ভালোবাসার ছোট গল্প । রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

ভালোবাসার ছোট গল্প

— কি দেখেন? (তিথী)
— খোলা চুল,
— অার?
— লেপটে যাওয়া কাজল,
— কাজল? 
— হুম কাজল, যে কাজল বিহীন নারীকে পরিপূর্ণ মনে হয় না!
— কাব্যিক?
— দার্শনিক,
— তা অামায় ভালো লাগার কারণ?
— অামি শুনেছি ঘৃণা করার কারণ থাকা চাই, ভালোবাসার নয়!
— চুলগুলো অগোছালো কেন?
— সব যদি গোছানো থাকে তবে অাকর্ষন থাকবে না,
— কারো অাকর্ষনের প্রত্যাশী?
— হ্যাঁ
— কার?
— চা খাওয়াবেন?
— মানে!
— বলেছি চা খাওয়াবেন? বড্ড নেশায় ধরেছে, অামার কাছে টাকা নেই। অবশ্য বাতাসা হলেও যে চলবে,
— বাতাসা?
— হুম,

[ads1]
— বাতাসা কেনো?
— কারণ বাতাসাই যে ভালোবাসা!
— বিয়ে করবেন অামায়?
— হ্যাঁ, তবে!
— তবে?
— যৌতুক চাই..
— যৌতুক? তা কি যৌতুক শুনি,
— এক চিলতে হাসি, যে হাসির অারালে লুকায়িত থাকবে সহস্র যোজন ভালোবাসা! যে হাসি থাকবে অবিকল অামার মায়ের মতো, অবিকল অামার প্রেমিকার মতো, এবং একজন পরিপূরক স্ত্রীর মতো।
— বুঝলাম!
— অক্ষম?
— সক্ষম, তবে!
— তবে?
— কিছু প্রতিশ্রুতি চাই,
— যেমন!
— প্রতিদিন যখন ব্যস্ত সন্ধ্যায় রান্না করতে করতে অামি ঘেমে ক্লান্ত হবো, তখন ঘামে ভেজা অামার ব্লাউজ-কে উপেক্ষা করে জড়িয়ে ধরে অামার গালে একটা চুমু খাওয়ার জন্যে হলেও বলতে হবে “ভালোবাসি”
— অার?
— গামছা ভেজা সকালে এবং মধ্য দুপুরে চিমটি কেটে হলেও বলতে হবে “ ভালোবাসি”
— এইটুকুই!
— হ্যাঁ কারণ পরজন্মে নয়, গত সাত জন্মের ভালোবাসা অামি এই জন্মেই পেতে চাই
— এই ভাবে তাকিয়ো না।
— কেনো?
— সাঁতার জানি না,
— অাশেপাশে তো কোথাও নদী নেই!
— “অামায় প্রণয়ের জলে হাবুডুবু খাওয়ানোর জন্য তোমার ঐ নয়ন নদী-ই যথেষ্ট ”
— চা খাবেন?
— না
— কেনো! একটু অাগেই তো খেতে চেয়েছিলেন,
— নেশারঝোঁক টা যে বেশি হয়ে গিয়েছে।
— তাহলে?
— তোমার ঠোঁট দুটো শুকিয়ে গেছে!
— সরেন তো…
.
— কাব্য 💔

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *