বেস্টফ্রেড যখন বউ Part-5

গল্পঃ বেস্টফ্রেন্ড যখন বউ
#পর্ব_০৫

(৪র্থ পর্বের পর থেকে)

হঠ্যাৎ করেই তন্নির ঘুম ভেঙ্গে যায়, আর আমাকে ওর এতো কাছে দেখে চিৎকার দিয়ে উঠে এবং সাথে সাথে আমার মুখে ঠাসসস ঠাসসস ২ টা চড় বসিয়ে দিয়ে। তারপর রেগে চোখ মুখ লাল করে আমাকে বলতে লাগলো….

তন্নিঃ ছিঃ তুই এতো নোংরা! আমি তো তোকে ভালো মানুষ ভাবছিলাম, কিন্তু তুই যে এতো নিম্নমানের আমি তো জানতাম না। তোর সাথে কথা বলতেই আমার রাগ হচ্ছে।

আমিঃ তুই ভুল ভাবতেছিস, আমার কথা শোন……( পুরোটা বলতে না দিয়ে)

তন্নিঃ তোর কোনো কথাই আমি শুনবো না।

এমন সময় তন্নির আম্মু এসে আমাদের ডাক দেয় এবং বলে তাড়াতাড়ি নিচে যেতে নাস্তা রেড়ি। তারপর আমি আর কিছু না বলে ওয়াশরুমে চলে যাই, ফ্রেশ হয়ে এসে ওর রুমে বসে আছি। সেও কোথায় যেন গেছেন বসে বসে ভাবছি.. মানুষ করো সহজে অবিশ্বাস করতে পারে। আমি যদি জোর করে কিছু করার চেষ্টা করতাম তাহলে তো বিয়ের প্রথম রাতেই করতে পারতাম বাট ওগুলো তো আমার মনে নেই।

একটু পর তন্নি এসে আমাকে নিয়ে নাস্তা করতে গেলো, আমিও কোনো কথা না বলে চুপচাপ নাস্তা করে রুমে চলে আসলাম। এসে রেড়ি হচ্ছি কারণ তন্নিকে বাসায় দিয়ে এসে আমি আবার অফিসে চলে যাবো।

তন্নিও রেড়ি হয়ে আসলো, অতঃপর তাকে বাসায় দিয়ে আসলাম।
অফিসে গিয়ে দেখি অনেক কাজ জমে আছে, একনাগাড়ে করতে লাগলাম। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি ২.০০ টা বাজে। না এখন আর কাজ করা যাবে না। আমি উঠে নামাজ পড়লাম তারপর ক্যান্টিনে গেলাম নাস্তা খাওয়ার জন্য এমন সময় তন্নির কল আসলো…..

আমিঃ হুম বল, কি হইছে?

কিন্তু কলটা দিয়েছে বাবা, তারপর উনি বললো…

বাবাঃ তন্নি না, আমি তোর বাবা বলছি।

আমিঃ বাবা এসময় কল দিয়েছো, কিছু বলবে?

বাবাঃ তুই এখন কোথায়?

আমিঃ ক্যান্টিনে এসেছি নাস্তা করার জন্য।

বাবাঃ নাস্তা করার দরকার নেই, তুই বাসায় আয়। একসাথে খাবো।

আমিঃ কিন্তু বাবা…..

বাবাঃ কোনো কিন্তু না, তোর সাথে কথা আছে।

আমিঃ আচ্ছা ঠিক আছে আসতেছি।

এরপর আমি বাসায় চলে গেলাম, গিয়ে দেখি সবাই খাবার টেবিলে বসে আছে, মনে হচ্ছে আমার জন্য বসে আছে। আমি গিয়ে মায়ের পাশে বসলাম। খাওয়া দাওয়া শুরু হলো।

একসময় বাবা বললো….

বাবাঃ তোকে যে বলেছিলাম আমরা গ্রামের বাড়ি যাবো মনে আছে তোর? তোর দাদা দাদুর, কবর পাকা করবো।

আমিঃ হুম আছে। কিন্তু…

বাবাঃ কিন্তু কি?

আমিঃ আমি কোথাও যেতে পারবো না।

বাবাঃ আরে তুই আমাদের সাথে যাবি কেন? তোরা তো ঘুরতে যাচ্ছিস।

আমিঃ না বাবা আমরা কোথাও যাচ্ছি না। দরকার হলে তন্নিকে তোমাদের সাথে নিয়ে যাও।

দেখলাম তন্নি আমার দিকে আড়চোখে তাকিয়ে আছে। তারপর মা বললেন…

মাঃ এটা কেমন কথা, তুই না কালকে বললি তোরা ঘুরতে যাবি।

আমিঃ হুম বলেছিলাম বাট আর যাবো না,আমার কাজ আছে। সব কিছু ক্যানসেল করে দিয়েছি।

তারপর বাবা তন্নিকে জিজ্ঞেস করলো উনাদের সাথে যাবে কিনা, তন্নি না করে দিলো। আমিও আর কিছু না বলে সোজা রুমে চলে গেলাম। বিকালবেলা আর অফিসে গেলাম না।

সেদিন বিকালবেলা সানি আর আয়মানের সাথে আড্ডা দিলাম অনেকক্ষণ। এরমধ্যে আয়মান আমাকে বললো….

আয়মানঃ এই জুয়েল! তন্নি কি তোকে মেনে নিয়েছে? নাকি এখনো পাগলামি করে।

আমি টেনশন এ পড়ে গেলাম সত্যি বলবো নাকি মিথ্যা বলবো চিন্তা করতেছি। আর চুপ করে থাকা দেখে সানি বললো…

সানিঃ আমরা সব জানি! তবুও তোর মুখ থেকে শুনতে চাই। তাহলে আমরা নিজেরা কিছু করে সব কিছু ঠিকঠাক করতে পারবো মনে হয়।

সানি আর আয়মানের কথা শুনে একটু শান্তি লাগলো। আসলেই বন্ধু ছাড়া কোনো কিছু হয় না। তারপর আমি পুরো ঘটনা গুলো ওদের দুজনকে বললাম। তারপর আমি সানিকে বললাম…

আমিঃ এই সানি! ফারিয়াও তো আমাদের বন্ধু বাট তুই যে ও কে বিয়ে করেছিস সেকি তোর সাথে এমন করে?

সানিঃ আরে না, ও আমার অনেক কেয়ার করে।

আয়মানঃ আরে সানি তো বাসর রাতেই বিড়াল মেরে ফেলছে।

একথা বলে সবাই হাসাহাসি শুরু করলাম। একটু পর আয়মান আমাকে বললো…

আয়মানঃ জুয়েল শোন একটা বুদ্ধি দিই, আমার ধারণা ১০০% কাজ দিবে।

আমিঃ আরে তাড়াতাড়ি বল।

আয়মানঃ তুই আজ থেকে তন্নির কোনো কেয়ার করবি না। ও কে সবসময় এড়িয়ে যাবি, খারাপ ব্যবহার করবি। দেখবি সোজা হয়ে গেছে।

আমিঃ আরে না এটা কি করে হয়, আমি ও কে অনেক ভালোবাসি।

সানিঃ আরে ব্যাটা শোন ভালোবাসি বললে লাভ হবে না, ওর মনেও ভালোবাসা আনতে হবে।

আয়মানঃ হুম, তুই আজ থেকে ও কে এড়িয়ে যা, দেখবি ও ঠিক হয়ে যাবে।

আমিঃ আচ্ছা দেখি কি করা যায়।

এরপর আমি বাসায় চলে যাই। রুমে ঢুকালাম সাথে সাথেই তন্নির প্রশ্ন করা শুরু হয়ে গেলো…

তন্নিঃ কোথায় ছিলি এতক্ষণ?

আমিঃ অফিসে ছিলাম।

তন্নিঃ অফিস কি ১২.০০ টা পর্যন্ত হয় নাকি?

আমিঃ সেটা তোর না জানলেও চলবে। আর আমি কি করবো না করবো, কোথায় যাবো নাকি যাবো না সেটা তোকে বলতে হবে নাকি?

তন্নিঃ আমাকে বলতে হবে না, এতো রাত পর্যন্ত জেগে থাকতে আমি পারবো না।

আমিঃ তোকে জেগে থাকতে কেউ বলছে নাকি, তুই ঘুমা।

তন্নিঃ তুই আমার সাথে এভাবে কথা বলতেছিস কেন?

আমিঃ কিভাবে বলছি। সারাদিন অফিস করছি, বিরক্ত লাগছে যা।

তন্নিঃ ও এখন তো বিরক্ত লাগবে তাই না!

আমিঃ চুপ করবি নাকি কানের নিচে ২ টা দিবো?

তন্নিঃ কিহ! তুই আমাকে মারবি?

আমিঃ তোকে মারতে কি কারো পারমিশন লাগবে নাকি? চুপ কর নইলে লাথি দিয়ে রুম থেকে বাহির করবো।

দেখলাম তন্নি চোখ মুখ লাল করে শুয়ে পড়লো, মনে মনে আয়মান কে ধন্যবাদ দিলাম, আসলে আপনারা যেমনটা দেখছেন বাস্তবে আমি তেমন নই, এই ব্যবহারের মাধ্যমে যদি তন্নি ভালো হয় সেজন্যই এমন করতেছি।

আমিও আর কিছু না বলে লাইট অফ করে দিয়ে সোফায় শুয়ে পড়লাম। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলাম তন্নি বিছানায় নেই,আমি ফ্রেশ হয়ে নিচে গেলাম দেখলাম তন্নি আব্বু আম্মুর ব্যাগ আর জিনিষ গুলো রেড়ি করে দিচ্ছে।

আমি যাওয়ার পর সবাই নাস্তা করতে বসলাম, মা বললেন…

মাঃ শোন একটা কথা বলতাম।

আমিঃ হুম বলো।

মাঃ আমরা যাওয়া পর তন্নি একটু ওর বাপের বাড়ি যাবে। তুই একটু দিয়ে আসিস।

আমিঃ আমার সময় নেই, যে যাওয়ার সে একাই যাবে। আর বাপের বাড়ি থেকে কালকেই তো আসলো।

মাঃ আমরা যাওয়ার পর বাসায় তো কেই থাকবে না, তুই থাকবি অফিসে তাই বলছিলাম।

আমিঃ দেখো এতো কিছু আমি বুঝি না, ও গেলে একাই যাবে।

আর কিছু না বলে নাস্তা করে উঠে গেলাম। তারপর বাবা মাকে আমি বাস স্টপে দিয়ে আসলাম, বাসায় এসে দেখি তন্নি নেই, কল দিলাম ধরতেছে না।

আমিও আর কল না দিয়ে রেড়ি হয়ে অফিসে চলে গেলাম। দুপুরবেলা ক্যান্টিনে খাওয়ার খেতে গেলাম, বাবা মাকে কল দিয়ে জিজ্ঞেস করলাম কতো দূর গেছে। অনেকক্ষণ কথাবার্তা বলে কল কেটে দিলাম।

হঠ্যাৎ করেই তন্নির কথা মনে পড়লো, আমি এবার তন্নিকে কল না দিয়ে শাশুড়ি কে কল দিলাম….

আমিঃ হ্যালো আসসালামু আলাইকুম,

শাশুড়িঃ ওয়ালাইকুম সালাম। বাবা কেমন আছো?

আমিঃ আছি ভালো, আপনারা সবাই কেমন আছেন?

শাশুড়িঃ আছি সবাই ভালো।

আমিঃ খাওয়া দাওয়া করছেন? তন্নি খেয়েছে?

শাশুড়িঃ এই তো আমরা করতেছি, তুমি করছো?

আমিঃ জি! নাস্তা করতেছি।

শাশুড়িঃ অফিস শেষে আমাদের এখানে চলে আসিও। তোমার আব্বু আম্মুর সাথে আমার কথা হইছে।

আমিঃ কিন্তু..

শাশুড়িঃ কোনো কিন্তু না, আমি বলছি তুমি চলে আসিও।

আমিঃ আচ্ছা ঠিক আছে।

কলটা কেটে দিলাম, তারপর সানি আর আয়মান কে কল দিলাম, সব কিছু বললাম ওরাও বলতেছে চালিয়ে যাওয়ার জন্য।

রাত প্রায় ৮.০০ টা আমি ওদের বাসার সামনে গেলাম, তন্নিকে কল দিবো চিন্তা করলাম, কিন্তু দিলাম না। কলিং বেল দেওয়ার সাথে সাথে তন্নি এসে দরজা খুলে দিয়ে গেছে, মনে হয় আমার জন্যই ওয়েট করতেছিলো।

আমি শ্বশুর শাশুড়ির সাথে কথা বলে তন্নির রুমে গেলাম, আমার সাথে কোনো কথা বলতেছে না। আমি ওয়াশরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে আসলাম। একটু পর শাশুড়ি এসে খাওয়ার জন্য ডেকে গেলো, আমিও সোজা নিচে চিলে গেলাম। খাওয়া দাওয়া করে বাইরে বের হলাম। আব্বুকে কল দিলাম। অনেকক্ষণ কল দিয়ে কথা বললাম।

এরপর বাসায় আসলাম, রুমে যাওয়ার সাথে সাথে তন্নি অনেক জোরে দরজাটা লাগিয়ে দিলো….

আমিঃ কিরে এতো জোরে দরজা দিলি কেন?

তন্নিঃ তুই এখানে কেন আসছিস?

আমিঃ মানে কি! তোর মা ইতো বললো।

তন্নিঃ মা বললে আসতে হবে নাকি?

আমিঃ দেখ বেশি কথা বলবি না, তোরে দেখলেই আমার রাগ হয়। যা শুয়ে পড়।

তন্নিঃ তুই আমার রুম থেকে বের হ।

আমিঃ তুই কি আমাকে অপমান করছিস?

তন্নিঃ ধরে নে তাই, তুই আমার রুমে থাকতে পারবি না।

আমিঃ ভুলে গেছিস! সব সময় আমার রুমেই থাকিস এন্ড আমার খাটে।

তন্নিঃ তুই কি যাবি নাকি গলা ধাক্কা দিবো?

আমি আর কিছু না বলে বের হয়ে গেলাম, চিন্তা করলাম নিজের বাসায় চলে যাবো। কিন্তু এতো রাতে যাওয়া রিস্কি হয়ে যাবে। তাছাড়া শ্বশুর শাশুড়িও খারাপ মনে করবে।

আর কিছু চিন্তা না করে সোজা নিচে চলে গেলাম। অনেকক্ষণ হাটাহাটি করলাম, সময় যাচ্ছে না কিছুতেই। তারপর গিয়ে গেস্ট রুমের সোফায় গিয়ে শুয়ে পড়লাম।

সকালবেলা শাশুড়ির ডাকে ঘুম ভাঙ্গলো, আমাকে সোফায় দেখে উনি বললো…

শাশুড়িঃ কি বাবা তুমি সোফায় কেন ঘুমিয়েছো? রুমে যাওনি?

আমি কিছু বলতে যাবো, এমন সময় তন্নি কোথায় থেকে তার আম্মুকে বলে….

তন্নিঃ আম্মু তোমার জামাই কি করেছে যানো?

শাশুড়িঃ কি করেছে?

তন্নিঃ কালরাতে আমাকে গান শুনানোর জন্য বলেছিলাম, সে শুনায় নি। তাই শাস্তি দিয়েছি যে আমার সাথে আজকে ঘুমাতে পারবেনা।

আমিতো পুরা টাসকি খেয়ে বসে আছি, ফকিন্নি কতো বড় মিথ্যা কথা বললো। বাহ কি সুন্দর নিজেকে বাঁচিয়ে নিলো। তারপর শাশুড়ি আমাকে বললো…

শাশুড়িঃ বাবা আমার মেয়েটা গান পছন্দ করে তুমি মাঝে মাঝে একটু গান শুনাইও। আর তুইও (তন্নিকে) সামান্য একটা গানের জন্য বুঝি কেউ রুমে থাকতে দেয় না?

আমি দুঃখ ভারাক্রান্ত একটা হাসি দিয়ে ওয়াশরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করে অফিসে চলে গেলাম।

একটু পর আমাদের অফিসের একটা কলিগ (মেয়ে) আমার রুমের সামনে আসলো….

আবিদাঃ হ্যালো স্যার আসতে পারি?

আমিঃ আরে আদিবা আসো আসো।

আদিবাঃ থেংক্স স্যার।

আমিঃ কিছু বলবে?

আদিবাঃ বলছিলাম কি স্যার আগামী সপ্তাহে আমি একটু বাড়ি যাবো। আমার চাচাতো ভাইয়ের বিয়ে।

আমিঃ ও আচ্ছা ছুটি লাগবে এইতো?

আদিবাঃ জি স্যার।

আমিঃ কতো দিন লাগবে?

আদিবাঃ স্যার ৭ দিন হলে ভালো হতো।

আমিঃ আচ্ছা ঠিক আছে যাও দিলাম। ভালোভাবে যাবে।

আদিবাঃ ধন্যবাদ স্যার।

এরপরও দেখলাম আদিবা কিছু বলবে, কিন্তু বলছে না। শুধু ছড়পড় করছে, তাকে আমি বললাম…

আমিঃ কি কিছু বলবে নাকি?

আদিবাঃ আসলে স্যার একটা কথা বলার ছিলো।

আমিঃ সমস্যা নাই বলো।

আদিবাঃ স্যার এখানে তো আমার কেউ নেই, আপনাকে বড় ভাইয়ের মতো দেখি। যদি ভাই হিসেবে আমার একটা উপকার করতেন খুশি হতাম।

আমিঃ আরে পাগল নাকি তুমি! কোনো সমস্যা নাই, তুমি নির্ভয়ে বলো।

আদিবাঃ স্যার অনেক দিন পর বাড়ি যাচ্ছি তো আব্বু আম্মুর জন্য কিছু শপিং করবো, আর কিছু জিনিষ নিবো। আপনি যদি বিকালবেলা আমার সাথে একটু শপিংয়ে যেতেন অনেক উপকার হতো।

আমিঃ আচ্ছা ঠিক আছে যাবো।

আদিবাঃ ধন্যবাদ স্যার।

একথা বলে আদিবা তার ডেস্কে চলে গেলো। বিকালবেলা আদিবার সাথে শপিংমলে গেলাম, অনেক কিছু নিলাম, ওর বাবার জন্য ওর মায়ের জন্য। অনেক কেনা কাটা করার পর আদিবা একটা কসমেটিকস এর দোকানে গেলো। আমিও ওর পিছে পিছে গেলাম, আদিবার ব্যাগ গুলো আমার কাছে ছিলো।

কসমেটিকস এর দোকানে যাওয়ার পর আমি আর আদিবা পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ছিলাম, সেখানে গিয়ে বিশাল আকারের একটা শকট খেলাম, দেখলাম তন্নিও সেখানে তার বান্ধবীদের সাথে কি যেন কিনতেছে।

আমাকে আদিবার সাথে দেখেই……

চলবে……
To be Continue……

(পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন)

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *