বাড়িওয়ালার মেয়ে | অভিমানী ভালোবাসার গল্প

বাড়িওয়ালার মেয়ে 😄😄

Part-1
….
আমি : হ্যালো….. সামিয়ুল😄
সামিয়ুল : দোস্ত তোর জন্য একটা বাসা পাইছি…।😆
আমি : কথা বলেছিস ওনাদের সাথে….।
সামিয়ুল : না রে
আমি : তাহলে
সামিয়ুল : টু লেট দেখছি তুই গিয়ে কথা বলে নে…..। ওমুক জাগায় এত নং বাড়ি….
আমি : আচ্ছা দোস্ত ধন্যবাদ
সামিয়ুল : ধন্যবাদ দিস কেন..। আমি কি তোর পর নাকি…..।
আমি : জা আর দিব না
সামিয়ুল : হুম
আমি : আলাভু দোস্ত
সামিয়ুল : সরি দোস্ত বলতে পারব না তোকে আলাভু টু কারণ আদিবার সাথে প্রমিস করছি ওকে ছাড়া কাউকে আলাভু বলব না …।
আমি : হায়রে পিরিত…… .।
সামিয়ুল : বায় দোস্ত রাখি……।
আমি : বায়…….
……………………………
আপনাদের কে তো পরিচয় ই দিলিম না……….।
.
আমি রাফসান…..কলেজ এ পড়ি ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে রেজাল্ট ভালো হওয়ায় শহরে আসছি কলেজ ভর্তি হতে এখন এক ভাইয়ের মেসে উঠেছি…………। বাবা মা গ্রামেই থাকেন…..।
………………………………….
সামিয়ুল এর দেয়া ঠিকানা অনুযায়ী গেলাম ওখানে…….
……
বিল্ডিং টার ভিতরে যাই……..
………..
দারোয়ান কে বলে বাড়িয়ালার বাসা টা কত তলায় তা জেনে নিলাম…….।
……
৩ তলায় গিয়ে কলিং বেল দিলাম…….।
একজন চশমা পড়া ভদ্রলোক দরজা টা খুললেন……..।
……..
আমি : জ্বি আসসালামু আলাইকুম
আংকেল : ওয়ালাইকুম আসসালাম……..।
আমি : আংকেল প্লিজ বাসা টা আমাকে দিয়েন…। আমার বাসাটার খুব দরকার…….।
আংকেল : আগে ভিতরে তো আসো……………..।
আমি : জ্বি……
ভিতরে গিয়ে বসলাম…..
আংকেল : কি কর তুমি….।
আমি : একে একে সব বললাম…..।
………………………
আংকেল : দেখ বাবা ব্যাচেলার তো ভাড়া দেই না…….।
আমি : আংকেল প্লিজ এমন করেন না….
অনেক আশা নিয়া আসছি…….।
আংকেল : আচ্ছা
আমি : ধন্যবাদ আংকেল…..।
আংকেল : ছাদে একটা দু রুমের চিলেকোঠা আছে ওটাই ভাড়া দিচ্ছি……
আমি : জ্বি আংকেল
আংকেল কবে উঠছো তাহলে
আমি : জ্বি আগামীকাল….
আংকেল : আচ্ছা…..।
বাসা ভাড়া আর এডবান্স দিয়ে বের হলাম বাসা থেকে ওনার……………
……….
সিড়ি দিয়ে নামছিলাম এমন সময় কার সাথে জেন ধাক্কা খেলাম……. ধাক্কা খেয়ে পরে গেলাম সিড়ির উপর……
উঠে সামনে থাকিয়ে দেখি একটা মেয়ে………… অসম্ভব সুন্দরি …..
………….
মেয়ে : কি মেয়ে দেখলেই ধাক্কা খেতে মন চায়….।
আমি : নিজেই তো ধাক্কা টা দিলেন….।
মেয়ে : চোরের মার বড় গলা….। আপনি কোন জাগার শাহরুখ খান যে আপনার সাথে ধাক্কা খেতে যাবো…… ।
আমি : আপনি কোন জাগার কাজল যে আপনার সাথে ধাক্কা খেতে যাবো…..।
মেয়ে : জাস্ট সেট আপ লুচু কোথাকার…….।
আমি : লুচ্চা মেয়ে…..
মেয়ে : আবে ঐ পাইছিস টা কি হ্যা……
আমি : কি পাইলাম আবার……..
মেয়ে : ধাক্কা দিয়ে আবার গলা বাজি করিস কেন…..?.
আমি : ধাক্কা টা আপনি দিসেন……?
মেয়ে : চুপ কর ছোটলোকের বাচ্চা…..।
……মেজাজ টা দিলো গরম কইরা বাপ মারে তুইলা দিলো গালি……….।
..
আমি : চুপ কর বেয়াদব
মেয়ে : আমার মতন মেয়ে কে বেয়াদব বলিস তোর সাহস তো কম না
আমি জোড়ে জোড়ে হাসতে লাগলাম……..
তারপর বললাম….. ।
আমি : তুই নিজেকে মেয়ে মনে করিস… কি পরে আছিস দেখতো শর্ট জিন্স হাতা কাটা টি শার্ট………….এটা কোন নারীর পোশাক না নারী মায়ের জাতি….. নিজেকে মেয়ে বলে পুরো নারী জাতিকে কলংকিত করিস না…….. । … ( বলতে চাইনি এগুলো মেয়ে টা মেজাজ টা গরম করে দিলো……)
………………..
ঠাসসসস্
মেয়ে টা আমাকে চর দিল….। দিয়ে বললো…..
মেয়ে : ছোট লোকের বাচ্চা যতবড় মুখ নয় ততবড় কথা………।
…….বলে চলে যাচ্ছিলো
আমি ডাকদিলাম….. দারালো
দুই সিড়ি এগিয়ে গিয়ে কসায়া এক থাপ্পড় মারলাম আর বললাম……..।
……
আমি : প্রথম বার যখন ছোট লোকের বাচ্চা বলে মা বাপ তুলে গালি দিলি তখন তোকে বেয়াদব না বলে কসে একটা দিলে এখন এই ছোট লোকের বাচ্চা টাকে যতবড় মুখ নয় ততবড় কথা গুলো বলা লাগতো না……………….।
…..বলেই বিল্ডিং থেকে বের হয়ে আসলাম……..।

 

বিল্ডিং থেকে বের হয়ে গেলাম মেসে…….।
…………
পরের দিন জিনিস পত্র আর আসবাবপত্র নিয়ে গেলাম নতুন বাসায়…..।
…………..
সামিয়ুল কে ও সাথে নিয়ে গেলাম বাসা টা গুছানোর জন্য…….।
……বাড়িওয়ালার বাসায় গিয়ে কলিংবেল দিলাম………..। চাবি নেয়ার জন্য…..
…….
দরজা টা খোলা হলো
ভিতর এ যা দেখলাম আমার চোখ কপালে উঠে গেল…………….।
………
জে মেয়েকে থাপ্পড় দিসিলাম সে গেট খুললো ফ্ল্যাট এর……।
……আমি তো পুরাই তবদা…..
দু জন ই দুজনের দিকে তাকিয়ে আছি………..।
এমন সময় বাড়িওয়ালা আংকেল আসলো……..।
……
আংকেল : ও বাবা রাফসান আসছো …।
আমি : জ্বি আংকেল..। চাবি টা
আংকেল : এই নাও আর রাতে আমাদের বাসায় ডিনার করো কেমন……।
আমি : জ্বি আচ্ছা…..।
……..
চাবি নিয়ে ছাদে আসলাম চিলেকোঠা তে……….।
…….
রুম টা ঠিক করছি এমন সময় সামিয়ুল জিজ্ঞেস করলো……।
…..
সামিয়ুল : ঐ তুই ঐ সময় মেয়েটাকে দেখে ঘাবড়ায়া গেলি কেন……।
আমি : আছে ঘটনা……।
সামিয়ুল : আসলিই তো আজকে ঘটনা আবার কখন ঘটাইলি……।
….
আমি গত কালের সব ঘটনা সামিয়ুল কে খুলে বললাম…….।
বলার বলার সাথে সাথে সামিয়ুল আমাকে একটা গাট্টা মেরে বললো
….
সামিয়ুল : বাছাধন দেখ বাসা টাতে আর থাকতে পার কি না……।

আমি : এই ভয় টাই তো আমি এখন পাচ্ছি……..।
……..
সামিয়ুল বাসা টা গুছিয়ে দিয়ে চলে গেল………..
….
রাতে গেলাম ওনাদের বাসায় মাথায় অনেক দুশ্চিন্তা কাজ করছে……….।
………
খেতে বসলাম……।
সবাই
মাঝে দিয়ে আংকেল পরিচয় দেয়া শুরু করলেন……।
আংকেল : রাফসান এ হলো আমার বড় মেয়ে জারা আর এ হলো ছোট মেয়ে জুনাইনা………..।
আমি তো ভয়ে শেষ মাইয়া নি আবার সব বলে দেয়……।
……….
কিন্তু মেয়ে এমন ভাব করলো মনে হয় যে কিছু ই হয় নি আমাদের মধ্যে…..
….
জারা: কিসে পড়েন আপনি……।
আমি : জ্বি এই তো কলেজে ভর্তি হলাম গত পরশু দিন…..। ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে
জারা : আমি ও তো ভর্তি হলাম এবার কলেজে…।
আমি : ও আচ্ছা ..। ( মাথা কাজ করতেছে না আমার এই মেয়ে এত ভালো ব্যবহার করছে কেন আমার সাথে…)
জারা : কোন ডিপার্টমেন্ট আপনার
আমি : জ্বি সায়েন্স আপনার
জারা : আমার ও সেম……..।
………..জুনাইনা বললো
জুনাইনা : আমাকে কিছু জিজ্ঞেস করনা কেন….।
আমরা সবায় হেসে উঠলাম…..।
আমি : তুমি কিসে পড় বুড়ি….।
জুনাইনা : ক্লাস ৬ এ
আমি : গুড বুড়ি…….
……..
কথা বার্তা বলতে বলতেই খাওয়া শেষ হলো……।
……………….
খাবার শেষ হওয়ার পর ডেজার্ট হিসেবে রসমালাই আনলো……।
জারা সবাই কে সার্ভ করছে……।
আমাকে যখন বাটি টা হাতে দিলো তারপর একটা মুচকি হাসি দিলো…..
………
হাসির আগা গোড়া কিছুই বুঝলাম না……………।
……..
খাওয়া দাওয়া শেষ করে আমার চিলেকোঠা তে চলে আসলাম…….।
……………
বিছানাতে শুয়ে শুয়ে ভাবছি কারণ টা কি মেয়েটা ওর বাবার কাছে কিছুই বললো না……..।এসব ভাবছিলাম তখন খুব ওয়াসরুম চাপলো….।
ওয়াসরুমে গিয়ে হালকা হয়ে আসলাম…………। একটু পড় বুঝতে পারলাম মুচকি হাসির কারণ এর মাঝে আমি অলরেডি ৭ বার ওয়াসরুম থেকে আসছি………।
………….
বুঝলাম বজ্জাত মেয়ে টা রসমালাই তে কিছু মিশাইছে……….।
……….
সারারাত ওয়াসরুম টু বেডরুমে
টেনিস বলের মতো এই কোর্ট থেকে ঐ কোর্ট এ আসা যাওয়া করলাম……..।
………………….
সকালে পেট ঠিক হলো…………।
…..
কলেজে যাওয়ার জন্য রেডি হয়ে সিড়ি দিয়ে নামছিলাম এমন সময় পিছন থেকে কারো ডাক আসলো……
তাকিয়ে দেখি জারা…..
……….
জারা : রাতে ঘুম কেমন হলো…
আমি : ভালো….।
জারা: কি ভালো হইছে আমি জানি বে
আমি: আমার লেট হয়ে যাচ্ছে .
………..
বলেই চলে আসলাম বাসা টা হারানোর ভয়ে আর ঝগড়া করলাম না… ।
…………..
সামিয়ুলের বাসায় গিয়ে
সামিয়ুল কে সাথে নিয়ে কলেজে গেলাম……….. ।
……..
কলেজের ভিতরে ডুখে যা দেখলাম…..
তাতেই অনেক টা কাবু হয়ে গেলাম………
……….
.
………..
কলেজে ডুকে দেখলাম জারা……..।
এর উপর ওকে আর ওর ফ্রেন্ডের কে রেগ দিচ্ছে কিছু সিনিয়ার ভাইয়েরা……….।
….
আমি সামিয়ুল কে দেখালাম
তারপর দু জন ওদের সামনে দিয়ে হাসতে হাসতে চলে আসলাম…………।
কপাল হাসি টা বেশিদূর ঠিকলো না …..।
একটা মেয়েদের গ্যাং ডাক দিল…..। আমাকে আর সামিয়ুল কে……..
……..
রেগ দিলো আমাদের কে ও…….।
…..
কি রেগ দিল বলে মান-সম্মান এর ১২ টা বাজালাম না……….।
………..
ক্লাস এ গেলাম প্রথম ক্লাস সবার পরিচয় নিলেন স্যার মহাশয়…….।
…….
ক্লাস এর মধ্যে ৩/৪ বার চোখে চোখ পড়লো জারার আর আমার……..।
……
ক্লাস শেষে কলেজের গেট থেকে বের হলাম আর বৃষ্টি শুরু হলো……..।
…..ছাতা ও আনি নাই……..।
সামিয়ুল : দোস্ত আমি ভিজে ভিজে ই চলে যাই…। আমার ভিজতে ভালো লাগে……।
আমি : জ্বা ভাগ…….।
সামিয়ুল : তুই ও চলে যাস……।
আমি : হ যামু তুই ভাগ……।
…….
সামিয়ুল চলে গেল………….।
……
রিকশা খুঁজতেছি………।
………
একটা রিকশা কলেজের গেটের সামনে ডাক দিয়ে দার করালাম……..।
……..রিকশা টা দারানোর সাথে সাথে ই জারা দৌড়ে গিয়ে রিকশা টায় উঠে বসে গেল………….।
……..
মেজাজ টা কেমন লাগে বলেন তো……।
………
উঠে আবার আমাকে ডাক দিলো…….।
….
জারা : ঐ আবাল বলদ……।
…..
বলেন তো কেমন টা লাগে এখন কলেজের সবায় হো হো হো হাসা শুরু করছে…..।
আমি শুইনা ও না শুনার ভাব ধরে দারায়া আছি…..।
….
জারা: ঐ রাফসান ছাগল তরে ডাকি তরে……….।
…….
এবার তো নাম ধরে সবার সামনে ডাকলো……… আগেই সারা দিতাম এটাই ভালো ছিলো………।😰😰😰😰😰
……….
আমি : কি……..?
জারা : আয় রিকশায় উঠ….।
আমি : না
জারা : রিকশা তো তুই ঠিক করলি………।
আমি : তাহলে তুই বসলি কেন…..??
জারা : আসলে আয় বৃষ্টি বারতেছে…….?
……
উপায় না দেখে উঠে গেলাম……………..রিকশায়…।
….
মনে মনে একটাই প্রশ্ন এটা আবার ওর কোন চাল না তো…….।
আরে না রিকশার মধ্যে আবার কি করবে……।
………..
রাস্তায় সামনে অনেক ভাঙ্গা চুরা……।
রিকশা থেমে থেমে যাচ্ছে………. রাস্তার মাঝে মাঝে গর্ত আর বৃষ্টি তো হচ্ছেই বৃষ্টির পানিতে রাস্তারগর্ত গুলো ভরে যাচ্ছে …….।
…..
পাশে আবার জারা ওর গায়ের সাথে গা লাগছে কেমন জানি আজিব আজিব লাগতেছে ………।
………
ধপাসসসসসস্…………….😲😲😲😲😲😲
রিকশা থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিল কাদা পানিতে………..।
কাদা পানির উপর বসে বসে ভাবছি কোন কপাল গুনে যে ঐ দিন সিড়িতে ধাক্কা খাইলাম….।
….
হারামজাদী টা রিকশা পিছনের পর্দা টা তুলে আমার দিকে তাকিয়ে রাজ্য বিজয়ের হাসা হাসছে……।
ও রিকশা টা নিয়ে চলে গেল…….।
বৃষ্টি তে ভিজতে ভিজতে হেটে বাসায় গেলাম……।
………..
বাসার মেইন গেট দিয়ে ভিতরে ডুকে দেখি যে জুরাইনা সাইকেল চালাচ্ছে……… পার্কিং লট এ…..।
…..
জুরাইনা : রাফসান ভাইয়া তোমার এ অবস্থা কেন………….।
আমি : আমি যে ভালো কপাল নিয়ে এই দুনিয়াতে আসছি তাই…….।
জুরাইনা : মানে…..।
আমি : কিছু না…
জুরাইনা : সাইকেল চালাতে পারো…?
আমি : হুম পাড়ি……।
জুরাইনা : আমার সাথে চালাও না ঐ সাইকেল টা…….।
আমি : না আজ না আপু অন্য আরেকদিন……..।
জুরাইনা : আচ্ছা…..।
আমি : ঐ টা কার সাইকেল…..?
জুরাইনা : জারা আপুর……..।
……….
মনের ভিতর লাড্ডু ফুটলো……. মাথায় একটা বুদ্ধি আসলো ছোট খাট……।…….
খুশিতে গান গাইতাছে মন টা…..।

দিল তো পাগাল হে দিল দিওয়ানা হে…….
.
আমি : জুরাইনা আপুনি এখন বাসায় চলে যাও…। অনেকক্ষণ তো সাইকেলিং করলে……
জুরাইনা : আচ্ছা…… টা টা ভাইয়া……।
……..
জুরাইনা যাওয়ার পর জারার সাইকেল এর হাওয়া ছারলাম ফার্স্ট এ তারপর ব্রেক গুলো নষ্ট করলাম…..। তারপর টায়ার গুলো মাঝে দিয়ে বিভিন্ন জাগায় কেটেদিলাম……..।
…………
কলিজা টা ঠান্ডা করে চিলেকোঠাতে গেলাম…….।
………
ফ্রেশ হয়ে গোসল করে পড়তে বসলাম…………..।
রাতে ও টাইম মত খাওয়া দাওয়া করে ঘুমিয়ে পড়লাম…………….।
……………
সকাল সকাল ঘুম ভাঙ্গলো…..। চিলেকোঠা থেকে বের যা দেখলাম ছাদে…….।
মেজাজ পুরা নষ্ট হয়ে গেল…….।
…………..
কাল বাসায় এসে কাপড় গুলো ধূয়ে শুকাতে দিছিলাম ছাদে…….।
এখন দেখি শার্ট এর হাতা গুলো কাটা…..। পেন্ট পিছন দিয়ে ছেড়া রশিতে এরকম ভাবে সব ঝুলে আছে……..।
আর সবচেয়ে বড় কথা আমার ফেবরেট নীল কালার আন্ডারওয়্যার টা মাঝ খান দিয়ে ফুটা
……….
মন বলছে কাজ টা ঐ জারার ই তবে এখনো সিওর না………।
…….
সব কিছু বাদ দিয়ে ফ্রেশ হয়ে কলেজে এ গেলাম…….।
………
কলেজে ডুকে ক্লাস এ গেলাম আমাকে দেখে জারা হাসতাছে… এবার সিওর হলাম কাজ টা ও ই করছে………।
…………
ক্লাস হলো ৩ টা ৪ নাম্বার টার স্যার আসে নাই…..।
সবাই বাহিরে মাঠে হাটাহাটি করছে…….
দেখলাম জারা টেবিল এ মাথা রেখে ঘুম দিছে……।
ফার্স্ট ক্লাস একটা বুদ্ধি আসলো মাথায়…………..।
……..
একটা কাগজে কয়েক টা লাইন লিখলাম তারপর জারার পিঠে খুব সুন্দর করে সাবধানতা বহাল রেখে আসতে করে লাগিয়ে দিলাম……………।
……….
…………
চলবে…..

বাড়িয়ালার মেয়ে part-2

Related Posts

2 thoughts on “বাড়িওয়ালার মেয়ে | অভিমানী ভালোবাসার গল্প

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *