রাগি গার্লফ্রেন্ড যখন বউ-Part-3

রাগি গার্লফ্রেন্ড যখন বউ
লেখকঃমোঃরিফাতআলি♥ Part-03

দরজা খুলে দেখি আংকেল দাঁড়িয়ে আছে।
.
আমিঃআসসালামু আলাইকুম।
আংকেলঃওয়ালাইকুম আসসালাম।
আমিঃআসুন ভিতরে আসুন।
আংকেলঃনা বাবা আমার বাসার সময় নেই।তুমি দয়া করে আমার সাথে আমার বাসায় চলো।
আমিঃকেন?
আংকেলঃসিমি গত পরশু আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছিল।
আমিঃকি!
আংকেলঃহ্যাঁ বাবা। যখন থেকে ওর জ্ঞান ফিরেছে তখন থেকে শুধু তোমার নাম নিচ্ছে।তোমাকে না পেলে আমার মা মরা মেয়েটা আবার আত্মহত্যা করবে।
.
আমিঃত আমি করব? আজ আমি এখানে আছি শুধু আপনার জন্য।কতদিন হলো বাড়ি যায়না।
আংকেলঃআমাকে মাফ করে দাও প্লিজ আর চলো আমার সাথে। আমি ওখানে গিয়েই তোমাদের বিয়ে দিব।
আমিঃসরি পারব না আপনার বড়লোক মেয়েকে বিয়ে করতে।একদিন আপনি কি কথা আমাকে বলেছিলেন মনে আছে সেটা।
আংকেলঃবাবা আমায় ক্ষমা করে দাও।আমি তোমার পায়ে পড়ছি।
আমিঃকি কি কি করছেন? ছাড়ুন।
আংকেলঃতাহলে আমার সাথে চলো।
আমিঃঠিক আছে যাব।

ঢাকায় চলে এলাম।
আংকেল আমাকে সিমির রুমে যেতে বললো।
আমি ভিতরে গেলাম।
সিমি শুয়ে আছে।
হয়ত ঘুমিয়ে গেছে।
মাথায় হাত দিয়ে আছে তাই বুঝতে পারছিনা।
.
ভাবছি তাকে ঘুম থেকে উঠাব নাকি উঠাব না?

.
সিমির পাশে বসলাম।
আমিঃসিমি।
সিমিঃতুমি এসেছ। (জড়িয়ে ধরে)
আমিঃহুম।
সিমিঃকেন এলে? (অভিমানি সুরে)
আমিঃভালবাসি তাই ।
সিমিঃআমি যদি মারা যেতাম তাহলে কি হতো?
আমিঃধুর পাগলি। এসব কথা আর কোনদিন মুখেও আনবেনা।
সিমিঃতাহলে বলো আমায় কোনদিন ছেড়ে যাবেনা।
আমিঃযাবনা।তবে তুমি যাবেনা ত?
সিমিঃপাগল আমি শুধু তোমার।
আমিঃহুম।
সিমিঃআজকেই বিয়ে করবো তোমায়।
আমিঃকেন?
সিমিঃবলা ত জায়না কখন আবার পালিয়ে যাও।

আমিঃও।

কাজি এসে বিয়ে পড়িয়ে গেল।
সিমি অনেক জেদ ধরলো সে এক্ষুনি বিয়ে করবে।
আংকেলও বাধা দেয়নি।
যাইহোক কোনমতে বিয়েটা যাইহোক কোনমতে বিয়েটা হলো।
.
বাসরঘরে ঢুকতেই সিমি আমায় সালাম করলো।
আমিঃকি করছো? তোমার জায়গা আমার বুকে পায়ে নয়।
সিমিঃহুম।
.
সিমি বিছানায় বসে আছে আর আমি তারপাশে।
এতদিন রিলেশনে ছিলাম কোনদিন কাছে যেয়ে ভয় পায়নি।তবে আজ মনে হচ্ছে শরির বরফ হয়ে যাচ্ছে।
অনেক সাহস সঞ্চয় করে তার ঘোমটা তুললাম।
বিড়াল মারতে না পারলে আমায় ইদুর বানিয়ে চিবিয়ে খাবে পরে।
সিমিঃঘোমটা তুলতেই এতক্ষন লাগে?
আমিঃসরি রাগ করিওনা আজ।
সিমিঃরাখ তোর সরি। কাছে আই।
আমিঃনা তুমি মারবে।
সিমিঃমারব না এসো।
আমিঃনা।
সিমিঃআমার কাছে যদি না আসো তাহলে কিন্তু সত্যি সত্যিই মারব।

সিমির কাছে গেলাম।

সিমিঃকাছে আসো।

আমি গেলাম তারকাছে।
সিমিঃআমি কি খুব খারাপ?
আমিঃনা। কেন?
সিমিঃতাহলে আমাকে ভাল নাবেসে কি করছো?
আমিঃআহারে এসো বউ কাছে এসো।আদর করি।
সিমিঃবদমাইশ এভাবে কেন বলছো?
আমিঃঠিক আছে আর বলবো না।করে দেখাব।

সিমির কোমরে হাত দিতেই কেঁপে উঠলো।
সিমিকে কোলে করে বিছানায় নিয়ে গেলাম।
সিমিঃলাইট অফ করো প্লিজ। লজ্জা করছে অনেক।
আমিঃকেন আগে ত পাবলিক প্লেসেও কিস করেছ।
সিমিঃওটা এটা নাকি?
আমিঃরাগছো কেন?লাইট অফ করছি ত।
.
লাইট অফ করলাম।
.
সিমি আমার মাথার চুল খামচে ধরলো।
তার ঠোটের সাথে আমার ঠোট চেপে ধরলো।
.
তারপর যা হবার হলো। এতবলতে পারব না।

♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥

সিমিঃএই উঠো আর কত ঘুমাবে?
আমিঃআরেকটু পর উঠবো এখন তুমি যাও।
সিমিঃচুপচাপ উঠে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করতে এসো। নাহলে কি করবো তা ভালকরেই জানো।
আমিঃআচ্ছা উঠছি।
.
ফ্রেশ হয়ে বের হলাম।
সিমি এখনো দাঁড়িয়ে আছে।
সিমিঃচলো নাস্তা করবে।
আমিঃহুম চলো।
.
নাস্তা করে রুমে বসে আছি সিমির অপেক্ষায়।
অনেক দিন থেকে বাবা-মার সাখে দেখা করা হয়নি।
সিমিকে আজ বলে দেখি যাবে কিনা? নাগেলে আমি একাই যাব।
সিমি রুমে এসেই আমার কোলে বসে গেল।
সিমিঃআমার জানটার মুখ এত শুকনা কেন? কি হয়েছে?
আমিঃনা মানে অনেকদিন থেকে বাসায় যাওয়া হয়নি। তাই ভাবছিলাম আজকে একটু দেখা করতে যাব।
সিমিঃতো এত চিন্তার কি আছে? বিকালে যাব ওকে?
আমিঃহুম। লাভ ইউ।
সিমিঃএতক্ষনে মুখে মধু ফুটলো তাইনা?
আমিঃযা ভাব তাই।
সিমিঃআচ্ছা একটা কথা বলবো রাগ করবে নাতো?
আমিঃরাগ করার মতো হলে করবো।নাহলে কেন রাগ করবো?
সিমিঃআসলে আমি একটা মেয়ে নিতে চাই।
আমিঃকাকে?
সিমিঃহাদারাম কিছুই বুঝেনা। আমি আমার মেয়ে চাই।
আমিঃও। তাহলে তো এটার ব্যাবস্থা করতে হবে।

সিমিঃএই না একদম না।এখন দুষ্টুমি করিও না।

বিকালবেলা আমার নিজ বাসায় এলাম।
নিজের না বাড়িওয়ালার।
আমরা ত ভাড়াটিয়া।
যাইহোক কলিংবেল চাপ দিতেই আম্মু দরজা খুলে যাইহোক কলিংবেল চাপ দিতেই আম্মু দরজা খুলে দিল।
আম্মুর সে কি কান্না আমাকে দেখে।
ভিতরে বসে আছি আমি, সিমি আর আম্মু।
আমিঃআব্বু কোথাই?
আম্মুঃবাজারে গেছে তোর আব্বু।
আমিঃও। কখন আসবে?
আম্মুঃসন্ধ্যা প্রায় হয়ে এলো। এখনি এসে পড়বে।
.
আস্মু বলতে বলতেই কলিংবেল বেজে উঠলো।
আমি গিয়ে দরজা খুললাম।
আব্বুও প্রায় পাগলের মত হয়ে গেল।
এতদিন পর আদরের সন্তানকে কাছেপেলে যা হয়।
আম্মুর সাথে সিমির ভাব ভালই জমেছে।
আব্বুও আমাকে এটাসেটা জিজ্ঞেস করছে।
.
সবাই একসাথে খেতে বসেছি।
খাবার সময় আম্মু বললো
আম্মুঃবাবা আজকের রাতটা কি এখানে থাকতে পারবি?
আমিঃআজকে কেন? এখন থেকে এখানেই থাকবো।

আব্বুঃতাহলে ত ভালই হবে।এতদিন পর এলি।

রুমে এসে দেখলাম সিমি বিছানা ঝাগছে।
আমিঃসিমি।
সিমিঃহুম বলো।
আমিঃতুমি কি রাগ করেছো?
সিমিঃকেন রাগ করবো?
আমিঃনা মানে তোমাকে না জিজ্ঞেস করেই এখানে থাকার সিদ্ধান্ত নিলাম তাই।
সিমিঃধুর। উল্টো আমি খুব খুশি হয়েছি।এতদিনে মায়ের ভালবাসা পেলাম।আর তোমার বাবাও অনেক ভালো।
.
আমিঃআর আমি?
.
সিমিঃতুমি ত অনননননননননননন্নেক ভালো।
আমিঃতুমিও না অনেক ভালো।(পিছন খেকে জড়িয়ে ধরে)
সিমিঃউহু পাম দিয়ে লাভ নেই।আজ কিচ্ছু হবেনা।
আমিঃকেন গো বউ?
সিমিঃঅসুস্থ গো বর।
আমিঃকপি করছো?
সিমিঃহাহাহাহা হুম।নাও এখন ঘুমাও।
আমিঃআচ্ছা।
*——-
বেশ কয়েকদিন পর
সিমিঃফাইল ঠিক আছে তো?
আমিঃহুম।
.
সিমিদের অফিসেই চাকরি করি।সিমি বস আর আমি তার পি.এ।সিমি জেদ ধরেছিল যাতে আমি বসের জায়গায় বসি।কিন্তু আমি বসিনি।
সিমিকে বসিয়েছি।
.
.
সিমিঃএই শুনো?
আমিঃবলো।
সিমিঃঅফিসের সবাই নাকি পিকনিকে যেতে চায়?
আমিঃহুম।
সিমিঃতাদের বলো পোরশু কক্সবাজার যাব।
আমিঃওকে।
.
সিমির কেবিন থেকে বের হলাম তখনই একজন অচেনা মানুষ সিমির কেবিনে ঢুকে।
.
যাইহোক আমি সবাইকে বলে দিলাম ট্রিপের কথা।
.
সিমির কেবিনে ঢুকেই দেখি অচেনা ব্যাক্তিটি আর সিমি একে অপরকে জড়িয়ে ধরে আছে

আমি হালকা কাশি দিয়ে কেবিনে ঢুকলাম।
সিমি নিজের চেয়ারে বসলো আর ছেলেটা তার সামনা সামনি।
.
সিমিঃসবাইকে বলে দিয়েছো?
আমিঃজি ম্যাম।
সিমিঃআরে এটা আমার কাজিনের ফ্রেন্ড উজ্জল।এর সামনে ম্যাম ডাকতে হবেনা।
আমিঃকাজিন হলে জড়িয়ে ধরতো আলাদা কথা কিন্তু কাজিনের ফ্রেন্ডকে কে জড়িয়ে ধরে? (মনে মনে)
উজ্জলঃহাই।
আমিঃআসসালামু আলাইকুম।
.
উজ্জলেরর মুখ কালো হয়ে গেলো।
উজ্জলঃওয়ালাইকুম আসসালাম।
.
আমিঃতোমরা কথা বলো আমি বাইরে আছি।
সিমিঃতুমিও থাকো।
আমিঃনা থাক।তোমরাই কথা বলো।
.
.
কেবিন থেকে বের হয়ে আসলাম।
আমি বুঝিনা বিবাহিত মেয়ে পরপরুষকে কেন জড়িয়ে ধরবে।
আজ জড়িয়ে ধরেছে কাল আরো কিছু হতে পারে।
রাগ উঠছে সিমির উপর।
কেন জড়িয়ে ধরবে ওকে।
.
ক্যান্টিনে বসে আছি তখন একজন মেয়ে আমাকে বললো
মেয়েটাঃএই যে মি.এখানে বসে আছেন যে।
আমিঃকেন বসে থাকলে কি সমস্যা?
মেয়েটাঃকফি বানাবে কে?
আমিঃক্যান্টিকে কাজের লোক রাখা আছে তারা বানাবে।
মেয়েটাঃতাহলে বসে আছেন কেন? যান কফি নিয়ে আসুন।
আমিঃআমাকে দেখে কি কাজের লোক মনে হয়? আপনি জানেন আমি কে?
মেয়েটাঃকে?
আমিঃবসের পি.এ।
মেয়েটাঃসরি স্যার বুঝতে পারিনি।
আমিঃআমি ত ভাল পোষাক পরেই আছি। কোনদিক থেকে কাজের লোক মনে হচ্ছে?
মেয়েটাঃনা মানে কিচেনে একজন আছে। তাকে বললাম কফি দিতে। কিন্তু উনি বললেন যে এখানে যে বসে আছে তাকে বলতে।
আমিঃযে বসে ছিল সে চলেগেল একটু আগে।
মেয়েটাঃসরি স্যার।
আমিঃইটস ওকে।
.
মেয়েটা প্রায় কান্না করেদিবে এমন অবস্খা।
আমিঃকি হলো কান্না কান্না ভাব কেন?
মেয়েটাঃআসলে স্যার কেউ আমার ভুল ধরলে কান্না চলে আসে।
আমিঃআমি কিছু মনে করিনি। কফি খেয়ে যান।
মেয়েটাঃএখানে বসতে পারি কি?
আমিঃহুম।
.
আমিঃকি কফি খাবেন?
মেয়েটাঃব্লাক কফি।
.
আমি ছেলেটাকে বলে কফি আনালাম।
মেয়েটাঃস্যার আসলে আমি গত দুইদিন হলো জয়েন্ট করেছি।তাই কাউকে সেরকম চিনিনা।সরি।
আমিঃইটস ওকে।কয়বার সরি বলবেন?
মেয়েটাঃসরি আর বলবো না।
আমিঃআবার।
মেয়েটাঃহাহাহাহা।
.
মেয়েটার মাথার তার কাটা নাকি? হাসছে কেন?
আমিঃকি হলো হাসছেনন কেন?
মেয়েটাঃএমনি।
.
আমি নিশ্চিত মেয়েটার তার আমি নিশ্চিত মেয়েটার তার কাটা।
.

মেয়েটাঃকি হলো কথা বলছেন না কেন?
আমিঃকি বলবো?
মেয়েটাঃআপনার নাম কি?
আমিঃসবাই রিফাত বলে ডাকে।আপনার?
মেয়েটাঃসবাই ইতি বলে ডাকে।
আমিঃকপি করছেন?
ইতিঃহুম।
.
ইতিঃআচ্ছা আপনার ফেসবুক আইডিটা দেন তো?
আমি দিলাম।
তবে অনেকটা অবাকও হলাম বটে।
কারন সুন্দরি মেয়েরা যথেষ্ট ভাব নিয়ে চলাফেরা করে
কারো সাথে ঠিকমত কথা বলেনা।মিশেনা কারো সাখে।
কিন্তু এ মেয়ে নিজেই আগে আগে কথা বলছে।
ইতি দেখতেও সুন্দর।
.
কফি খেয়ে আমি উঠবো তখন
ইতিঃকোথায় যাচ্ছেন?
আমিঃকফি খাওয়া ত হয়েগেল। কেবিনে যাচ্ছি।
ইতিঃও হ্যাঁ। চলুন আমিও যাব।
.
আমি আর ইতি অফিসে এলাম।
ইতি তার ডেক্সে বসলো।
আমি কেবিনে গেলাম।
.
উজ্জল এখনো আছে।
.
কিছুক্ষন পরেই উজ্জল গেল।
.
সিমিঃমেয়েটা কে ছিল তোর সাথে?
আমিঃকোন মেয়ে? রেগে গেলে কেন?
সিমিঃআগে বল কে ও?
আমিঃস্টাফ।
সিমিঃওর সাথে এত হাসি কেন হুম?
আমিঃকেন আমি কি হাসতে পারব না?
সিমিঃপারবে তবে বাইরের মেয়ের সাথে না।
.
তাহলে ত আমিও তোমার উপর রাগ করতে পারি।
সিমিঃকেন কি এমন করেছি?
আমিঃউজ্জলকে জড়িয়ে ধরলে কেন?
সিমিঃফ্রেন্ড হয় ও।ধরলে ক্ষতি কি?
আমিঃতাহলে মেয়েটার সাথে হেসে কথা বললে ক্ষতি কি?
সিমিঃতুমি শুধু আমার।
আমিঃতুমিকি তাহলে সবার নািক?
সিমিঃও আমার জাস্ট ফ্রেন্ড।
আমিঃওর সাথে বিছানাতেও জাস্ট ফ্রেন্ড থাকবা তাইনা?
সিমিঃরিফাত ঠাসসস।
আমিঃসত্যি কথায় গায়ে লাগে । এর আগে কয়বার কয়টা জাস্ট ফ্রেন্ডের সাথে শুয়েছো জানতে পারিকি?
সিমিঃছোটলোক কোথাকার। তুই ছোটলোক তোর চিন্তাধারাও ছোট।
আমিঃছোটলোক হলেও মানসন্মান আছে বা রাখি।তোরমত না।নিজে পরপরুষককে জড়িয়ে ধরতে পারিস আর আমি হেসে কথা বললেই দোষ তাইনা?তোকে বিয়ে করাই ভুল হয়েছে।
.
সিমিঃতুমি আমাকে এভাবে বলতে পারলে? (কেঁদে)
আমিঃচুপ কর তুই।ন্যাকা কান্না করা হচ্ছে। ।আমার টাকা নেয় আমাকে বিয়ে করলি কেন? উজ্জলকে করতি।
সিমিঃতুমি ভুল।
আমিঃকথা বলিস না।গেলাম আমি। তুই তোরর জাস্ট ফ্রেন্ডের সাথে ঘসাঘসি কর।পর পুরুষকে কিভাবে জড়িয়ে ধরিস। ছি।
.
অফিস থেকে বাসায় চলে এলাম।
কিছুক্ষন পর সিমিও এলো।
.
সিমি কথা বলার অনেক চেষ্টা করেছে। তবে আমি কথা বলিনি।
.
সিমি ওয়াশরুমে আছে।
তখন কে যেন সিমির ফোনে কল দিল।
হয়তো অফিসের হতে পারে তাই ফোন হাতে নিলাম।
ইসক্রিন এ উজ্জল নামটা ভেসে আছে।
.
সিমিঃকে ফোন দিয়েছে গো?অফিসের নাকি?
আমিঃহ্যাঁ।খুব জরুরি ফোন এসেছে তোমার জন্য।।নাও ধরো।
.
সিমি ফোন হাতে নিল।
সিমিঃতুমি কি এখনো আমাকে ভুল বুঝছো ?
আমিঃনা বুঝার কি আছে?
সিমিঃতাহলে।
আমিঃওই ছেলেটা এতদিন কোথায় ছিল? আজকে সকালে জড়িয়ে ধরলো। রাতে ফোন দিচ্ছে।বেশি গভিরে যেতে কতক্ষণ।
.
সিমি ঠাস করে ফোনটা ভেঙ্গে দিল।
সিমিঃশান্তি হলো তোর।
আমিঃফোন ভেঙ্গে কি হবে যদি হৃদয়ে জায়গা করে নেই।
.

চলবে…

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *