বিদেশি ম্যাম।রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প। লাভ স্টোরি

#বিদেশি ম্যাম
#___  ২য় পর্ব

.

ভাবি ঃতোকে দরজা খোলতে বলছি,,
.
আমি উঠে গিয়ে দরজা খোলতেই দেখি ভাবি খাবার হাতে দারিয়ে আছে ,,
বিছানায় নিয়ে গিয়ে বসালো আমাকে,,ভাবি ও বসলো পাসে
.
আমিঃবললাম না খাবো না,, কেনো এনেছো,,
ভাবিঃআমার উপর রেগে আছিস,,
আমিঃরাগবো কেনো,,,তুমি হলে মায়ের মতো,, শাশন করার অধিকার তোমার আছে,,
ভাবিঃআমি যদি মায়ের মতো ই হই তাহলে ভাত খেয়ে নে,
.
ভাবিঃহা কর,,,
.
ভাবি আমাকে ভাত খাইয়ে দিচ্ছে,,
ভাবি আবার বলতে লাগলো,,কেনো নিলার পিছন লাগিস,, নিলা বিদেশ থেকে স্টাডি কম্পিলিট করে এসেছে,,ওর ভাব মুর্তি আলাদা,কেনো বুঝিস না,,
তোকে আমার আপন ভাইর মতো মনে করি,, এই ফেমিলিতে আসার পর থেকে তোকে কখনো তোর মায়ের অভাব বুঝতে দেইনি,,,
তুই যেভাবে খুশি, তোকে সেভাবে রাখার চেষ্টা করেছি,,
.
ভাবির কথা শুনে কেনো জানি চোখ দিয়ে পানি বের হোয়ে গেলো,,
ভাবি ঃএই পাগল কাদিস কেনো,,
ভাবি আমার চোখের পানি মুছে দিলো,,,
ভাবি ঃশোন ভাই আমার, এমন কিছু করিস না যাতে আমার সম্মান যায়, তোর ভাইর সম্মান যায়,নিলা এসে ছে অল্প কিছুদিনের জন্য, ওকে হাসি মুখে বিদায় দিতে পারলেই হলো,,
আমিঃতোমি নিশ্চিত থাকতে পারো,, তোমাদের সম্মানে আচ পরতে দেবো না,,,
ভাবি ঃএইতো আমার লক্ষি ভাই,, এবার ঘুমা,,
এই বলে ভাবি আমার কপালে একটা চুমু দিয়ে লাইট বন্ধ করে চোলে গেলো,,
.
আমি ঘুমের দেশে চোলে গেলাম,,,
.
সকালে নাস্তা করতে বসেছি,, নিলা নিচের দিকে তাকিয়ে খাচ্ছে,,
আমিও খাচ্ছি,, কেউ কাউর দিকে তাকাচ্ছি না,,,
এর ভিতর ভাবি কিচেনে গেলো,,
আমি নিলাকে বলে উঠলাম সরি,,
নিলা মাথা উঠিয়ে আমার দিকে তাকালো,,
বুঝার চেষ্টা করছে,,আমি বলেছি কি না,,।
আমিঃআসলে কালকের জন্য সরি,,
নিলা কিছুটা নিচু স্বরে বললো,,আমিও সরি,, কাল মন খারাফ ছিলো, তাই কি থেকে কি বলে ফেলেছি,,,
আমিঃইট,স ওকে,,
তার পর নিচের দিকে তাকিয়ে খেতে লাগলাম,,
.
বাসায় আর ভালো লাগছে না, তাই বাহিরে বন্ধুদের কাছে চোলে গেলাম আড্ডা দিতে,,,
বেস কিছু ক্ষন আড্ডা দিয়ে, বাসায় চোলে আসলাম,,
আসার সময় ভাবির জন্য তেতুলের চাটনি নিয়ে আসলাম,,,
.
আমিঃভাবি তোমার জন্য,,
চাটনি গুলো এগিয়ে দিলাম,,
ভাবিঃখুব ভালো করেছিস এনে,,
ফ্রেস হোয়ে আয় খাবি,,,
.
দুপুরে নিচের দিকে তাকিয়ে খেয়ে চোলে আমলাম,,
রাত হোয়ে গেলো,,
নিলার সাথে সারা দিন আর কোনো কথা হয় নি,,,
দেখিনি,,
দেখবো কিভাবে,, বাসায় আসলে থাকিতো রুমের ভিতর,, প্রোয়োজন ছারা বের হই না,,
পরের দিন বিকালে ছাদে গিয়ে দেখি আজো নিলা দোলনায় বই হাতে বোসে আছে,,
.
একবার ভাবলাম চোলে যাই,আবার ভাবলাম নাহ,ওর মতো থাকুক, আমি আমার মতো,,
তাই ওর বিপরীদ পাসে ছাদের কিনারে চোলে গেলাম,,
নিলা বই থেকে মুখ উঠিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে থাকলো,,
বেস কিছুক্ষন ছাদে থাকলাম,,
একবারো তাকাই নি নিলার দিকে,,,
.
রাতে খেতে বসেছি,, তখন হঠাৎ নিলার পায়ের সাথে পা লাগলো,,
ভাবলাম,, অনইচ্ছাকৃত হয়তো পা লেগেছে,,
কিছুক্ষন পর আবার আমার পা ছুয়ে দিলো নিলা,,,
আমি ওর দিকে তাকিয়ে বুজার চেষ্টা করছি,, অনইচ্ছাকৃত লেগে গেলো নাকি,,
না নিলার ভিতর কোনো পরিবর্তন দেখছি না,,
.
এবার আমি আমার পা পিছনে নিয়ে আসলাম,,
.
হঠাৎ ভাইয়া পাস থেকে বলে উঠলো,, কিব্যাপর নিলা,, পা দিয়ে আমার পা খোচাচ্ছো কেনো,,
নিলা কিছুটা লজ্জা পেয়ে ভাইয়াকে বললো,,সরি ভাইয়া,,
.
আমার হাসি পেলো,,
চুপচাপ খাচ্ছি,,।
ভাইয়া বলে উঠলো,, তা সবুজ ,
পড়ালেখা শেষ করলি কবে,,এখনতো আমার সাথে গিয়ে আমাদের কম্পানিতে জয়েন করতে পারিস,,
আমিঃকরবো,,
ভাইয়াঃকবে,,
আমিঃআর কিছুদিন পর,,
ভাইয়া ঃআচ্ছা ওকে,,
.
আমি রুমে চোলে আসলাম,,
.
আজ সকাল সকাল ছাদে গেলাম,কতদিন সকালের রোদ্র গায়ে মাখা হয় না,,
.
যতো মোর জালা,, একটু দোলনাতে গিয়ে বসবো, তাও নিলা সেখানে বসা,,
এই মেয়ে এত সকাল সকাল তো উঠে না,,
.
ওর থেকে দুরে ছাদের অন্যপাসে চোলে গেলাম,,।
.
কিছুক্ষন পর আমার পাসে কাউকে অনুভব করলাম,,
পাসে তাকিয়ে দেখি নিলা,
.
চুপচাপ দারিয়ে রইলাম,,কোনো কথা বললাম না,
তখন নিলাই বললো,,কি করছেন,,
আমিঃকিছু না,,
নিলাঃও,,,
.
আমি আর না দারিয়ে সেখান থেকে চোলে আসলাম,,
হয়তো আরো কিছু বলতো,,
.
দুদিন পর,, বিকালে আদসোয়া
হোয়ে খাটে বসে আছি,
তখন রুমে নিলা সহ ভাবি আসলো,,
আমি ঃকিছু বলবে ভাবি,,
ভাবিঃএকটু কাজ করে দেনা,,
আমি ঃ কি কাজ ভাবি,,
ভাবিঃ নিলাকে নিয়ে একটু মার্কেটে যা না,, ও কি কি কিনবে,,
আমিঃভাবি আমার এখন ভালো লাগছে না,,তুমি দারোয়ান চাচা কে বলো,,, সাথে যেতে,,,
নিলা কিছুটা রেগে বললো,,হোয়াট,, আমি দারোয়ান চাচার সাথে যাবো মার্কেট করতে,,, আমি যাবো না,,আমার লাগবে না কিছু কেনা,,,
এই বলে নিলা আমার রুম থেকে বের হোয়ে তার রুমে চোলে গেলো,,
[ads1]
ভাবি ঃ লক্ষি ভাই আমার, যা না,, ওকে একা ছারতে পারবো না ওর কিছু হোয়ে গেলে আমি বাবার কাছে কি জবাব দেবো,,
বড় মুখ করে এনেছি ওকে,,
জা না ভাই আমার,,
.
আমিঃওানাকে রেডি হোতে বলো,,
ভাবিঃতুই রেডি হোয়ে আয়,,আমি ওকে বলছি,,
.
আমি রেডি হোয়ে রুম থেকে বাহিরে আসলাম,, ড্রইং রুমে এসে দেখি নিলা ছোপায় বসে আছে,,
কত যে মায়াবি লাগছে মেয়েটাকে বলে বুঝাতে পারবো না,,
.
না আমার তাকানো যাবে না,,,
.
আমি ওর কাছে যেতেই নিলা দারিয়ে গেলো,,
আমার মুখের দিকে তাকিয়ে আছে,,
আমিঃচুলুন,
.
বাহিরে রিক্সার জন্য ওয়েট করছি,,, নিলাকে রিক্সায় উঠিয়ে দিলাম,
রিক্সাওয়ালা মামা কে মার্কেটের ঠিকানা বলেদিছি,,
আমি ঃমামা এবার যান আপনি,,
নিলাঃএই দারান দারান,,
আমাকে উদ্দেশ্য করে বললো,আপনি যাবেন না,,
নিলা কিছুটা সরে গিয়ে বললো,, উঠুন
.
আমি একটা মুচকি হাসি দিলাম,,
নিলা ঃ কি হলো উঠুন,,উঠতে না পারলে আমার হাত দরে উঠুন,,
নিলা হাত বারিয়ে দিলো আমার দিকে,
আমিঃআপনার পাসে বসার যোগ্যতা এখনো হয়নি, , আপনি যান আমি পরের রিক্সায় আসছি,,
এই কথা বলতেই নিলার মুখে কেমন পরিবর্তন দেখলাম,,,
কিছুটা মলিন ভাব,,
.
একটা বড় মলের সামনে নামলাম,,
নিলা দারিয়ে আছে,,
আমি নেমে ভাড়া চুকিয়ে নিলাকে নিয়ে ভিতরে গেলাম,,,
.
কয়েকটা দোকান ঘুরে ঘুরে দেখলো,
তারপর একটা শাড়ির দোকানে ঢুকলো,,
.
নিলা শাড়ি দেখছে,,
.
একটা শাড়ি দেখছি আমি,, ব্লু কালারের,,
বেস পছন্দ হোয়েছে আমার,,
আমি তাকিয়ে তাকিয়ে সেটা দেখছি,,
নিলা হয়তো খেয়াল করেছে,,
তাই দোকানদার কে বললো,, আংকেল ওই শাড়িটা দেখান তো,,
নিলা আমার সামনে শাড়িটা দরে বললো,খুব পছন্দ হোয়েছে আপনার,,
আমিঃআমার পছন্দতে আপনার কি আসে যায়,,,।
.
নিলা আমার চোখের দিকে একটু তাকিয়ে দোকানদার কে বললো, আংকেল এটা প্যাক করে দিন,,
.
আমি বুঝিনা ওর আবার হঠাৎ কি হলো,,
এরপর আমাকে নিয়ে একটা ছেলেদের দোকানে ঢুকলো,,,
বুঝিনা ছেলেদের দোকানে ওর কি,,,
নিলা পান্জাবি দেখছে,,
ওর শাড়ির সাথে মেসিং করে পান্জাবি নিলো,,,
দেখতেও খুব সুন্দর।
দোকান্দার তখন( আমাকে দেখিয়ে) বললো,,আপনার হাজবেন্টর গায়ে মানাবে খুব,,
নিলা কিছুটা লজ্জা পেয়ে বললো, থ্যাংস,,,
.
মার্কেট থেকে বের হোতেই
নিলা আমার দিকে পান্জাবির প্যাকটা বারিয়ে দিয়ে বললো,,
আপনার জন্য,,
আমিঃসরি,,আপনার জিনিস আমি নেবো কেনো,,,
আমার কথায় নিলা কিছুটা ভরকে গেলো,,,
নিজেকে সামলে নিয়ে বললো,,
আমি নিতে বলছি নিবেন,,
আমিঃসরি, আমার যতেষ্ট আছে,, নিতে পারবো না,,,
নিলাঃতো আমি এটাদিয়ে কি করবো এখন,,
আমিঃ আপনি ভালো জানেন আপনি কি করবেন,,
.
নিলার মুখটা মুহুর্তে মলিন হোয়ে গেলো,,
.
নিলা আর কোনো কথা বলেনি,,,
নিলাকে একটা রিক্সায় উঠিয়ে দিলাম,,
আমি ও একটা রিক্সা নিয়ে চোলে গেলাম, বাসায়,,,
.
নিলাকে রেখেই আমি বাসার ভিতর চোলে গেলাম,,
ও আমার পিছন পিছন হেটে আসছে,
.
নিলার চেহারার মলিন ভাব দেখে ভাবি বললো,, কিরে নিলা কি হোয়েছে,,
নিলা চুপ করে থাকলো,,
ভাবিঃমুখটা এমন শুকনো কেনো,, কি হোয়েছে বলবি তো,,
নিলা ভাবির দিকে পান্জাবিটা এগিয়ে দিলো,,
ভাবিঃপান্জাবি কার জন্য,,
নিলাঃতোমার দেবরের জন্য,,আমার কাছ থেকে নেয়নি,,,
ভাবিঃআচ্ছা মন খারাফ করিস না,, আমার কাছে দে, আমি নিয়ে দিচ্ছি,,
.
ভাবি পান্জাবিটা নিয়ে আমার রুমে আসলো,,
আমার পাসে এসে বসলো,,
আমি ঃকিছু বলবে,,,
ভাবিঃপান্জাবিটা পরতো দেখি কেমন লাগে,,,,
আমিঃআমার এখন ভালো লাগছে না,,
ভাবিঃতো পান্জাবিটা নিচ্ছিস না কেনো,,
আমিঃডয়ারে আমার আরো তিনটা পান্জাবি আছে,,আমার লাগবে না, তুমি নিয়ে যাও,,,
ভাবিঃবুঝিতো,,আমাকে তোর আপন ভাবতে পারিস নি এখনো,,
আমিঃদেখো ব্লাকমেইল করবা না,
ভাবিঃতাহলে নিচ্ছিস না কেনো,,নে,, না হলে বুঝবো তুই আমায় আপন ভাবতে পারিস নি,, তোর বোন ভাবতে পারিস নি,,
আমি ঃতুমিও না, কিসের মধ্যে কি বলোযে,,
দেও,,,
ভাবিঃএবার এটা গায়ে দে,, একটু দেখি আমার ভাইটাকে কেমন দেখায়,,
আমিঃআবার পরাও লাগবে,,
আচ্ছা পরছি,,,
.
এবার দেখেছো, হোয়েছে,,
ভাবিঃহুম,এবার খেতে আয়,,
আমিঃআচ্ছা খুলে নেই,,
ভাবিঃনা না,, খোলা লাগবে না,,এটা পরেই খেতে আয়,,
আমিঃবুঝিনা, তোমার আবার কি হোয়েছে,,চলো,,
.
খেতে বসে একটা জিনিস লক্ষ
করলাম,, নিলা বার বার আর চোখে আমাকে দেখছে,,
হয়তো ওর কিনা পান্জাবি পরেছি বলে,,
.
রাতের আকাশটা দেখতে মন চাইলো, তাই ছাদে চোলে গেলাম,,
ছাদের এক কোনা গেসে দারিয়ে আকাশ দেখছি,,
রাতের আকাশ দেখতে মজা আলাদা,,
.
আকাশের দিকে তাকিয়ে তারা দেখায় বিভোর,
,
,,,,,খুব এরিয়ে চলছেন আমায় তাই না,,,
,
.হঠাৎ নিলার এমন কথায় বেস চমকে গেলাম আমি,,

পাসে তাকিয়ে দেখি নিলা,,
ও এত রাতে এখানে কি করছে,,
নিলা আবার বলা শুরু করলো,,
নিলাঃছোট কাল থেকেই বেস আদরে বড় হোয়েছি, তাই অবহেলাটা সয্য হয় না,,কারো অবহেলা আমি সয্য করতে পারিনা,,,
কিছুক্ষন চুপ করে থাকলো,,
বুঝছি না,, কান্না করছে কি না,,
নিলাঃআসলে সেদিন আমার কাছের এক ফ্রেন্ড গাড়ি এক্সিডেন্টে মারা গিয়েছে,,তাই মনটা খারাফ ছিলো,,,আর তখন ই আপনি এসে ফাজলামো শুরু করলেন,,
আমিঃকারো মন ভালো করার চেষ্টা করা বুঝি ফাজলামো,,
নিলাঃসরি তো বুঝতে পারিনি,,
আমি ঃভাবির কাছে বিচার দিয়েছিলেন কেনো,,
নিলাঃআমি,,(কিছুটা অবাক হোয়ে)
আমিঃথাক আর অস্বিকার করা লাগবে না,,জানেন তো, কাছের মানুষদের কাছ থেকে সামন্য কথাও অন্তরে গিয়ে আঘাত করে,,
নিলাঃবিশ্বাষ করুন আমি আপুকে কিছু বলিনি,,
আমিঃআমার বিশ্বাষে কি আসে যায়,,আচ্ছা আমি সব ভুলে গেছি আপনিও ভুলে যান,,
নিলাঃতাহলে আপনি আপনি করে বলছেন কেনো,, আমার কাছে আসেন না কেনো,,
আমিঃসবাইকে তুমি বলা যায় নাকি,, আর আপনার কাছে আসতে যে যোগ্যতার প্রোয়োজন আছে আগে জানতাম না,,
আচ্ছা চলি,,এত রাতে দুজনকে কেউ দেখলে খারাফ ভাববে,,
.
আমি চলে আসলাম,,
পিছন থেকে নিলা বললো,,শনুন,,
নিলার গলা কেমন দরে আসছে,,
.
আমি রুমে এসে সুয়ে পরলাম,,
.
সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি….
.আমার মামাতো বোন ইরা ড্রইং রুম বোসে আছে,,,

[ads1]
ইরা আমাকে দেখেই জড়িয়ে দরলো,,
আমিঃকিরে কখন আসলি,,
ইরাঃমাএ আসলাম,,রাতে বাসে চরলাম,, সকালে এসে পৌছালাম,,
আমিঃআমাকে বলতি,, পিক করে নিয়ে আসতাম,,
ইরাঃসারপ্রাইজ দিলাম,,
আমিঃভালো তা মামা কোথায়,,?
ইরাঃকোন কাজে যেনো এসেছিলো, সেই কাজে চোলে গেছে,,।
হঠাৎ চোখ গেলো,, কিচেনের দিকে,
নিলা আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে,
দেখেতো মনে হয় কিছুটা রেগে আছে,,,
ইরা নিলাকে দেখে বললো,,ভাইয়া উনি কে,,,
আমি ঃবিদেশি ম্যাম,,
ইরাঃকি বলো বুঝিনি,,,।
আমিঃভাবির বোন,,।
ইরাঃদারাও আমি কথা বলে আসি,,
নিলা আমার দিকে কেমন ভাবে যেনো রাগী চোখে তাকালো,,
আমি ছাদে গেলাম,,,
হঠাৎ নিলা পিছন থেকে বললো,,আপনাকে আপু নাস্তা করতে ডাকছে,,
আমি নিচে যেতে লাগলাম,,
তখন নিলা আবার বললো,,মেয়েটা আপনার কি হয়,,
আমি এবার ঘুরে নিলার দিকে তাকালাম,,
নিলা আমার চোখের দিকে নিরলিপ্ত ভাবে তাকিয়ে আছে উওরের আশায়,,
আমিঃআপনার বেয়াইন হয়,,,
নিলাঃআপনার কি হয়,,
নিলা কি বুঝাতে চাচ্ছে আমি তা ভালোভাবেই বুঝেছি,,
আমি আর কিছু না বলে নিচে চোলে আসলাম,,
নাস্তার টেবিলে বসে নাস্তা খাচ্ছি,,
নিলা আমার সামনে বসেছে,ইরা পাসে,,,
.
খাবার খেয়ে যাচ্ছি,,ইরা টুকটাক কথা বলছে,,
নিলা শুধু আমাদের দুজনের মুখের দিকে তাকাচ্ছে,,
.
ভাবি ইরাকে বললো,, তা বোন আমার,তোমার খবর কি,,,পড়ালেখা কেমন চলে,,
ইরাঃএতো কোনো রকম চলে ভাবি,,
ভাবিঃকেন,কোনো রকম কেনো,
ইরাঃএমনেই,,
.
বিকালে ইরা বায়না দরলো,, আমার সাথে ঘুরবে,,
আমিঃআচ্ছা রেডি হোয়ে নে,,,
ইরা ঃতুমি যাষ্ট পাচ মিনিট ওয়েট করো,,, আমি রেডি হোয়ে আসছি,,
আমিঃআচ্ছা তারাতারি আয়,,
.
আমি ড্রইং রুমে বোসে আছি,,
তখন ভাবি আসলো,,
ভাবিঃ সবুজ কোথায়ও যাচ্ছিস,,
আমিঃহুম, ইরাকে নিয়ে একটু ঘুরতে যাবো,,
ভাবিঃঘুরতে যখন যাবিই, তখন নিলাকে সাথে নিয়ে যা,
আমিঃআচ্ছা ওনাকে রেডি হোতে বলো,
ভাবির পিছন থেকে নিলা বললো, আমি রেডি,,
আমি নিলার দিকে তাকিয়ে আবারো প্রেমে পরে গেলাম,,
না কি ভাবছি,,, ওর প্রেমে পড়া যাবে না,,
আমি এসব ভাবছি, তখন ইরাও এসে বললো, হোয়ে গেছে আমার চলো,,,,
আমি নিলাকে বললাম চলুন,,
.
বাহিরে রিক্সা নিতে গিয়ে জামেলা,,,লোক হলাম তিনজন,,,
আমিঃআচ্ছা তোমরা দুজন একরিক্সায় যাও,,আর আমি একা এক রিক্সায় যাচ্ছি,,
ইরাঃআমি তোমার সাথে যাবো,,
আমিঃওনি কি একা যাবে নাকি রিক্সায়,,।
ইরাঃকিচ্ছু হবে না,,
.
নিলা শুধু আমার চোখের দিকে তাকিয়ে আছে,,
দেখছে আমি কি বলি,,
.
আমি নিলাকে উদ্দেশ্য করে বললাম,,, আচ্ছা তাহলে আপনি এই রিক্সায় উঠেন,,আমরা দুজন এই রিক্সায় উঠি,,
নিলা কিছু বললো না,,
রিক্সায় উঠে গেলো,
পিছন থেকে দেখলাম নিলা হাত দিয়ে চোখ মুচছে,,,
.
আমরা গিয়ে একটা পার্কের সামনে নামলাম.
.
তিনজন হাটছি,আমি মাঝে, ওরা দুজন দু পাসে,,
ইরা ফুচকার দোকান দেখে বললো,,, জনি ভাইয়া আমি ফুচকা খাবো,,
আমিঃআচ্ছা চল,
নিলা কে জিগাসা করলাম,, আপনি খাবেন,
নিলা আমার চোখের দিকে তাকিয়ে একটা মুচকি হাসি দিলো,,
বুঝলাম খাবে,,
.
তিনজন গিয়ে ফুচকার দোকানে বসলাম,,
আমি ঃ মামা তিন প্লেট ফুচকা দেন তো,,
.
তারপর ইরা বললো,
ইরাঃ সবুজ ভাইয়া, আমি তোমাকে আর ভাইয়া বলে ডাকতে পারবো না,, নাম দরে তুমি করে বলবো,,
আমি কিছু বলার আগেই নিলা বলে উঠলো,,কেনো,, তোমার বড় ভাইকে নাম দরে তুমি করে বলবে কেনো,, তাছারা তোমার বড় ভাই হয়তো,
ইরাঃতো কি হোয়েছে,,আমি তুমি করে বলবো,,
আমিঃআচ্ছা তুমি করে বলিস,,
নিলা কিছুটা রেগে বললো,তুমি করে বলবে মানি,, তোমা…..
তখন ফুচকা চোলে আসলো,,তাই নিলাকে থামিয়ে দিয়ে বললাম,, ফুচকা খান,,
[ads1]
আমরা চুপচাপ ফুচকা খাচ্ছি,,
হঠাৎ ইরা বললো,,সবুজ আমাকে একটা ফুচকা খাইয়ে দেও,হা…
আমিঃনিজে নিয়েই তো খেতে পারিস,,
ইরাঃদেওতো এই হা করলাম,,
আমিঃকি যে পাগলামি করিস,,, নে,,
ইরাকে খাইয়ে দিলাম,,,
ইরার এই ঢং দেখে নিলার গা জলে যাচ্ছে,,তা মুখ দেখেই বুজা যাচ্ছে,,,
ইরা এবার বললো, হা করো,, খাইয়ে দেই,,
আমিঃআচ্ছা দে,,
আমি হা করতেই খাইয়ে দিলো,, তবে ইরা নয় নিলা,,,
ইরা আর আমি অবাক,,,
ইরা ফুচকা হাতে আমার দিকে তাকিয়ে আছে,,,
নিলা কিছুটা রেগে বললো,,বেসি ফুচকা খাওয়ার ইচ্ছা না,, খান,,
এই বলে ফুচকার ফেলেটা ফেলেই চোলে গেলো,,,
এর আবার কি হলো,,
ইরা ঃওনি এমন করলো কেনো, ,
আমিঃতুই বুঝবি না,, ফুচকা খা,,,,,
নিলা সেখান থেকে রাগ করে বাসায় চোলে আসলো,,
নিলার মনে যে কিছু একটা চলছে,,তা বেস ভালো করেই বুঝছি,,,,
.
আরো কিছুক্ষন গোরাফিরা করে বাসায় চোলে আসলাম,
.
বাসায় ঢুকতেই দেখলাম নিলা ড্রইং রুমে বসে আছে,,
আমাকে দেখে নিলা চোখ গড়ম করে আমার দিকে তাকালো,,,
তখন ভাবি কিচেন থেকে এসে বললো,,সবুজ, নিলা একা একা চোলে আসলো কেনো,,
আমিঃওনি ই ভালো যানে,,,
আমি রুমে চোলে আসলাম,,
.
রাতে রুমে বসে ইরা আর আমি গল্প করছি,,,
তখন নিলা কফি হাতে রুমে ঢুকলো,,
আমার দিকে বারিয়ে দিয়ে বললো,, কফি আপনার জন্য,,,
তখন ইরা বললো আপু আমার জন্যও এক মগ কফি আনো,,,
আমি কফিটা নিয়ে ইরাকে দিয়ে দিলাম,,,
ইরাঃতুমি খাবে না,,,
আমিঃনাহ,,
নিলা ফিছন ঘুরে চোলে গেলো,, নিলার চোখের কোনে স্পস্ট পানি দেখতে পেলাম,,,
.
রাতে ডিনার করার সময় ভাবি বললো,,সবুজ তোর জন্য আজ নিলা নিজের হাতে স্পেসালভাবে কফি বানিয়েছে,,খেয়ে কেমন বুঝলি,,
আমি নিলার দিকে তাকালাম,, নিলা আমার চোখের দিকে এক পলক তাকিয়ে মাথা নিচু করে ভাত নারা চারা করতে লাগলো,,
,,
আমিঃকফিটা ইরা খেয়েছে,,
ভাবিঃবানালো তোর জন্য খেলো ইরা,,
আমিঃসবার সব জিনিস খাওয়ার জন্য যোগ্যতা লাগে,,।
ভাবিঃবুঝলাম না,,
আমিঃ কিছু না, খাওতো,,
নিলা খাবারে আছতে করে পানি ঢেলে রুমে চোলে গেলো,,
.
রাতে ইরাকে নিলার সাথে ঘুমুতে দেওয়া হলো,,
.
সকালে ঘুম থেকে উঠতেই কাউকে রুম থেকে বের হোয়ে যেতে দেখলাম,,
ফ্রেস হোয়ে নাস্তা করতে বসলাম,,তখন ইরা বললো,,সবুজ ভাইয়া আজ কিন্তু আমাকে সারাদিন ঘুরাতে হবে,,
আমিঃআমার তো আজ সময় হবে না,,আচ্ছা আমার এক ফ্রেন্ড কে বোলে দিচ্ছি,, ও ই তোকে ঘুরাবে,,,
ইরাঃআচ্ছা,,তারাতারি আসতে বলো,,নিলা আপু তুমি যাবে নাকি,,,
নিলা আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বললো, না জাবো না,,
.
আমি আমার কাছের ফ্রেন্ড রোমন কে কল করে চোলে আসতে বললাম,,
সে ইরাকে নিয়ে ঘুরতে বের হোয়ে গেলো,,,
আমি আমার কাজে চোলে গেলাম,,,
.

রাত হোয়ে গেলো এখনো বাসায় ফিরিনি,,,
হঠাৎ আমার ফোনটা বেজে উঠলো,,ফোন বের করেই দেখি ভাবির ফোন,,
আমিঃহুম ভাবি বলো,,
ভাবিঃকি করছিস এখনো,,
আমিঃএকটু কাজে আছি,,
ভাবি কে পাস থেকে কে যেনো শিখিয়ে দিচ্ছে,, কখন আসবে,,
ভাবিঃকখন আসবি,,
আমিঃআসতে একটু রাত হবে,,
ভাবিঃতারাতারি চোলে আসিস,,
আমিঃহুম,,
.
বাসায় ফিরতে ফিরতে অনেক রাত হোয়ে গেলো,,
কলিং বেল দিতেই নিলা দরজা খুলে দিলো,,,
আমি পাস কাটিয়ে চোলে আসলাম,,
বাকিরা সব ঘুমিয়েছে,,
.
ফ্রেস হোয়ে ছাদে চোলে গেলাম,,
.
বেস তো আনন্দেই আছেন দেখছি,,
.
নিলা কখন যে আমার পাসে এসে দারালো বলতেই পারলাম না,
নিলার কথায় বুঝতে পারলাম,,
নিলা আবার বললো,,,কষ্ট দিতে খুব ভালোই যানেন,,
এবার নিলার দিকে তাকালাম,
ওর চোখে পানি চিক চিক করছে,,
নিলাঃসামান্য একটা কারনে আপনি আমাকে এভাবে এরিয়ে চলছেন,,,
আমিঃকারনটা সামন্য হলেও কথা গুলো সামান্য ছিলো না,,
নিলাঃতার জন্য তো সরি বললাম,,আর কারন ও বলেছি,,
আমিঃতার থেকে বেসি কষ্ট লেগেছে ভাবির বলা কথা গুলো,,, কেনো সেদিন সুধু শুধু ভাবির কাছে বিচার দিলেন,, ইচ্ছা হলে দুটো থাপ্পর দিয়ে দিতেন আমায়,,
.
নিলা এবার কেদে দিয়ে বললো,,বিশ্বাষ করুন আমি আপুর কাছে বিচার দেইনি,,,আমি বিদেশ থেকে পড়া লেখা করতে পারি কিন্তু এত অহংকারি না,,
সেদিনের কথা গুলো আমি রেগে গিয়ে বলেছি, একটা কথাও মন থেকে বলিনি,,,
আমিঃযে ভাবেই বলেছেন, কথা গুলোতো সত্য,,,,
.
হঠাৎ নিলা আমাকে জড়িয়ে দরে বললো,প্লিজ এভাবে বলবেন না খুব কষ্ট হয়,,,খুব ভালোবেসে ফেলেছি আপনাকে প্লিজ,,অনেক ভালোবাসি,,
.
To Be Continue……

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *