বিদেশি ম্যাম । রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

গল্পঃ # বিদেশি ম্যাম
.পার্ট-১
.
ভাই আমার বিয়ে করেছে কিছুদিন হলো,,
আমাদের চাইতে একটু বড় ঘরেই ভাইর বিয়ে দিয়েছে,,
আমরা দুভাই এক বোন,।
বোনই সবার বড়, তারপর ভাই, তারপর আমি,,
.
আমি সবার ছোট,,আমি #সবুজ
ভাইয়ার নাম #সাইদ
আর
আপুর নাম #সারমিন,,।
.
কয়েক বছর আগেই আপুর বিয়ে দিয়েছে,,
আর এই কয় মাস হলো ভাইয়াকে বিয়ে দিলো,,
.
ভাবি আমার সেই লেবেলের ভালো,,
আপন ভাইর মতো দেখে আমায়,,
যাগগে সেসব কথা,,
বর্তমানে আসি,,
.
রুম থেকে বের হোতেই দেখি খাওয়ার বেস আয়োজন চলছে,,
তাই ভাবির কাছে গেলাম,,
.
ভাবি আমায় দেখে বললো,,
কি ব্যাপার,আমার ভাইটার কিছু লাগবে নাকি ,,,
আমি ঃ না,,তা কেউ আসবে নাকি, এত খাবার রান্না করছো,,
ভাবিঃহুম,,
আমিঃকে,
ভাবিঃ তোমান বেয়াইন আসবে,মানি আমার বোন,,
আমিঃকি বলো,,তোমার বোন আছে নাকি,,বিয়েতেও তো তোমার কোনো বোনকে দেখলাম না,,
ভাবিঃআমার বিয়ের সময় ও বিদেশে ছিলো,এই দু সপ্তাহ হলো বিদেশ থেকে এসেছে,,
আমিঃ বিদেশ কি করে,,
ভাবিঃস্টাডি করার জন্য গিয়েছিলো,,এখন শেষ চোলে এসেছে,,
আমিঃও,ভালো,,তা কখন আসবে,,
ভাবি ঃএইতো কিছু ক্ষন পর,,
.
আমিঃআচ্ছা ভাবি আমি বাহিরে গেলাম,,
ভাবি, ঃকিছু খেয়ে যাও,,
আমিঃএসে খাবো,
.
বাহিরে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে বাসায় ফিরলাম,,
.
না আগে আমার বেয়াইনকে দেখে আসি,,নিশ্চই পরির মতো দেখতে হবে,,
.
গেষ্ট রুমের বাহির থেকে উকি মেরে দেখছি রুমের ভেতরটা,,
ব্যাগ, জামা কাপর দেখা যাচ্ছে,,
বেয়াইন কই,,
তখন পিছন থেকে কে যেনো বললো,, উকি মেরে কি দেখা হচ্ছে,,
আমি ঃপিছন না দেখে বললাম, একটা পেত্নি এসেছে বাসায় সেটাকেই দেখছি,,
এবার আমি পিছন ঘুরে দেখি একটা মেয়ে দারিয়ে আছে,,মনে হয় কিছুটা রেগে আছে,,
এর আগে তো এই মেয়ে কে দেখিনি,,
বায়দা ওয়ে,, তুমি কে,, এর আগে তো কখনো আমাদের বাসায় দেখিনি,,
মেয়েটিঃএতক্ষন যাকে দেখার জন্য রুমের বাহির থেকে উকিঝুকি মেরেছেন, আমি সেই পেত্নি,,
আমিঃতুতুমি ভাবির বোন ,,সসরি,,
নিলাঃআমি পেত্নি,,
বেয়াইনঃ সসরি,, বুঝতে পারিনি,,
বেয়াইনঃ ওকি দিয়ে দেখার বেস অভিজ্ঞতা আছে দেখি আপনার,,,(আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বললো,)
.
তখন ভাবি আসলো,,
ভাবিঃকি কথা হচ্ছে দুজনের,,আচ্ছা পরিচয় করিয়ে দেই,,জনি এহলো আমার বোন নিলা,,আর নিলা এহলো আমার একমাএ আদরের দেবর সবুজ(নাক টেনে বললো)
নিলাঃহইছে আর পরিচয় করাতে হবে না,, যা চিনার চিনে নিয়েছি
ভাবিঃতাহলে তো ভালোই হলো,,আচ্ছা দুজন আসো নাস্তা দেবো,,
নিলাঃ রুমে দিয়ে যাও,,রুমে খাবো,,
ভাবিঃ তাহলে সবুজ তুমি আসো,,
আমিঃএখন নাস্তা করবো না,,এক সাথে লান্স করবো,,
ভাবিঃআচ্ছা,,
.
এই কথা বলে ভাবি চোলে গেলো,,,আমিও আমার রুমে চোলে আসলাম,,
.
দুপুরে সবাই একসাথে লান্স করতে বসেছি,,
আমি বসেছি একদম নিলার সোজাসুজি,,
খাবার খাচ্ছি,,হঠাৎ নিলার পায়ে সাথে আমার পা লাগলো,,
আমি নিলার দিকে তাকালাম,ওমা সেকি রাগ,
আরে ভাই রাগেরর কি হলো আমি তো ইচ্ছে করে পা লাগাইনি,,
রাগি ভাবে যখন তাকালি তখন এবার ইচ্ছা করে লাগাবো,,,
নিলা আমার দিক থেকে চোখ সরিয়ে আবার খাবার খেতে লাগলো,,
একটু পর আমার পা দিয়ে ওর পায়ে আলতো করে ছুয়ে দিলাম,,
নিলা কেমন সিহরিত হোয়ে উঠল,,তারপর খাবার রেখে আবার আমার দিকে রাগী চোখে তাকালো,,
আমি ওর দিকে তাকিয়ে মুচকি একটা হাসি দিয়ে ওর পা আবার ছুতে লাগলাম,,
নিলা মুচকি একটা হাসি দিয়েই পায়ে জোরে একটা পারা দিলো,,
আমি উ করে উঠলাম,
ভাবিঃ কি হোয়েছে সবুজ,,
আমিঃকিছুনা ভাবি,,
ভাবি ঃআচ্ছা খাও,,
.
খাবার খেয়ে রুমে চোলে আসলাম,,
কি বজ্জাত মেয়েরে বাবা,,পুরোই ধানি লংকা,,
.
বিকালে ছাদে গেলাম,
গিয়ে দেখি নিলা ছাদের এক কর্নার দরে দারিয়ে আছে,,
তাই নিলার পাসে গেলাম,,
আমিঃপায়ে কেউ এভাবে লাথি মারে,
নিলাঃতাহলে অসভ্যের মতো পা ছুয়েছেন কেনো,,
আমি ঃতুমি প্রথম ওমন ভাবে তাকালে কেনো,, তাইতো পা ছুয়েছি,,
আচ্ছা যাক সেসব কথা,, তুমি এত সুন্দর কেনো,,।
নিলাঃপ্লোটিং করছেন আমারা সাথে,,
আমিঃ না সত্যি তুমি খুব সুন্দর,,
নিলাঃআমি সুন্দর তা আমি জানি,, আপনার বলতে হবে না,,
আমিঃতুমি ছোট থেকে বিদেশে পড়ালেখা করেছো,
নিলাঃহুম,, তো,,
আমিঃবিদেশি মেমদের মতো ছোট ছোট জামা কাপর পড়তে, এগুলো কি পড়ছো,,
নিলাঃ কি,!
আমিঃমঝা করলাম,,
.
নিলাঃহুম।
.
নিলা মুখটাকে বাকিয়ে সেখান থেকে চোলে গেলো,,
.
আমার এত বালা লাগতাছে ক্যারে,,,
.
তারপরের দিন রুমে বসে আছি,, তখন ভাবি সহ নিলা রুমে ঢুকলো,,
.
ভাবি ঃকি ব্যাপার আমার ভাইটার কোনো খোজ খবর নেই, ব্যাপার কি,,
আমিঃভাবি কি যে বলো না,,কিছু বলবে,,
ভাবিঃনিলাকে নিয়ে একটু বাহির থেকে গুরে আয়,,
আমিঃআমি পারবো না,,
ভাবিঃজা না ভাই,,
আমিঃযেতে পারি এক শর্তে,,
ভাবিঃ কি সর্ত?
আমিঃ তোমরা দু বোন আমার দু গালে দুইটা পাপ্পি দিতে হবে,,
.
পাস থেকে নিলা রেগে গিয়ে বললো,,কিইই,
আমি ভয়ে বললাম, ভাবি ওর লাগবে না,, তুমি দিলেই হবে,,
ভাবি ঃওরে আমার দুষ্ট দেবর রে আয় কাছে আয়,,,
আমি কাছে যেতেই ভাবি গালে একটা চুমু দিলো,, আমি ও ভাবি গালে একটা চুমু দিয়ে নিলাকে বললাম চলো,,
পিছন থেকে ভাবি বললো,,দুষ্ট একটা,, তারাতারি চলে আসিস,,
আমিঃওকে,,
.
নিলাকে নিয়ে একটা পার্কে গেলাম,
সেখানে অনেক কাপল বসা ছিলো
কেউ কারো কোলে মাথা দিয়ে সুয়ে আছে,,
কেউ আবার চুমু খাচ্ছে,,
নিলা এসব দেখে বললো,,
নিলাঃ আচ্ছা ওরা ওখানে কি করছে,,
আমিঃআকাম করছে,,
নিলাঃ কি আকাম,,
আমিঃ ভালোবাসা করছে,,
নিলাঃ এভাবে ভালোবাসা করে,,
আমিঃহুম,,আচ্ছা চলো,,ওখানে গিয়ে বসি,,
.
আমরা গিয়ে একটা ব্যান্সে বসলাম,,
.
আমিঃআচ্ছা কি খাবে,,
.
নিলাঃআমি বাহিরের কিছু খাই না,,
আমি কাছ থেকে কিছু বাদাম নিলাম,,
কয়টার খোশা ছারিয়ে ওর দিকে এগিয়ে দিয়ে বললাম,
খাও,
নিলাঃআমি বাহিরের এসব খাই না বললাম তো,
আমি ঃ খেয়েই দেখো না,,
নিলাঃ খাবো না,
আমি জোর করে ওকে খাইয়ে দিলাম
,
আমিঃএবার খাও,,,
নিলা খেয়ে বেস মঝা পেলো,,
ওকে দেখেই বুঝা যাচ্ছে,
.
এর পর আমি আর সাধলাম না,,
একা একাই খেতে লাগলাম,
নিলা আমার আর বাদামের দিকে আর চোখে তাকাচ্ছে বারবার,,
আমি খেয়েই যাচ্ছি,,
কিছুক্ষন পর নিলা বললো,,আপনি আচ্ছা বজ্জাত তো,,
আমিঃকি করলাম আবার।
নিলাঃএকা একাই খেয়ে যাচ্ছেন ,,,
আমিঃতুমি তো খাবে না, তাই সাধলাম না আর,,
নিলাঃনা বলেছি বলেকি আর সাধা যাবে না,,দিন আমি খাবো,,
আমিঃসামনেই তো আছে, নিয়ে খাও,,,
নিলাঃআমি খোসা ছারাতে পারি না,, খোসা ছারিয়ে দিন,,
আমিঃওরে বিদেশি মেম সাহেব রে,,আচ্ছা দিচ্ছি,,
.
আমি খোশা ছারিয়ে দিচ্ছি,, ও খাচ্চে,, কত সুন্দর করে খাচ্ছে,,,কত অপরুপ লাগছে মেয়েটাকে,বিদেশি মেম, আমাকেতো পাগল করে দিলে,,
ওর দিকে তাকিয়ে থেকে ভাবনায় হারিয়ে গেলাম, কল্পনায় দেখছি,, ও আর আমি পুতুলদের বাসার ছাদে বেলে ড্যান্স করছি,,,
[ads1]
হঠাৎ নিলার কথায় হুস আসলো,,
নিলাঃ কি হলো, ওমন করে কি দেখছেন আমাকে,,, বাদাম দিন,,
আমিঃও কিছু না,,বাদাম নেও,,
.
বিকালটা ওকে নিয়ে গুরে সন্ধায় বাসায় আসলাম,,
.
ভাবিঃকি ঘুরতে কেমন লাগলো দুজনের,,
আমি ঃতোমার বোন সাথে থাকলে সারা জীবনই সুন্দর লাগবে,,,
ভাবিঃদুষ্ট একটা,, যা ফ্রেস হোয়ে আয়,,নাস্তা দেবো,,
আমিঃ ওকে,,,
.
আমি ফ্রেস হোয়ে আসলাম,,
.
রাতে ডিনার করে সুয়ে সুয়ে ভাবতে লাগলাম,,
যদি এই বিদেশি ম্যাম আমার হতো,, দিলটা খুশ হোয়ে যেতো,,
.
সকালে ঘুম থেকে উঠে সুনি নিলা এখনো ঘুম থেকে উঠেনি,,
তাই সোজা চোলে গেলাম নিলার রুমে,
ওমা একি অবস্থা,, আমার এত লজ্জা লাগে ক্যারে,,
.
নিলাকে জাগাতে লাগলাম,,
.
নিলা হঠাৎ আমার হাতটা জড়িয়ে দরলো,
হায় হায় কি করবো এখন,,
এরপর নিলা কোলবালিস মনে করে আমাকে টেনে জরিয়ে দরলো,,
বাহ খারাফ না,,ঘুমের ঘোরে হলেও বিদেশি ম্যাম কে জড়িয়ে দরতে পারবো,,,
.
নিলা ঘুমের ঘোরে আমাকে কোলবালিশ মনে করে আস্টেপিষ্টে জড়িয়ে দরলো,,
আমি বাদ থাকবো কেনো, আমিও জড়িয়ে দরি,,
.
মেয়েদের শরিল এত নরম কেনো,, আমারতো ঘুমই চোলে আসছে,,
.
কখন যে ঘুমিয়ে গিয়েছি, বুঝতেই পারি নি,,
আহ কি ঘুম রে,,
.
কিছুক্ষন পর হঠাৎ ব্যাথা পেয়ে চিৎকার দিয়ে উঠলাম,
তাকিয়ে দেখি আমি নিচে পরে আছি,,
কি ব্যাপার, আমি তো নিলাকে জড়িয়ে ছিলাম,, তাহলে নিচে কি করি,,
উপরে তাকিয়ে দেখি নিলা খাটের উপর বসে রাগে ফুশছে,, ,
আমিঃ কি ব্যাপার,, এই ভাবে তাকিয়ে আছো কেনো,,
.
নিলাঃ আপনি আমাকে এইভাবে জড়িয়ে দরেছিলেন কেনো,,
আমিঃতোমাকে ডাকতে এসেছিলাম,,আর তখনই তুমি আমাকে টেনে জড়িয়ে দরলে,,তাইতো আমিও,,
নিলাঃলুচ্ছা ব্যাটা কোনহানকার,,,,তাই বলে আমার বুকের মাঝে ঘুমিয়ে যেতে হবে,,
আমিঃতোমার শরিল এত নরম যে আমার ঘুম চোলে এসেছিলো,,
নিলাঃ কি,,,
আমিঃ কই কি,, কিছু না,,,
নিলাঃতবেরে,
এই বলে নিলা আমাকে দৌরাতে লাগলো,,
সারা ঘর দৌরাচ্ছে,,
অবশেষে ভাবির পিছন গিয়ে লুকালাম,,,
.
নিলাঃআপু তুমি সরো,, আজ ওনার একদিন কি, আমার একদিন,,
ভাবিঃসকাল সকাল তোরা কি শুরু করলি,,,
নিলাঃতুমি সরোতো আপু ওনি সকাল সকাল কি করছে জানো,,
ভাবিঃ কি করেছে,,
নিলাঃওনি আমায়,,, আমি বলতে পারবো না,,তুমি সরোতো,
এই বলে যেই দরতে যাবে, তখন আবার দৌরে পালালাম,,
.
এ ঘর থেকে ও ঘর,,
অবশেষে আমার রুমে চোলে গেলাম,,
আয়হায় এবার কোথায় যাবো,,
নিলা দৌরে এসে ভার সামলাতে না পেরে আমাকে নিয়ে খাটে পরলো,,
ভাগ্যের কি খেলা,, ও আমার বুকে আর ওর ঠোটদুটো আমার আমার ঠোটের উপর,,
.
সুযোগ কি আর হাতছারা করা যায়,
ওর হাত দুটো চেপে দরে ঠোটে চুমুক দিয়ে দরলাম,,
নিলা ছোটার জন্য নরাচরা করছে,,
চুমুক দিয়ে দরতেই নিশ্বতব্দ হোয়ে গেছে,,
.
কিছুক্ষন পর ছেরে দিতেই নিলা আমাকে লাথি থাপ্পর যা পারলো দিলো,,
নিলাঃ লুচ্চা ব্যাটা একটা,
নিলা রুম থেকে দৌরে পালালো,,
.
কি ত্যাজ রে বাবা হাতে,,
সব জালিয়ে দিলো,,,……..

[ads1]
.
আমরা নাস্তা করতে বসেছি সবাই,
কেনো জানি ওকে চুমু দেওয়ার পর থেকে পেটের খুদা চোলে গেছে,
তাই খাবার নারা চারা করছি,
.
ভাবিঃ কি ব্যাপার সবুজ ,, খাচ্ছো না কেনো,,
আমিঃখুদা নেই,,
ভাবিঃকেনো,,
আমিঃসকালে যা খেয়েছি, তাতে আর খুদা থাকবে কি করে,,,
.
নিলা আমার দিকে রাগী চোখে তাকালো,,
.
ভাবিঃ কি এমন খেয়েছো যে, খুদা নেই,,
আমিঃবলা যাবে না,, অনেক দামি জিনিস খেয়েছি,,
.
নিলা আরো রেগে গেলো,,
.
ভাবিঃআমার ভাইটা কি এমন খেয়েছো যে বলা যাবে না,,,
আমিঃবললাম তো বলা যাবে না,,
ভাবিঃআমার লক্ষি দেবর টা আমায় বলো না,,শুনি,,
আমিঃআচ্ছা শোনো তাহলে,,চুপি চুপি বলি কানটা আগাও,,
আমি যেই ভাবির কানে বলতে যাবো ঠিক তখনই নিলা আমার পায়ে জোরে একটা পারা দিলো,,
আমিঃউ, ভাবি গো,,
ভাবির কানের কাছে চিতকারটা দমিলাম,,
ভাবিঃওরে দুষ্ট এ জন্য কান আগাতে বললি,,
আমিঃ না ভাবি,,
ভাবিঃদুষ্ট মারবো একটা,চুপচাপ খা,,,আমার কানটা গেলো,,
.
নিলা রেগে রুমে চোলে গেলো,,
ভাবিঃকিরে নিলা,,না খেয়ে চোলে যাচ্ছিস কেনো,,তোর আবার কি হলো,,
.
নিলা তার রুমে গিয়ে মনে মনে আমাকে ইচ্ছে মতো গালি দিতে লাগলো,,
.
আমি আড্ডা দিতে বাহিরে চোলে গেলাম,,
.
বন্ধু সাগর কে কল দিলাম,,
হ্যা তুই কই,,
সাগরঃ মোরের মাথায়,,
আমিঃআচ্ছা থাক, আমি আসছি,,,
সাগরঃআমি আছি তুই আয়,,
আমিঃরোমান আছে,
সাগরঃ হুম সবাই আছে তুই আয়,,
আমিঃআচ্ছা ওয়েট কর আসতেছি,,
.
ওদের সাথে গিয়ে বেস কিছুক্ষন আড্ডা দিলাম,,
.
ফেরার পথে ফুচকার দোকান সামনে পরলো,, তখন ই নিলার কথা মনে পরেগেলো,,,
ভাবলাম পাগলিটার জন্য দু প্লেট নিয়ে যাই,,
যেই ভাবা সেই কাজ, নিলার জন্য ফুচকা নিয়ে গেলাম,
.
ওর রুমে ঢুকে দেখি নিলা সুয়ে সুয়ে বই পরছে,,,
আমিঃ কি করো,,
নিলা কিছুটা রুক্ষ্য ভাষায় বললো,,আপনি দেখেন না কি করি,,
আমি ঃআচ্ছা উঠো,,, দেখো তোমার জন্য কি এনেছি,,
.
নিলাঃ এখন উঠতে পারবো না,, আপনি যানতো,,
.
আমি নিলার হাত থেকে বইটা সরিয়ে ওকে টেনে বসালাম,,
ওর দিকে ফুচকার পোটলাটা বারিয়ে দিয়ে বললাম, তোমার জন্য ফুচকা এনেছি,,স্পেসাল ফুচকা,,
নিলা আমার হাত থেকে ফুচকার পোটলাটা নিয়ে আমার মুখে মেরে বললো,,আমি রাস্তার এসব খাই না,, কয়বার বলবো,,যত সব আজাইরা,,
.
আমার কিছুটা রাগ উঠে গেলো,, তাই পোটলা থেক এক পিজ নিয়ে নিলাকে জোর করে খাইয়ে দিয়ে পোটলাটা নিয়ে চোলে আসলাম,,
.
আমিঃভাবি, ভাবি,,কোথায় তুমি,,
ভাবিঃকি হোয়েছে,,
আমিঃএদিকে আসোতো,,
ভাবিঃকি বলবা তারাতারি বলো,, রান্না করছি তো,,
আমি ঃ হা করো,
ভাবিঃ কেনো,,
আমিঃআহা করো তো,,
ভাবিঃ আচ্ছা করছি,
আমি একপিজ ফু্চকা ভাবির মুখে পুরে দিলাম,,তারপর ফুচকার পোটলাটা ভাবির হাতে দিলাম,,
ভাবিঃ ওয়াও ফুচকা
আমিঃহুম,,
ভাবি ঃআমার দেবরটা আমায় এত ভালোবাসে,,
আমিঃহুম,,এবার আমাকে খাইয়ে দেও,,
ভাবিঃ আচ্ছা হা করো,,
.
ভাবি আমাকে খাইয়ে দিচ্ছে,, আমি ভাবি কে দিচ্ছি,,
ভাবিঃওফ কি মঝা,,
আমিঃস্পেসাল ভাবে বানিয়ে এনেছি,

নিলা একপিজ খেয়ে মনে হয় মঝা পেয়েছে,,তাই বারবার রুম থেকে উকি দিয়ে আমাদের দেখছে,,আর আপছোছ করছে কেনো ফিরয়ে দিলো,,
.
আমিঃ ভাবি,
ভাবিঃহুম,
আমিঃতোমার বোন কে নিয়ে সাধো,, দেখো খাবে কি না,,
ভাবিঃআচ্ছা,
.
তারপর আমি আমার রুমে চোলে আসলাম,,
ভাবি ফুচকা নিয়ে নিলার রুমে গেলো,

আমি ফুচকা নিয়ে যেতে পারতাম,,
আমি আবার গেলে হয়তো ইগোর কারনে আমার কাছ থেকে খেতো না,

.
ভাবি আমার কাছে এসে বললো
ভাবিঃ সবুজ, নিলা ফুচকা খেয়ে বেস তারিফ করলো ফুচকার,,
.
আমিঃতাই নাকি,,
ভাবিঃহুম,, আরেকদিন এনো তো, তোমার এই এস্পেসাল ফুচকা,,,
আমিঃআচ্ছা আনবো নে,,,
.
দুপুরে লান্স করার সময় ভাবলাম পা দিয়ে একটু আলতো ছুয়ে দেই,,
.
পা ছুয়ে যাচ্ছি পা দিয়ে,,
কিন্তু নিলার কোনো পরিবর্তন দেখছি না,
ব্যাপার কি,, আরেকটু বেসি পা ছুয়ে দেখি,
এবারো কোনো পরিবর্তন দেখলাম না,,
ভাবির দিকে তাকিয়ে দেখি আমার দিকে তাকিয়ে আছে,
একটা মুচকি হাসি দিয়ে বললো,,ভুল করে কার পায়ে পা ছোয়াচ্ছো,,,
আমিঃসরি ভাবি,,
ভাবিঃখাওয়ার সময় দুষ্টমি না করলে হয় না,,চুপচাপ খা,,দুষ্ট একটা,,
নিলা মুচকি মুচকি হাসছে,,,
[ads1]
বিকালে দেখি নিলা ছাদের দোলনায় বসে আছে,,
আমি গিয়ে সোজা ওর পাসে বসে পরলাম,,
নিলা দোলনা থেকে উঠে গিয়ে আমার দিকে করা ভাবে তাকিয়ে বললো,,, সমস্যা কি আপনার,,এভাবে কাছে এসে বসলেন কেনো,,,
আমিঃআরে বেয়াইন রেগে যাচ্ছো কেনো,,,
নিলা ঃআমি এসব পছন্দ করি না,,,
আমিঃকিছু কিছু জিনিস পছন্দ না করলেও অন্যের পছন্দের জন্য করতে হয়,,
নিলাঃআপনি কি আমার বি এফ লাগেন নাকি যে আপনার পছন্দের দাম দেবো,,
আমিঃহোলে ক্ষতি আছে নাকি,,
নিলাঃযত সব আজাইরা লোক,,,
এই বলে নিলা চোলে যেতে লাগলো,,,
আমিঃ এই নিলা, সোনো কথা আছে,,,,
নিলা আমার কথা না শুনে চোলে গেলো,,
.
রাতে বাহির থেকে আড্ডা দিয়ে বাসায় আসলাম,,
ফ্রেস হোয়ে খাটে হ্যালান দিয়ে একটু রেষ্ট নিচ্ছি,,
তখন নিলার কথা মনে পরলো,,
ওর কথা মনে হোতেই আনমনে হেসে দিলাম,,
এই দুদিনই এমন হচ্ছে,,
ভালোবেসে ফেললাম নাকি ওকে,,,
হয়তো,,
.
নিলাকে দেখার জন্য মন এমন উসখুস করছে কেনো,,
একবার গিয়ে দেখে আসি আমার বিদেশি ম্যাম কি করে,,
.
ওর রুমে চোলে গেলাম,,
কাজ নেই সারা দিন শুধু বই পড়ে,,
ওর সামনে বসলাম,,
আমিঃ কি করো,,
নিলাঃদেখতেই তো পারছেন,,
আমিঃও,,আমাকেও একটা বই দেও পড়বো,,
নিলা তার পাস থেকে একটা বই বের করে দিলো,,
আমি বইটা মেলে রেখে ওর দিকে পলক হিন ভাবে তাকিয়ে থাকলাম,,
আসলেই মেয়েটা অপরুপা,, তাকিয়ে থাকতেই মন চায়,,
নিলা হঠাৎ ই আমার দিকে তাকালো,,
আমি আবার চোখ বইতে দিলাম,,
দেখে ফেললো নাকি,,
না আবার বই পড়ছে,,
,
আমি আবার নিলার দিকে তাকিয়ে থাকলাম,,
নিলা আবার তাকালো,,
এইরে এবার দেখে ফেলেছে,,
আমি বইর দিকে তাকিয়ে আছি,,
নিলা আবার মনে হয় বই পড়ছে,,
এবার তাকানো যাক,,,
মাথা উপরে উঠাতেই দেখি নিলা আমার দিকে ভ্রুকুচকে তাকিয়ে আছে,,,
তারপর আমার বইটা হাত দিয়ে সোজা করে দিলো,,
.
মানে আমার বই এতক্ষন উলটা ছিলো,,
হায়হায় মান সমসম্মান গেলো সব,,বই উলটা ছিলো খেয়াল ই করিনি,
.
নিলা বইটা ঠিক করে আমার দিকে একই ভাবে ভ্রুকুচকে তাকিয়ে আছে,,
হয়তো জানার চেষ্টা করছে,আমার আসল উদ্দেশ্যটা কি,,
বই পড়া যে আমার উদ্দেশ্য না, সেটা এতক্ষনে বুঝে গেছে,,
.
আমিঃ সরি বলে একটা বোকা বোকা হাসি দিলাম,,
নিলা এবার চোখ বড় বড় করে আমার দিকে তাকিয়ে আছে,,
কিছু বলার আগে কেটে পড়তে হবে,,
বইটা পাসে রেখে তরিগরি করে চোলে আসলাম,,,
.
ওর সবকিছুই আমার ভালোলাগে,, কেনো তা জানি না,,
.
ওর কথা ভাবলেই মুখে আনমনে হেসে উঠি,,
প্রেমে পরলেই বুঝি এমনি হয়,,
.
.
আমিযে নিলার প্রেমে পরেছি ভাবি কিছুটা অনুমান করতে পেরেছে,,
.
যাই হোক সেদিন বিকালে দেখলাম নিলা সাদে একা মন খারাফ করে বসে আছে,, তাই আমি গিয়ে ওর গা গেসে বসলাম,,
নিলা চুপ করে আমার পাস থেকে উঠে গেলো,,
চোলে যাবে তখন,,
আমিঃপ্রিয়তমা কোথায় যাচ্ছো,,
এইবলে
ওর হাত দরে আবার আমার পাসে বসালাম,,
নিলা এক জটকায় আমার হাত ছারিয়ে
ঠাশ করে একটা চর দিয়ে উঠে দারালো,,
আমি কিছু বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।
.তারপর বলতে লাগলো,,
নিলাঃসমস্যা কি আপনার, আমার হাত দরার সাহস হয় কি করে আপনারা,,,
আমার পাসে বসার মতো জোগ্যতা আছে আপনার,,
আমিঃ???
নিলাঃকি হলো চুপ করে আছেন কেনো,, বিদেশ থেকে পড়ালেখা করে আসছি,,হেংলা মেয়ে পেয়েছেন আমাকে,,যখন ইচ্ছে হাত দরবেন যখন ইচ্ছে ফাজলামো করবেন,,একটা কথা শুনে রাখুন,,এর পর ফাজলামো করলে ভেবে চিন্তে করবেন,, না হয় এর ফল ভালো হবে না,,এ কথা বলেই নিলা কাদতে কাদতে চোলে গেলো,,
.
আমি ভাবতেও পারিনি নিলা এমন কিছু বলবে,,,
ওর মন ভালো করতে গিয়ে আজ আমার বেহাল দশা,,।
বুঝলাম না,, কান্না করার কথা আমার, সে যায়গায় নিলা কেনো কান্না করলো,,
.
মুহুর্তেই আমার হাসিখুশি মনটা বেদনায় ভরে গেলো,,,
.
বেস কিছুক্ষন আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকলাম,
তারপর নিচে চোলে গেলাম,,
.
রুমে ঢুকতে যাবো ঠিক তখনই ভাবি আমার সামনে এসে দারালো,,
ভাবির দিকে তাকাতেই দেখলাম বিরক্তির ছাপ মুখে,,
ভাবিঃ সবুজ, কাজ কিন্তু মোটেও ঠিক করিস নি,,
তোর কাছে এসব আশা করিনি আমি,,
আমার ভাবতেও ঘিন্না হয় তুই,
ছি,,
এই বলে ভাবি আমার সামনে থেকে চোলেগেল,,
আমি হাসবো না কাদবো নিজেই ভেবে পাচ্ছি না,,, ভাবি এসব বলে গেলো,,
.
নিলা, ভাবির কাছে আমার নামে বিচার দিয়েছে,,
এই সামান্য কারনে,,
.
রুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিলাম,,
.
বেস কান্না পাচ্ছে আমার,,
কিছুক্ষন কাদলাম,,
.
আসলে আমি সহজে কোনো কথা মনে নেই না,,
যারা মন থেকে কিছু বলে তাদের দারে কাছেও যাই না,,,
কাছের মানুষ দের কাছ থেকে সামান্য বকাও অন্তরে গিয়ে আঘাত করে,,
.
রাতে ভাবি কয়েক বার খাবার খেতে ডাকলো,,
না বলে দিয়েছি,,
কেনো জানি খেতে ইচ্ছে করছে না,,
বেস কিছুক্ষন পর ভাবি দরজা ধাক্কাচ্ছে,,
ভাবিঃ এই সবুজ দরজা খোল,,
আমিঃকেনো,
ভাবি ঃতোকে দরজা খোলতে বলছি,,
.
আমি উঠে গিয়ে দরজা খোলতেই দেখি……….
.
To Be Continue……

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *