প্রিন্সিপালের গুন্ডি মেয়ে _পার্ট-১

প্রিন্সিপালের গুন্ডি মেয়ে

পর্বঃ ০১

এস এস সি পাশ করে আজ নতুন একটা কলেজে ভর্তি হলাম অবশ্য আগে বাবা মার সাথে থাকতাম এখন ভাইয়ার কাছে আসলাম কারন কলেজ টা কাছে তাই |

তো আজ প্রথম কলেজে গেলাম ক্লাসে ডুকবো তখনি দেখি কে যানো আমাকে লেং মেরে ফালিয়ে দিছে তখন থাপ্পর দিতে যাবো তখনি দিখি এটা আর কেও না একটা মেয়ে দেখছি হাসছে আর মেয়ে টাও অপূরুপ সুন্দর মনে হলে এক পরি দূর এই সব চিন্তা করে লাব নাই তো দেখি মেয়েটা বলতেছে—–>

মেয়ে: এই বেটা চোখে দেখিস না ?

আমি অবাক হয়ে গেলাম কার প্রশ্ন কাকে বলার কথা সে আমাকে বলতেছে তখন আমি বল্লাম—->

আমি: আজব তো আপনি তো আমাকে লেং মেরে ফালিয়ে দিছেন ?

মেয়ে: এই তুই দেখছিস আমি তোকে ফালিয়ে দিছি ?

আমি: না আল্লাহ তো আমাকে কানা বানিয়ে দুনিয়া পাঠাইছে কিছু তো দেখি না |

দেখি আমার কথা শুন হাসতেছে পরে বল্লো—->

মেয়ে: এই তোর সাহস তো কম না বড়দের সাথে এইভাবে কথা বলস ?

আমি: বড় মানে আর আপনি এইভাবে তুই তোকারি ভাবে কথা বলতেছেন কেনো?

মেয়ে: কি তোর কত্ত বড় সাহস আমার সাথে এরকম ভাবে কথা বলিস তুই আমাকে চিনিস আমি কে ?

আমি: কেনো আপনি কি প্রধানমন্তির মেয়ে নাকি যে ভালোভাবে কথা বলতে হবে আর হলেই বা কি আমার তাতে যায় আসে না |

তো এরকম ঝগরা করতে করতে দেখি স্যার এসে পরলো আর বল্লো—->

স্যার: এই ছেলে তুমি ওকে চিনো ?

আমি: দেখুন না স্যার আজ আমি নতুন ক্লাসে আসলাম আর তখন এই মেয়েটা লেং মেরে ফেলে দিছে |

স্যার: চুপ বেয়াদব মেয়েদের সাথে ঝগরা করো যাও ক্লাসে |

এটা কি হলো দোষ করলো মেয়েটা আর দোষ হলো আমার দূর তখন দেখি স্যার মেয়েটাকে বলতেছে—–>

স্যার: যাও মা ক্লাসে যাও |

মেয়ে: ধন্যবাদ স্যার |

দেখি মেয়েটা আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে দূর আজ প্রথম দিন এসেই এই অবস্থা কি যানি বাকি দিন কি হয় |

তো আজ প্রথম দিন ক্লাস করলাম কিছু নতুন নতুন ফ্রেন্ড ও হলো তো নতুন এক বন্ধু বল্লো—->

বন্ধু: কিরে তুই কি ঐ মেয়ে টাকে চিনিস?

আমি: কেনো মেয়েটা কি কোনো রাজার মেয়ে নাকি যে চিনবো ?

বন্ধু: আরে শালা জানিস ঐটা কার মেয়ে ?

আমি: কার মেয়ে ?

বন্ধু: ঐটা প্রিন্সিপাল স্যারের মেয়ে এর আগে ঐ মেয়ের জন্য অনেক ছেলে কলেজ থেকে পালাইছে আর অনেক ছেলেকে টিসি ও দিছে|

আমি: দোষ্ট তুই এই কথা আগে বলিস নি কেনো এখন আমার কি হবে তখন তো মেয়েটাকে অনেক কিছু বলে ফেলছি |

বন্ধু: জানি না দোষ্ট যা হবার উপর আল্লাহ জানে |

অতঃপর খুব চিন্তায় পরলাম নতুন কলেজে ভর্তি হলাম এখন যদি বের হয়ে যেতে হয় তাহলে তো ভাইয়ার হাতে মার খেতে হবে তার উপর মেয়েটা নাকি আমার এক ইয়ারের বড় দূর এই চিন্তা করতে করতে কখন যে ছুটি হলো |

তো বাসায় যাচ্ছি দেখি কে যানো ডাকছে—->

মেয়ে: এই হারামজাদা এদিকে আয় |

তখন পিছনে ঘুরতেই দেখি সেই প্রিন্সিপাল এর গুন্ডি মেয়ে, তাও একটা সাথে লেডি গেং তো আমি ভয়ে বল্লাম—->

আমি: জী আমাকে ডাকছেন ?

মেয়ে: ঐ দোষ্ট মালটা নতুন কি করা যায় ?

আমি শুনে হাত পা কাপা শুরু করতেছে তার উপর লেডি গেং তখন আমি ভয়ে বল্লাম—->

আমি: প্লিজ আমাকে ছেরে দিন আমি তখন যা করেছি তার জন্য সরি |

মেয়ে: না না তোকে তো ছারা যাবে না আজ পর্যন্ত কেও ঐরকম ভাবে কথা বলার সাহস হয়নি আর তুই খারা আজ তোকে খেলা দেখাবো |

আমি: ছি ছি কি বলছেন আমি মেয়েদের খেলা দেখতে লজ্জা পাই|

মেয়ে: ওরে হারামি কি বল্লি

আমি: ইয়ে মানে আপনি তো বল্লেন যে আপনি নাকি আমাকে খেলা দেখাবেন তাই লজ্জা করছে আসলে এই প্রথম মেয়ে সামনে খেলা দেখাবে |

মেয়ে: ওরে কচি খোকা আসো তোমাকে খেলা দেখাচ্ছি |

আমি: সত্যি আগে কথা থেকে শুরু করবেন ?

মেয়ে: আচ্ছা বাবু মাথাটা নিচু করো |

অতঃপর তাদের কথা মতো মাথা নিচু করলাম ভাবলাম এটা নতুন রুল যে মাথা নিচু করলাম সেই দুম দাম পিঠের উপর ঘুশি আর থাপ্পর শুরু তখন সে বল্লো—–>

মেয়ে: কেমন খেলা দেখলা ?

আমি: এই প্রথম মেয়েরা মাইর দিলো আহারে কত যে মজা |

মেয়ে: কি বল্লি ?এই দোষ্ট চল আবার দেই ওরে দলাই |

আমি: এই না না প্লিজ আমাকে ছেরে দিন আমি এখানে নতুন তার উপর আমি নিষ্পাপ একটা শিশু প্লিজ ছেরে দিন |

মেয়ে: ওরে আমার শিশু তখন মনে ছিলো না এটা ?

আমি: আসলে তখন বুঝতে পারি নি যে আপনারা গুন্ডা থুক্কু গুন্ডি|

মেয়ে: হ্যা আমরা গুন্ডির দল কিন্তু তোকে তো ছারবো না তুই কার সাথে বেয়াদবি করছিস |

আমি: আচ্ছা এখন কি আপনার পা ধরতে হবে আচ্ছা ধরছি ?

মেয়ে: এই কি করছিস ছার বলছি ?

আমি: কেনো আমি তো অপরাধ করেছি তার জন্য ক্ষমা চাচ্ছি |

মেয়ে: হইছে থাক আর অপরাধী সাজতে হবে না কখন না আবার অপরাধী গান শুরু করে দিবি |

আমি: ওহ ঠিক বলছেন খারান বলতেছি——> ও গুন্ডি ও গুন্ডি রে তুই অপরাধীরে আমার মতো নিষ্পাপ শিশুকে দে ছাইরা দে|

অতঃপর গান তারা শুনার পর সবাই হাসছে আর সে দেখি রাগে ফুলতেছি তখন আমি বল্লাম—->

আমি: আচ্ছা গানটা কি খারাপ হয়েছে আচ্ছা নতুন একটা বলবো?

মেয়ে: হারামজাদা তোর গানের গুষ্টি কিলাই তোকে আজকেই মেরেই ফেলবো তুই আমাকে চিনিস না |

আমি: এই প্লিজ এভাবে থ্রেড দিবেন না আর না হলে আমি আবার হিশু মানে প্যান্টে মুতে দেই |

কথাটা শুনার পর সে ও তার ফ্রেন্ডরা সবাই হাসতেছে অতঃপর সে বল্লো—–>

মেয়ে: হাহাহা তোর কথা শুনে আমার এখনো পেটে ব্যাথা করছে তুই দেখি অনেক ভিতু |

আমি: হ্যা আমি অনেক ভিতু আবার মাজে মাজে অনেক রাগি তাই তখন রাগে কথাগুলো বলছি |

মেয়ে: আর এখন সেই রাগ কথায় ?

আমি: ঐযে বল্লাম খুব ভিতু |

মেয়ে: শালার আগে জানতাম পরুষ রা নাকি বীর পরুষ হয় আর তুই দেখি ভিতুর ডিম |

আমি: কি করবো বলেন আপনাদের মতো ইয়া বড় হাতি যদি আক্রমন চালান তাহলে আমি শেষ |

মেয়ে: কি আমরা হাতি দোষ্ট আমাদের হাতি বলছে এই মালটাকে আবার দলাই দিতে হবে |

তার এক বান্ধুবি বল্লো——>

বান্ধুবি: হ রে দোষ্ট মালটা সেই চালাক এইটাকে ছেড়ে দেওয়া যাবে না |

আমি: এই আপনারা এত মাল মাল করছেন কেনো আমি একজন সাধারন নিষ্পাপ মানুষ প্লিজ আমাকে যেতে দিন দেরি হলে আবার আমার ভাইয়া আক্রমন চালাবে |

মেয়ে: হাহাহা এত বড় দামরা ছেলে এখনো মাইর খায় |

আমি: আচ্ছা বায় কাল দেখা হবে টাটা |

যেই যেতে লাগলাম সেই আমার কলারটা টান দিলো আর বল্লো—->

মেয়ে: এই হারামজাদা কথায় যাস তোর তো এখনো সাস্তিই হয়নি|

আমি: হায়রে আমার কপাল এ আমি কার কপালে পরলাম |

মেয়ে: এখনো তো কিছুই করি নি যখন কলেজ থেকে বের করে দিবো তখন বুজবি যানিস আমার আব্বু পুরা স্কুল আর কলেজ দেখা শুনা করে |

আমি: ওহ তার মানে আপনার আব্বু আমাদের নাইট র্গাড না দারোয়ান আচ্ছা রাতে দেখাশুনা করে নাকি দিনে ?

মেয়ে: হারামজাদা তুই কি বল্লি আমার আব্বু নাইট র্গাড আর কি দারোয়ান তোকে তো মেরেই ফলবো ঐ দোষ্ট তোরা রট টা নিয়ে আয় |

আমি: এই না না প্লিজ ছেরে দিন আমি মরে যাবো আর আপনারা কি মানুষ একটা নিষ্পাপ শিশুকে রট দিয়ে পিটাবেন |

মেয়ে: রাখ তোর শিশু এর আগে কত পিটাইছি কিন্তু আজকে তোকে সত্যি সত্যি মেরে ফেলবো লাগলে জেলে যাবো তুই আমার আব্বুকে কি বল্লি ?

আমি: এই না আমাকে মারবেন না আর আমি চাই না আপনার মতো সুন্দর একটা মেয়ে জেলে যাক |

মেয়ে: পাম মারিস আমাকে কিছু বুজি না ?

আমি: আচ্ছা আপনি বলুন আপনি বল্লেন যে আপনার আব্বু স্কুল ও কলেজ দেখা শুনা করে তাই আমি ভাবলাম যে নাইট র্গাড বা দারোয়ান ও হতে পারে তাই না বলুন ?

মেয়ে: দেখ তোর কথা শুনে কিন্তু আমার শরিরে রাগের আগুন জলতেছি |

আমি: আচ্ছা তাহলে ঠান্ডা পানি নিয়ে আসি |

মেয়ে: উফফ তোকে কালকেই কলেজ থেকে বের করে দিবো |

আমি: কেনো আপনি কি আমাদের কলেজের প্রিন্সিপাল ?

মেয়ে: হায়রে হারামজাদা আমি না আমার আব্বু আর আব্বু শুনতে পারলে যে কি করবে ?

আমি: ও আচ্ছা তাহলে আপনি কি হেড মাষ্টারের মেয়ে ?

মেয়ে: এই আমি হেড মাষ্টারের মেয়ে হতে যাবো কেনো ?

আপনারা বুঝলেন নাতো আসলে তার আব্বু স্কুলের হেড স্যার আর কলেজের প্রিন্সিপাল পরুটা তার দায়িত্বে তাই তাকে রাগানোর জন্য বল্লাম তাই এটা হেড মাষ্টারের শয়তান মেয়ে এখন গল্পে আসি——>

আমি: আপনি তো বল্লেন যে আপনার আব্বু স্কুল আর কলেজ দেখা শুনা করে তাই তো বল্লাম হেড মাষ্টার |

মেয়ে: আরে হারামজাদা আমার আব্বু প্রিন্সিপাল |

আমি: ঐ একি হলো |

মেয়ে: অনেক বক বক করছিস এখন তোর মাইরের পালা আর কাল কলেজ থেকে বিদায় দিবো |

একটু আবেগ দেখিয়ে বল্লাম—–>

আমি: আজ আমি গরিব বলে কোনো রকম কলেজে র্ভতি হইছি অনেক কষ্ট পরাশুনা করি কি আর করার অন্য কলেজে দেখি আবার র্ভতি হতে পারি কিনা[ চাপা ]

মেয়ে: আহারে আমি বুজতে পারি নি আচ্ছা সরি |

যাক চাপাটা কাজে লাগলো পরে আমি বল্লাম——>

চলবে—–

👉NEXT  part hear

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *