রাগি গার্লফ্রেন্ড যখন বউ-Part-7

রাগি গার্লফ্রেন্ড যখন বউ♥
লেখাঃমোঃরিফাত আলি♥
#পর্বঃ07

ঠাসসসস।
সম্পূর্ণ শক্তি দিয়ে মেরেছে মনে হয়।
চড় খেয়ে মাথা ভারি হয়েগেল।
মনে হচ্ছে বাম দিক অবশ হয়েগেল।
.
আমি কেন চড় খেলাম এটা নিজেও ভাবতে পারছিনা।
.
আমিত কোন ভুল করিনি।তাহলে মারল কেন?
.
আমিঃআমাকে মারলে কেন?
.
সিমি কোন কথা বলছেনা। রাগে ফুসছে।
গাল আর চোখ লাল টগবগে হয়ে আছে।

.
সিমি যখন প্রচন্ড রাগে তখনি এমন রুপ হয়।
.
কিন্তু আমি করেছিটা কি?
.
আমিঃকি হলো সিমি? আমাকে কেন মারলে?
.
সিমিঃচুপপপ। তোর মুখে আমার নাম নিবি না। ক্যারেকটার লেস কোথাকার। (প্রচন্ড রেগে)
.
আমিঃআমি কি করলাম বলবে ত নাকি?
.
সিমিঃতুই কি করেছিস জানিস না? ন্যাকামি করছিস।
.
আমিঃআমি সত্যি বুঝতে পারছিনা।
.
সিমিঃআমার সামনে ন্যাকামি করিস না।

আমিঃএকটু শান্তভাবে কথা বলো নাহলে বেবির ক্ষতি হতে পারে।
.
সিমিঃরাখবোনা তোর সন্তান আমার পেটে।নাহলে তোর মতই ক্যারেক্টারলেস হবে।সমাজে মুখ দেখাতে পারব না তখন।
.
আমিঃএমন করছো কেন? শান্ত হও প্লিজ।
.
সিমিঃএমন কেন করছি জানিস না? সাধু সাজছিস?
.
আমিঃতুমি না বললে কেমন করে বুঝব?
.
সিমিঃতোর চাহিদা আমি পূরন করতে পারিনি শুধুমাএ তোর এই সন্তান আমার পেটে এজন্য । তোকে হারালাম শুধুমাএ এর জন্য।অকে পেটের মধ্যে ধারন করাই ভুল হয়েছে।আজ অক মেরেই ফেলব।
.
এইবলে সিমি তার পেটে আঘাত করতে যাবে তখন তার হাত ধরে ফেলি।

.
আমিঃকি করছো কি তুমি? বাচ্চাটা কি দোষ করলো আর আমিই বা কি করলাম?
.
সিমিঃতুই কি করেছিস? দেখ এসব।
.
সিমি আমাকে তার ফোন দিল।
সেখানে কিছু পিক আছে।
আমি ইতিকে সোফায় শুয়িয়ে দিয়েছিলাম তার পিক।এমন আরো পিক রয়েছে।
.
তবে এসব ত হয়েছিল ইতিকে সাহাড্যাং করেছিলাম তখন।কিন্তু ছবিগুলো এমনভাবে তুলেছে যেন মনে হয় কোন সম্পর্ক তবে এসব ত হয়েছিল ইতিকে সাহাড্যাং করেছিলাম তখন।কিন্তু ছবিগুলো এমনভাবে তুলেছে যেন মনে হয় কোন সম্পর্ক আছে।
.
সিমিঃতোকে আগেই সন্দেহ করেছিলাম ওর সাথে। এখন প্রমানটাও পেলাম।রাত করে বাড়ি ফিরতি ওর সাথে থাকার জন্য তাইনা?
আমিঃসিমি আসলে এসব সত্যি না।
.
সিমিঃচুপকর জানোয়ার। তোর জন্য এখন আমার সন্তানটাও বাবার আদর থেকে হারাবে।
.
আমিঃহারাবে মানে?
.
সিমিঃআমি তোর সাথে সংসার করব না।ডিভোর্স দিব তোকে।

আমিঃমাথা কি ঠিক আছে তোমার?
.
সিমিঃবাবা ঠিকই বলেছিল তোদের মত ছোটলোকের উপর বিশ্বাস করতে হয়না।
.
আমিঃআমার কথাটা ত শুনবে।
.
সিমিঃনা শুনব না।
সন্তান পেটে থাকা অবস্থায় ডিভোর্স নেওয়া যায়না।তবে যেদিন সন্তান প্রসব করব তার ককয়েকদিন পরেই ডিভোর্সের জন্য আপিল করব।ততদিন বাবার কাছে থাকব। আর ভুল করেও আমার সাথে যোগাযোগ করবিনা।
.
আমিঃদেখ আমার দিকে। (হাত ধরে)

সিমিঃঠাসস।ক্যারেক্টারলেস
কোথাকার। তোর সাহস হয় কি করে
আমার হাত ধরার?
.
আমিঃপ্লিজ আমার কথাটা একবার শুনো।
তারপর না হয় বুঝার চেষ্টা করো দেখ
আমি দোষ করেছি কিনা?
.
সিমিঃকিছু বুঝার নেই আর কিছু
শোনারও নেই।
.
আমিঃআরে।
.
সিমিঃসাট আপ।আর একটা কথাও মুখ
দিয়ে বের করবিনা আমার সামনে।
.
আমিঃ—-।
.
সিমিঃগুড বাই। আর কোনদিন আমার
সামনে তুই আসবিনা।তোকে দেখলেই
ঘৃনা করছে।
.
সিমি ধারাড় করে দরজা লাগিয়ে বাসা
থেকে চলে গেল।
.
তার বাবার গাড়িতে করে চলে গেল।
.
আমি এখন কি করব ভেবে পাচ্ছি না।
এত বড় দোষ চাপল আমার উপর।
তাও শুধু মাএ কয়েকটা পিক দেখে।
আমার কথায় বিশ্বাস করলে কি হতো?
এই ছিল তার ভালবাসা।
.
এখন সিমি যে রাগা রেগে আছে কি করে
বসে সেটা সে নিজেও জানেনা।এত
রাগি মেয়ে কি যে করি?
.
ডিভোর্স টা আটকাব কি করে?
.
সিমির নাম্বারে ট্রাই করেই যাচ্ছি
কিন্তু সে রিসিভ করছে না।.
ক্লক করে দিল আমাকে।

.

দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলো।
কাল থেকে না খেয়ে আছি।
.
হোটেল থেকে কিছু খেয়ে সিমিদের
বাসায় গেলাম।
সেখানে তালা মারা।
.
সিমি গেল কোথাই?
.
আশেপাশের বাসায় খোজ নিলাম।
তারাও বললো জানিনা।
.
সিমিদের অফিস থেকে চাকরি থেকে
বের করে দিয়েছে আমাকে।
.
নতুন চাকরি খুজতে হবে।
তবে তার আগে সিমিকে খুজে বের করতে
হবে।

.

১ মাস পর
.
আজ একমাস ধরে সিমিকে খুজছি। কোন
খোজ পায়নি তার।
.
এখন পকেটের অবস্থাও খারাপ।
তাড়াতাড়ি চাকরি জোগাড় করতে হবে।
নাহলে না খেয়েই মারা যাব।
..
চাকরির সুবাদে অনেকের সাথে পরিচয়
হয়েছে।দেখি তাদের কল করে।যদি কোন
ব্যাবস্থা হয়।
.
আমিঃআসসালামু আলাইকুম আংকেল।
.
আংকেলঃওয়ালাইকুম আসসালাম। তা
বাবা হঠাৎ এতদিন পর খোজ নিলে যে।
ভুলে গেছ নাকি আমাদেরর?

আমিঃনা আংকেল সেটা না।আসলে
আমার একটা চাকরির খুব দরকার। যদি কষ্ট
করে আপনার কম্পানিতে একটু কাজ
দিতেন তাহলে অনেক উপকার হবে
আমার।
.
আংকেলঃধুর পাগল। আমাকে ত তুমি পর
করে দিলে।
.
আমিঃনা মানে।

আংকেলঃহুম বুঝেছি।কাল এক তারিখ।
তাহলে কাল থেকেই তুমি জয়েন্ট করতে
পার।
.
আমিঃধন্যবাদ আংকেল।
.
আংকেলঃএই দেখ। আমাকে ধন্যবাদ
দিয়ে পর করবে না।বুঝেছ।
.
আমিঃজ্বি।
.
আংকেলঃকালকে ৮ঃ৪৫ এ অফিসে এসো

আমিঃজ্বি আংকেল আসবো।

.

কোনমতে রাত পার করে অফিসে গেলাম
.
আমিঃস্যার আসতে পারি?
.
স্যারঃনা।
.
স্যারের কথা শুনে অবাক হয়ে গেলাম।
.
স্যারঃআগে আংকেল বলো তারপর আসো।
.
আমিঃআংকেল আসতে পারি?
.
আংকেলঃআসো আসো। দাঁড়িয়ে আছো
কেন?
.
আমিঃমাথার তার মনে হয় কেটে গেছে
(মনে মনে)
.
আংকেলঃবসো।
.
আমিঃধন্যবাদ।
.
আংকেলঃএই নাও তোমার জয়েনিং
লেটার।আজ থেকেই কাজ শুরু করতে
পারবা তুমি।
.
আমিঃধন্যবাদ আংকেল।
.
আংকেলঃরিফাত তুমি ত অফিসের
কাজে অনেক অভিজ্ঞাতা অর্জন করেছ।
.
আমিঃমোটামটি।
.
আংকেলঃইদানিং আমার শরিরটা ঠিক
নেই।তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমার
মেয়েকে এখন অফিসের দায়িত্বমেয়েকে এখন অফিসের দায়িত্বটা দিব।
.
আমিঃও।
.
আংকেলঃতুমি একটু তাকে সাহায্য করে
দিও।
.
আমিঃযথাসাধ্য চেষ্টা করব।
.
আংকেল আর আমি কথা বলছি তখন কেউ
বলে উঠলো
.বাপি আসতে পারি?
আংকেলঃআরে তুই হঠাৎ করে এলি যে?
.পিছনে তাকিয়ে দেখি বৃষ্টি দাঁড়িয়ে
রয়েছে।
.তারমানে বৃষ্টি রহিম আংকেলের
মেয়ে!
.বৃষ্টিও আমাকে দেখে ফেললো।
.
বৃষ্টিঃতুমি এখানে কি করছো রিফাত?
.
আংকেলঃতুই ওকে চিনিস?
.
বৃষ্টিঃহ্যাঁ। আমার ভার্সিটির ফ্রেন্ড।
.
আংকেলঃতাহলে ত আরো ভাল হলো।
.
বৃষ্টিঃহুম।
.
আংকেলঃচল সবাইকে পরিচয় করিয়ে দি
তোর সাথে।
.
বৃষ্টিঃচলো।

.

পরিচয় শেষ করে আমি আমার ডেক্সে
গিয়ে বসলাম।আংকেল চলে গেছে।বৃষ্টি
এখন থেকে বস।
.
কাজ করছিলাম তখন
পিয়নঃম্যাডাম আপনাকে ডেকে
পাঠিয়েছে।
.
আমিঃআপনি যান আমি আসছি।
.
.
আমিঃম্যাম আসতে পারি?
.
বৃষ্টিঃজ্বি আসুন।
.
ভিতরে গেলাম।
.
বৃষ্টিঃবসো।
.
আমি বসলাম।
.
বৃষ্টিঃতা হঠাৎ করে এখানে জয়েন করলে
কেন? তোমার বউয়ের ত অফিস আছে।
.
আমিঃসরি ম্যাম।আপনাকে পার্সোনাল
কিছু বলতে পারব না।
.
বৃষ্টিঃঐ ম্যাম কি? তোমার বন্ধুনা
আমি?
.
আমিঃএখন আপনি আমার বস।তাছাড়াও
মধ্যবিত্ত কোরদিন বড়লোক দের বন্ধু হতে
পারেনা।
.
বৃষ্টিঃকি হয়েছে তোমার? এভাবে কথা
বলছো কেন?
.
আমিঃকিছু হয়নি আমার। আপনি কিছু
বলবেন কি?
.
বৃষ্টিঃকেমন আছো?
.
আমিঃভাল। আপনি?
.
বৃষ্টিঃভাল।তোমার বউ কেমন আছে?
.
আমিঃ—-।
.
বৃষ্টিঃকি হলো?
.
আমিঃজানিনা।এখন আমার সাথে থাকে
না।
.
বৃষ্টিঃকেন?
.
আমিঃরেগে আছে তাই।
.
বৃষ্টিঃবলেছিলাম না রাগি মেয়ে বিয়ে
করলে পস্তাবে।আমাকে বিয়ে করলেই ত
পারতে।
.
আমিঃআমি এসব শুনতে আসিনি।কিছু
কাজ থাকলে বলেন।
.
বৃষ্টিঃ না নেই।এখন যেতে পার।
.
আমিঃথ্যাংকস।
.
উঠে চলে আসছিলাম তখন দরজার কাছে
গিয়ে ধাক্কা খায়। একটা মেয়ের সাথে
ধাক্কা খেয়েছি।
আমি সরি বলে চল আসলাম।
.
বৃষ্টিঃঐ মেয়ে দেখে চলতে পার না।
ধাক্কা দিলে কেন ওকে?
.
মেয়েটাঃসরি ম্যাম।
.
বৃষ্টিঃযাক এখন আমার রাস্তা ক্লিয়ার।
রিফাত তোমাকে এবার নিজের করেই

ছাড়ব (মনে মনে)

আমি কাজ করছি
তখন আমার ডেক্সে কেউ জোরে বাড়ি
দিল।
তাকিয়ে দেখি সেই মেয়েটা যার সাথে
ধাক্কা খেয়েছিলাম।
.
আমিঃজ্বি আপু কিছু বলবেন?
.
মেয়েটাঃরাখ তোর আপু। তোর কারনে
আমাকে বকা খেতে হলো।
.
আমিঃআমি কি করেছি?
.
মেয়েটাঃতুই ধাক্কা দিয়েছিলি আর
ম্যাডাম সেটার জন্য আমাকে বকা দিল।
.
আমিঃওহ সরি। বুঝতে পারিনি।
.
মেয়েটাঃহুম ঠিক আছে।আমি মাইশা।
আপনি?
.
আমিঃরিফাত।
.
মাইশাঃনতুন নাকি?
.
আমিঃজ্বি।আজকেই জয়েন্ট করেছি।
.
মাইশাঃহুম।
.
.
মাইশা আমার কলিগ।
.
কাজ করছি তখন
মাইশাঃএই যে মি.?
.
আমিঃজ্বি বলেন।
.
মাইশাঃআপনার পাশে এত সুন্দরি মেয়ে
বসে আছে তারপরেও কথা বলছেন না যে।
.
আমিঃকে সুন্দর?
.
মাইশা আমার কথা শুনে রেগে গেল।
আমার প্রশ্নটাই অযোগ্তিক ছিল।কারন
সে যথেষ্ট সুন্দরি।
.
মাইষাঃআমাকে কি সুন্দর মনে হয়না?
(ভ্রু কঁুচকো)
.
আমিঃহ্যাঁ সুন্দর ত।
.
মাইশাঃতাহলে একটু আগে কি বললেন?
.
আমিঃকাজ করছিলাম ত। তাই হয়ত
অমোনযোগে বলে ফেলেছি।
.
মাইশাঃহু।

.

আজকের মত অফিস শেষ করে বাসায়
এলাম।
এভাবেই চলতে থাকলো।
চলতে চলতে একবছর পার হয়েগেল ।
.
অফিসে প্রত্যেকদিন বৃষ্টির প্যাচ
প্যাচানি শুনতে হয়।
আর মাইশা ত আছেই।
.
দিনের বেলায় সিমির কথা খুব একটা মনে
না পড়লেও প্রত্যেকদিন রাতে একাকি
সময়ে সিমির কথা খুব মনে পড়ে।
.
এতদিনে হয়ত আমার সন্তাও হয়েগেছে।
ছেলে হয়েছে? নাকি মেয়ে?
সিমি কেন বুঝলোনা আমাকে?
সিমির জায়গায় আমি থাকলে হয়ত আমিও
সিমিকে বিশ্বাস করতাম না।
কারন পরিস্থিতিটাই এমন।
.
.
অফিসে বসে আছি তখন আমাকে আমার
পাশের জন
রাজঃভাই।
.
আমিঃজ্বি বলেন।
.
রাজঃমাইশার ব্যাপারটা একটু দেখলেন
না যে।
.
আমিঃওহ সরি।আসলে কাজের চাপে
বলা হয়নি।
.
রাজঃভাই দয়া করে একটু দেখেন। আর
সহ্য হচ্ছেনা।
.
আমিঃআচ্ছা লাঞ্চ টাইমে দেখব।
.
রাজঃওকে ভাই।
.
পিয়নঃস্যার আপনাকে ম্যাডাম ডেকে
পাঠিয়েছে।
.
আমিঃকাজটুকু করে আসছি।
.
.
আমিঃম্যাম আসতে পারি?
.
বৃষ্টিঃআসো।
.
গেলাম ভিতরে। আমাকে বসতে বললো।
.
বৃষ্টিঃতোমাকে কতদিন বারন করব
আমাকে ম্যাম না ডাকার জন্য।আর
আপনি করে কেন বলো?
.
আমিঃআপনি মালিক আমি কর্মচারী।
তাই যেমন ভাবে মালিকের সাথে
থাকতে হয় আমি তেমন থাকি।
.
বৃষ্টিঃআমাকে বিয়ে করে মালিক হয়ে
যাও।
.
আমিঃপার্সনাল ব্যাপারে না আমিঃপার্সনাল ব্যাপারে না যাওযায়
ভাল।
.
বৃষ্টিঃএতদিন থেকে তোমার পিছনে পড়ে
আছি।তারপরেও কেন বুঝনা আমি
তোমাকে ভালবাসি।
.
আমিঃভাল ত সিমিও বাসত। আপনার
থেকেও বেশি।তবে কেন সে আমাকে
ছেড়েগেল? আমি ত আমার বাচ্চাটাও
দেখতে পায়নি।
.
বৃষ্টিঃআহ সিমি সিমি সবসময় শুধু সিমির
কথা বলো কেন? কি আছে ওর মধ্যে যা
আমার মধ্যে নেই? (রেগে)
.
আমিঃআপনি কি চান আমি রিজাইন
লেটার জমাদি আপনার কাছে?
.
বৃষ্টিঃতা কেন চাইব?
.
আমিঃআপনি যদি আর কোনদিন আমার
সামনে এসব নিয়ে কথা বলেন তাহলে
আমি চাকরি ছাড়তে বাধ্য হবো।
.
বৃষ্টিঃওকে আর বলব না।
.
আমিঃথ্যাংকস। এবার বলেন কেন ডেকে
পাঠিয়েছেন?
.
বৃষ্টিঃকালকে মিটিং আছে রাত ৮ঃ০০
টায়।আর সেটার দায়িত্ব তোমাকে নিতে
হবে।
.
আমিঃজ্বি। এখন যেতে পারি?
.
বৃষ্টিঃহুম।
.


লাঞ্চ টাইমে আমি আর মাইশা সামনা
সামনি বসে আছি।
.
আমিঃমাইষা।
.
মাইশাঃহুম বলো।
.
আমিঃএকটা কথা বলব?
.
মাইশাঃহুম বলো।
.
আমিঃরাজ ছেলেটা কেমন?
.
মাইশাঃভালই।
.
আমিঃনা মানে তোমার কেমন লাগে
তাকে?
.
মাইশাঃভালো(লজ্জায়)
.
আমিঃছেলেটা তোমায় খুব ভালবাসে।
তুমি কি তাকে পছন্দ করো?
.
মাইশাঃহুম(লজ্জায়)
.
আমিঃহয়েছে এত লজ্জা পেতে হবেনা।
.
আমিঃরাজ যাও মাইশা অপেক্ষা করছে।
.
রাজঃভাই লাইন ক্লিয়ার আছে ত?
.
আমিঃহাহাহাহা হুম।
.
রাজঃথ্যাংকস ভাই। গেলাম।

.

আজকে মিটিং আছে। খুবই গুরুত্বপূর্ণ
মিটিং।
দেরি করা যাবেনা।
.
হোটেলে
বৃষ্টিঃকি ব্যাপার এত দেরি হলো কেন?
.
আমিঃগাড়ি পাচ্ছিলাম না।
.
বৃষ্টিঃকত করে বললাম আমার গাড়িটা
রাখো। না মহারাজ নিবোনরাখো। না মহারাজ নিবোনিবো।
.
আমিঃআমরা মিটিংয়ে এসেছি।ভুলে
গেছেন কি?
.
বৃষ্টিঃনা।চলো।

.

মিটিংরুমে ঢুকে দেখি ইতি বসে আছে।
ওকে দেখেই রাগে শরির গজগজ করতে শুরু
করলো আমার।
.
ওর কারনেই আজ আমি পরিবার থেকে
আলাদা রয়েছি।
.
মিটিংরুমে দাঁতে দাঁত চেপে বসে আঁছি।
এখানে সিনক্রিয়েট করা যাবেনা।
.
ইতি মনে হয় আমাকে দেখে অবাক
হয়েছে।
মনে হচ্ছে আমাকে কিছু বলতে চাই।
.

যাই বলুক। তোকে আমি দেখে নিব ইতি।
.
.
তাদের সাথেই আমাদের মিটিং
তাহলে।
.
কিছুক্ষনের মধ্যেই মিটিং শুরু হবে।
.
তবে এখনো তাদের বস আসেনি।তাই শুরু
হচ্ছেনা।
.
রুমের দরজা খুলে সিমি এলো।
সিমি!সিমি এখানে?
সিমিকে দেখে মনের মধ্যে অজানা এক
উত্তেজনা কাজ করছে।
.
অবশেষে সিমির দেখি পেলাম।
.
সিমিও এতক্ষনে আমাকে দেখে
ফেলেছে।
.
সিমি বারবার তাকাচ্ছে আমার দিকে।
আমি এক ধ্যানে তারদিকে তাকিয়ে
আছি।
.
হঠাৎ রুমে

চলবে…

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *