.

রাতের বেলা রুমে শুয়ে আছি হঠাৎ,সাথীর ফোন, ফোন ধরতেই বললো পাশের রুমে এসো। এদিকে পাশের রুমে যেতেই সাথী সেভেন-আপের সাথে কি যেন মিশিয়ে দিয়ে খেতে বলল। আমি কিছু না মনে করেই খেলাম! সাথীকে খুব কাছে পেতে ইচ্ছে করছে।নিজের অজান্তেই সাথীকে জড়িয়ে ধরে ফেললাম! সাথীও রেসপন্স করলো। আমি আস্তে আস্তে সাথীর লিপের সাথে আমাল লিপ জোড়া মিলানোর আগেই সাথীর ফোনটা ক্রিং ক্রিং করে বাজতে লাগল! ফোনটা ধরেই সাথী উঠে ওয়াশরুমে চলে গেল। এদিকে কিছুক্ষণ পর এসে বললো বাবু আমি অসুস্থ, কাল যা মন চাই তাই করো। এই বলে আমাদের রুমে দিয়ে গেল। মালাকে বললো সে আমাদের কলেজ ফ্রেন্ড। (মালা কখনো সাথীকে দেখেনি)

.

এদিকে রুমে গিয়ে বিছানায় শুয়ে পড়লাম। এখন আমার শরীর আর চোখ দিয়ে উওাপ বের হচ্ছে। মালা আজ খুব সুন্দর করে সেজেছে। নীল শাড়ির সাথে মিচিং ব্লাউজ সাথে নীল রঙের চুড়িতে কি অপরুপটাই লাগছে। মালার চোখে কাজল দেওয়াতে আরো মায়াবি লাগছে। মালা এসে খাটে বসতেই টান দিয়ে বুকে জড়িয়ে নিলাম। ঘটনায় আকস্মিক ব্যবহারে মালা কিছুটা বিব্রত হলো।

.

” আপনাকে একটা কথা বলবো? (মালা)

.

হুম বলো কি বলবে? ( আমি)

.

আপনার কাছে একটা জিনিস চাইবো। দিবেন তো আমাকে?

.
আচ্ছা বলো দেওয়ার মতো হলে দিব? টাকা লাগবে কি?

.
নাহ্ আমি টাকা চাইনা, আমি তো তোমাকে চাই। ( মালা)

.

কি বলবে?

.
নাহ্ কিছু না! ( আরে বলো সমস্যা নেই ) শুন তুমি কি আমাকে একটা কিউট মেয়ের মা বানাবে? যার নাম হবে ফাতেমা ।( লজ্জাভরা মুখে কথাটা বলে মাথা নিচু করে ফেলল)

.

ইশশ! বাবুর মা হবার কথা বলে কিরকম লজ্জা পেয়েছে!

.
হুম লজ্জা পাবোই তো। ( মালা)

.

আমি মালার কানের কাছে মুখটা নিয়ে বললাম” কাছে আসো তোমাকে ফাতেমার মা বানাচ্ছি, দুষ্টমির ছলে কথাটা বললাম!

.

” মালা ছোট বাচ্চার মতো আমার বুকে মুখ লুকালো। আমি মালার কপালে একটা চুমু দিয়ে, আরো শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম। পিচ্চিটা তাঁর ঠোঁট জোড়া আমার ঠোঁটের সাথে মিলিয়ে দিলো। এরপর স্বামী – স্ত্রীর সবচেয়ে ঘণিষ্ট কিছু মুর্হুর্ত পার করলাম। তারপর বুকে জড়িয়ে শুয়ে পড়লাম। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি মালার কাপড় চোপড়ের কিছু ঠিক নেই। আমার শরীলের বিভিন্ন জায়গায় লিপিস্টিকের দাগ। পিচ্চিটা এখনো শক্ত করে জড়িয়ে ধরে আছে আমায়।

.

রাতের কথা মনে হতেই লাফ দিয়ে উঠলাম। একি করলাম আমি, আমি তো মালাকে ডির্ভোস দিবো। তবে কেনইবা তাঁর সতিত্ব হরণ করলাম। মাথা কাজ করছে না! মালাকে আজ খুশি খুশি লাগছে। বিয়ের পর কখনই এতটা খুশি দেখিনি ওকে।

.

সকাল সকাল ফোন দিয়ে সাথীকে সবকিছু বললাম। সাথী আমার কথা শুনে তেলে বেগুনে ফুলে -ওঠল। সাথীকে বললাম সবকিছু তোমার জন্যই হয়েছে তুমি যদি গতরাতে সে মেডিসিন না খাওয়াতে তা হলে এমনটি হতো না!

.

আচ্ছা বাদ দাও, কোন চিন্তা করো না। কাল তোমাকে একটা পিল দিব সেটা খাইয়ে দিয়ো তাহলে আর কোন চিন্তা করতে হবে না। ( সাথী)

.

সাথীর কথা শুনে বেশ অবাক হলাম। কিন্তু সাথীকে ভালবাসি। কথাও দিয়েছি সাথীকেই বিয়ে করবো। তাই আর কোন কিছু চিন্তা না করে রাজি হয়ে গেলাম।

.
পরের দিন রাতে একটা পিল নিয়ে মালাকে বললাম। খেয়ে নাওতো পিলটা ( আমি)

.
কিসের পিল এটা? আমি তো সুস্থ আপনি কিসের পিল খেতে বলছেন আমাকে? ( মালা)

.

তোমাকে মিথ্যা বলে লাভ নেই ক্ষমা করে দিয়ো। সেদিনের রাতে তোমার সাথে যা হয়েছে তা নিছক একটি দুর্ঘটনা মাএ। আমি জানি তুমি যা হারিয়েছো তা পৃথিবীর বিনিময়ে ফিরিয়ে দিতে পারবো না। আমি ডির্ভোস পেপার রেডি করে রেখেছি, তাই আমি চাইনা আমার সন্তান তুমি গর্ভে ধারণ করো। চিন্তা করো না,ডির্ভোস এর সাথে তোমাকে বিশ লাখ টাকার একটা চেক দিয়ে দিচ্ছি সময় করে ব্যাংক থেকে তুলে নিবে। ( আমি)

.

এদিকে আমার কথাটা শুনে মালা আমার দু’পা জাপটে ধরে বলতে লাগল” প্লিজ আপনি
.
আমার গর্ভের সন্তান নষ্ট করতে বলবেন না। আপনার মন চায় আপনি আরো একটা বিয়ে করেন। আমি কখনো কোনদিন স্বামীর অধিকার চাইবো না। আপনার বাড়িতে তো দুইটা কাজের মেয়ে রাখছেন। আমাকে নিয়ে না হয় তিনটা হবে, প্লিজ আমার সন্তানকে নষ্ট করে দিতে বলবেন না প্লিজ। আমি সারাজীবন আপনাদের বাসায় কাজের মেয়ে হয়ে থাকব। কোন পারিশ্রমিক দিতে হবে না! শুধু আমাকে ডির্ভোস দিয়েন না। আমার সন্তানটা যেন বলতে পারে আপনি তাঁর বাবা। আমি চাইনা আমার মতো আমার অনাগত সন্তানটা পিতৃহীন পরিচয়ে বড় হোক। প্লিজ একটা এতিম কে এভাবে ফিরিয়ে দিবেন না, আপনার পায়ের নিচে একটু জায়গা দেন। নইতো গলাটিপে মেরে ফেলেন। ( মালা)

.

এই কি করছো, পা ছাড়ো। আমি পারবো না, আমার জীবনে সাথী ছাড়া কেউ নেই। এখন পিলটা খেয়ে নিবে। যদি না খাও মনে করবো তুমি আমার বুকে পা রেখে তুমি গর্ভধারণ করবে। এখন তোমার ইচ্ছা।( আমি)

.

প্লিজ এমন কসম দিয়ো না, আমার কাছে যে তোমার স্থান সবার উপরে। পারবো না আমি তোমার বুকে পা রেখে এ সন্তানকে নিজের মাঝে বড় করতে।
ক্ষমা করে দিয়ো (মালা)

এ ছাড়া আমার কোন উপায় ছিল না। এই নাও পিল আর এই নাও পানি খেয়ে নিয়ো।

.

আচ্ছা দাও, এই বলে জন্ম নিয়ন্ত্রণ পিলটা হাতে নিয়ে নিল। চোখ থেকে টপ-টপ করে পানি পড়তেছে। করুণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। মনে মনে ভাবছে হয়তো আমি বলব” পিল খেতে হবে না মালা “কিন্তু না আমি কোন কথা বললাম না, । মালা আমার দিকে তাকিয়ে থেকে, বিষ যেমন করে মানুষ মুখে নেয় তেমনি করে মুখে নিয়ে নিল। গ্ল্যাস থেকে একটি পানি মুখে দিল।নিজের অজান্তেই মনে হচ্ছে খুব বড় কোন পাপ করে ফেললাম।

.

এদিকে বাবা ফোন করল যে বাবা অসুস্থ। তাই বাড়ি ফিরে যেতে হবে।মনে মনে স্থির করে নিলামম বাড়িতে ফিরেই ডির্ভোস পেপারের জন্য আবেদন করবো।

.

মালাকে নিয়ে বাসায় ফিরলাম। পাচ মিনিট পর সাথী ফোন করে বলল তোমার সাথে জরুরী কথা আছে পার্কে আসো আমিও পার্কে আসলাম সাথী বলল,যে মালাকে আমাদের দুজনের মাঝ থেকে সরিয়ে ফেলবে।

.

আমি অনেক বুঝানোর পরও সাথী মানতে নারাজ বললো আর সবচেয়ে বড় কথা হলো,মেয়েটাকে তোমার বাবা অনেক স্নেহ করে। আমি তোমাদের বাড়ির দারোয়ান রহিমের কাছে খবর পেয়েছি যে তোমার বাবা নাকি তোমার সম্পত্তি মালার নামে লিখে দিবে! তাই আমাদের ভবিষতের জন্য মালাকে আমাদের পথ থেকে সরিয়ে দেব। আমি তোমাকে না বলেই প্রফেশনাল কিলার এর সাথে কন্টাক্ট করেছি।
.

নাহ্ এ হতে পারে না, আমাদের ভালোবাসার জন্য একটা নিষ্পাপ জীবনকে হত্যা করবো? নাহ্ সাথী এটা করা ঠিক হবে না। ( আমি)

.
বাবু দেখ, আমি চাইনা কিন্তু তোমার বাবা কখনো মালাকে বেঁচে থাকতে আমাকে মেনে নিবে না! আর তোমাকে না পেলে আমি বাঁচবো না। সত্যি মরে যাবো তুমি আমার নিঃশ্বাস, তুমি আমার প্রান। জানো তুমি কথাকে বিয়ে করার পর একটি রাতো শান্তিতে ঘুমাতে পারিনি। এতটা ভালবাসার পরও কেন আল্লাহ্ তোমার আর আমার মাঝে এতো বড় দেওয়াল তুলে দিল। প্লিজ তুমি আমাকে খুন করে ফেল। নয়তো, আমাকে তোমার বুকে টেনে নাও। তোমার বুকটাই যে আমার শেষ ঠিকানা। তোমার বুকেই আমি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে চাই! ( কথাগুলো কান্না করতে করতে সাথী বলল)

.

প্লিজ কান্না করো না, আমি সব সইতে পারি কিন্তু তোমার কান্না সহ করতে পারি না। তোমাকে যে বড্ড ভালবাসি। কিন্তু আমাদের ভালবাসার জন্য একটা নিঃশ্বাপ জীবনকে কেমনে সরিয়ে ফেলি? আল্লাহ্ কি ক্ষমা করবে আমাদেরকে?

.

“হুম, জানি এটা অন্যায়, কিন্তু এ ছাড়া আমাদের কোন উপায় নেই, “কথাটা বলে হাতটা নিয়ে সাথীর গলা চেপে মেরে ফেলতে বললো। plz kill me. আমাকে গলা চেপে মেরে ফেল। তোমাকে ছাড়া বাঁচতর পারবো না। জানো রাজ, মেয়েরা সব ভাগ দিতে পারে, তবে একটা ভাগ ছাড়া, তাহলো তাঁর ভালবাসার ভাগ। আমার সহ্য হয় না কথাকে, যে বুকে আমার থাকার কথা সে বুকে সে মেয়েটা থাকে, যে স্বপ্ন তোমাকে নিয়ে দেখেছি, সে স্বপ্ন পূরণ করছে, মেয়েটা। আমাকে তুমি হত্যা করতে পারবে না! পারবে না তোমার সে স্ত্রী মালাকেও হত্যা করতে। কিন্তু তোমাকে আমায় হত্যা করতে হবে না! তুমি হীনা আমি এ জীবন দিয়ে কি করবো? কথাটা বলে কাদতে কাঁদতে, ব্লেড দিয়ে হাত পোচ দিল। হাত থেকে ফেড়কি দিয়ে রক্ত বের হতে লাগল। সাথীর চোখ দিয়ে টুপ-টাপ করে পানি পড়তে লাগল। সাথীর রক্ত দেখে, নিজের কলিজাটা ফেঁটে যাচ্ছে। ঠাস করে চড় বসিয়ে দিলাম ” সাথীর গালে! আমার থাপ্পর খেয়ে ফুপিয়ে কাঁদতে লাগল। শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম সাথীকে। সাথীকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বলতে লাগলাম” কেন এভাবে পাগলামো করছো? তোমাকে ছাড়া আমি কেমনে বাঁচবো। মালাকে তাহলে খুব শীঘ্রই আমাদের মাঝ থেকে সরিয়ে আমার ময়নাপাখিটাকে আপন করে নিবো। বুকের ভেতর চাপা কান্নার আওয়াজ পেলাম।

.

সাথীকে আমাকে ছেড়ে দিয়ে আমার কপালে ভালবাসার স্পর্শ এঁকে দিলাম। সাথীকে বাসায় ডপ করে, বাসার আসতে দেখি, কথা খাবার নিয়ে বসে আছে, রাত প্রায় দশটা। আমি কিছু না বলে শুয়ে পড়লাম।

.

আপনি খাবেন না? কিছু খেয়েছেন? মন খারাপ আপনার? ( মালা)

.

হ্যাঁ বাহির থেকে খেয়ে এসেছি ! আর হ্যাঁ মনখারাপ আমার আর তাঁর কারণ তুই।

.
পিচ্চিটার দিকে তাকিয়ে দেখি, কাঁদবে কাঁদবে ভাব। কম্বলটা টান দিয়ে শুয়ে পড়লাম। মাঝরাতে ঘুম ভাঙতেই দেখি, কেউ একজন শক্ত করে জড়িয়ে রেখেছে আমায়! চোখ খুলেই, দেখি পিচ্চিটা আমার বুকে, চাঁদের আলো পিচ্চিটার মুখে এসে পড়ছে। চুলগুলো রঙ পাল্টাচ্ছে! হঠাৎ নিচের দিকে তাকাতেই চোখ কপালে উঠলো!

পিচ্চিটা শাড়ি খুলে নিচে ফেলে দিয়েছে। আমি জানি কথা শাড়ি পড়ে ঘুমাতে পারে না। কিন্তু, থ্রিপিচ তো পড়ে ঘুমায় তাহলে আজ ইচ্ছা করেই এমন করছে। আজ পিচ্চিটাকে এতো সুন্দর লাগছে, মাথার চুলগুলো কপাল পেরিয়ে মুখে এসে পড়ছে, মন চাচ্ছে ফুঁ দিয়ে চুলগুলো কপাল থেকে সড়িয়ে আলতো করে কথার কপালে ভালবাসার পরম স্পর্শ এঁকে দেয়।

একি আমার গাঁয়ে লিপিস্টিক এর দাগ, মনে মনে ভাবছি, আজ মনে হয় পুরুষ ধর্ষণ করেছে।
আমার বুকে লিপিস্টিকের দাগ দেখে বিস্মিত হলাম। মালার ঠোঁটের দিকে তাঁকিয়ে দেখি, ঠোঁটে একবিন্দু লিপিস্টিক নেই! মনে মনে ভাবছি পিচ্চিটা কি সর্বনাশ করছে। তবে আজ কেন পিচ্চিটাকে এতো সুন্দর লাগছে?
মন চাচ্ছে সারাজীবনের জন্য আপন করে নেই। হয়তো কথার সৃষ্টিই হয়েছে আমার জন্য।
কিন্তু না আমার বুকে সাথী ছাড়া কারো জায়গা নেই। আমার মন প্রাণ জুড়ে শুধু সাথী! তাই কথাকে কয়েকবার ডাক দিলাম উঠলো না। তাই জোরে ধাক্কা দিতেই চোখ কচলিয়ে কচলিয়ে উঠলো। আমি বললাম কি ব্যাপার আমার গাঁয়ে লিপিস্টেকের দাগ কেন? আর তুমি কেন আমার বিছানায় শুয়েছো? ( আমি)

.

আমার না খুব ভয় করছিল! আর রাতে অামি কিছুই করিনি সব আপনি করছেন। অামি তো আপনার সাইটে ঘুমিয়ে ছিলাম, আপনি জোর করে বুকে টেনে নিয়েছেন। আপনাকে মনে করেছিলাম এমনে অনেক ভালো, কিন্তু ঘুমের ঘরে আপনি যে এতো ডেবিল,। না ডেবিল না শুধু ডেবিলের বস, আমার লিপ কিস করেছেন, ঘাড়ে কিস করেছেন, বুকে কিস “”

.
এই চুপ অসভ্য মেয়ে, আর কিছুক্ষণ
পর বলবে আমার নাভিতে,আরো কত জায়গায় করেছি! বলতে হবে না! ( আমি)

.

আপনি ঘুমাননি তাহলে? সব জেগে থেকে ইচ্ছা করেই করেছেন? ( মালা)

.

এই পিচ্চি চুপ করবে, মিথ্যা বলতে লজ্জা করে না। তোমার শাড়ি কে খুলেছে? শাড়ি কেন খাটের নিচে ফেলে রেখেছ। শাড়ি পড়তে পারো না বিয়ে বসেছো কেন? ( আমি)

.

হুম, আমি না হয় শাড়ি পড়তে পারি না, নিজে তো লুঙিটাও পড়তে পারো না। আবার অন্যকে শাড়ি পড়ার কথা বলে। পিচ্চিটার কথা শুনে নিজের দিকে তাকাতেই চোখ বন্ধ করে ফেললাম। চাদরটা গাঁয়ে জড়িয়ে কষে একটা থাপ্পর দিলাম মালাকে। থাপ্পরটা খেয়ে, মাটিতে পড়ে গেল। আমার রাগ চরমে উঠে গেছে। রাগের মাথায় বলতে লাগলাম ” তুই মরতে পারিন না, আমার জীবনটাকে নষ্ট করে দিয়েছিস।জন্ম নিয়েই তো মা- বাবাকে খেয়েছিস এখন আমাকেও নাকি খাবি? আর তোকে না বলছি, ডির্ভোস দিবো তাঁরপর কেন আমার বিছানায় আসিস! ” আরেকদিন যদি আমার বিছানায় আসিস তাহলে প্রযোজনে তোকে খুন করে জেলে যাব। ”

.

আপনাকে খুব কষ্ট দিয়েছি তাই না? আপনার কোথাও লাগেনিতো? আপনার হাতে কি ব্যাথা পেয়েছেন? জানেন আল্লাহ কেন যে আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে। ছোট বেলার অনাত আশ্রমে বড় হয়েছি, দেখিনি মায়ের মুখ, মা ডাকটাও কখনো ডাকতে পারিনি। পারেনি বাবার কাছে আবদারের সুরে কিছু চাইতে। কখনো বাবার কাঁধে চড়ে, ঘুরতে পারিনি। পারবোই বা কীভাবে? বাবাকে তো কখনো দেখিইনি। আর এখন আসছি আপনাকে জ্বালাতে। জানেন আত্মহত্যা মহাপাপ সে জন্যই হয়তো বেঁচে আছি। তা না হলে কখনোই আপনার পথের কাঁটা হতাম না। আপনার বাড়ির দাসী করে রেখে দিয়েন, পারিশ্রমিক হিসাবে, সকাল বিকাল রাতে এভাবে থাপ্পর দিয়েন। তবুও তো দাসী হয়ে আপনার হাতের স্পর্শটা পাবো। আসি, কি করবো ভয় পায় তো, তাই আপনার বুকটাকে নিরাপদ মনে করে শুয়েছিলাম। ক্ষমা করে দিবেন এই এতিমটাকে। ( নিচের দিকে তাকিয়ে কথাগুলো বলতেছিল, আর চোখ থেকে আষারো শ্রাবণ ঝরণা ধারায় মতো জল গড়িয়ে পড়ছে চোখ থেকে)

.

পিচ্চিটার কথা শুনে নিজের কাছেই খুব খারাপ লাগছে, এভাবে মারাটা ঠিক হয়নি। সব চেয়ে খারাপ লাগছে, যখন দেখলাম পিচ্চিটার ঠোঁট কেঁটে রক্ত পড়ছে।

.

পরের দিন মা- বাবা জান্নাত কে নিয়ে নানী বাড়ি চলে গেলে, সাথীকে ফোন দিলে সাথী বাড়িতে আসে।

.

এদিকে সাথী আজ পিংক কালারের একটা শাড়ি পড়েছে। হালকা লিপিস্টিকের সাথে চুলগুলো ছেড়ে দিয়েছে। সাথী আসলেই সাথীকে নিয়ে বেডরুমে ঢুকে পড়ি। মালা অবাক নয়নো তাকিয়ে আছে চোখটা ছলছল করছে। মনে হচ্ছে কখন জানি বৃষ্টি নামবে।

.

কি হলো দরজার দাঁড়িয়ে আছো কেন? আজ তুমি জান্নাতের রুমে থাকবে। আর আমাদের এই রুমে আজ রাতে আমাদের এই রুমে আসবে না বিরক্তি করতে। আর হ্যাঁ আমাদের দুজনের জন্য খাবার দিয়ে যেয়ো।

.

এদিকে মালা আমার মুখের দিকে তাকিয়ে মাথা নাড়িয়ে হ্যা সূচক জবাব দিল।

.

কথা চলে গেল, সাথী এসে জড়িয়ে ধরে বলতে থাকে, কবে যে পাবো তোমায় সারাজীবনের জন্য। কবে তোমার বুকে মাথা রেখে ঘুমাবো। এদিকে আমার হাতটা সাথীর স্পর্শকাতর জায়গায় সাথীর নিঃশ্বাস ভারী হয়ে আসছে। ঠোট জোড়া সাথীর ঠোঁট জোড়াকে আবদ্ধ করে ফেলবে ঠিক তখনি, মালা খাবার নিয়ে রুমে ঢুকে পড়ে,কোন প্রকার নর্ক না করে। আমি সাথীকে ছেড়ে দেয়। মালার দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারলাম কাঁদছে। মালা ভাবেনি আমি এতটা নিচে নেমে যাবো কিন্তু মালা জানতো না, আমার কলিজার টুকরা হচ্ছে সাথী! সাথীই আমার জীবন মরন। আমার ভালবাসা। আমার ভালবাসা সব সাথীর জন্য। মালা খাবার রেখে চলে গেল। চোখ দিয়ে পানি পড়ছে দেখা গেল মালার।

.

এদিকে সাথীর সাথে গল্প করতে করতে কখন যে আমি আর সাথী ঘুমিয়ে যায় খেয়াল নেই। সাথীর সাথে ফিজিক্যালি রিলেশন করতে চাইলেও সাথী বিয়ের পরের কথা বলে, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি এক সপ্তাহ পর বিয়ে করবো। তাই আর জোর করিনি। এদিকে মাঝরাতে কারো চাঁপা কান্নার আওয়াজে ঘুম ভেঙে যায়। চোখ খুলতেই দেখি, সাথী আমার বুকে, সাথীকে বুক থেকে সরিয়ে, কান্নার আওয়াজ কোথায় থেকে আসছে তা দেখার জন্য রুমের বাহিরে বের হতেই যা দেখলাম তা দেখার একেবারেই প্রস্তুুত ছিলাম না “”””

চলবে “”””””””””

Breakup Status for Whatsapp in English

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *