রোমান্টিক ডিভোর্সি বউ vs অহংকারী ছেলে। Romantic Love Story

রোমান্টিক ডিভোর্সি বউ vs অহংকারী ছেলে
লেখক সালমান হাসান অপি
(পার্ট_ ২য় এবং শেষ )

জান্নাতঃআল্লাহ তুমি আমারে কেন এই দুনিয়াতে পাঠাইলা জন্মের পর মা বাবার ভালবাসা পায়নাই অনাথ আস্রমে বড় হয়ছি জিবনে ভালবাসা কি জিনিশ সেটা ও অনুভব করতে পারলাম না মেয়ে হয়ে জন্মানো টা কি এতো অপরাধ!
সবাই খালি আমাকে অপমানি করলো জিবনে সুখ কি জিনিশ জানিনা,, একজন কে ভালবাস ছিলাম ভাবছিলাম সুন্দর করে গুছিয়ে সংসার করবো আমি আর ১০টা ৫টা মেয়ের মতো সুখে থাকবো !!!
সেও দিলো ধোকা
.যাও প্রথমে ওর সাথে এক জায়গাতে বিয়ে হয়ছিলো বিয়ের দিন রাতেই আমাকে সে বিক্রি করে দিলো অন্য কারো কাছে এতো ভালবাসা আর বিশ্বাস করে তাকে বিয়ে করলাম আর সে কিনা আমাকে এই ভাবে ধোকা দিয়ে অন্য কারো হাতে তুলে দিলো,, কোনো রকম জিবন বাঁচিয়ে ওই খান থেকে পালিয়ে আসলাম আমার ভালবাসাতে তো কোনো ভেজাল ছিলনা তাইলে কেন আমার সাথে এমন হলো, যাও এসে জব খুঁজতে লাগলাম কোথাও পাইলাম না যাও একটা জব করলাম বস টা ছিল অনেক ভালো যে নিজের পিতার মতো আমাকে ভালবাস তো,, পাগল হয়ে গেলো তার ছেলের সাথে আমাকে বিয়ে দিবে
আমি তো বল্লাম স্যার কে যে সে আমাকে মানবে না কোনোদিন তারপর জুড় করে বিয়ে করতে বল্লো!
আর সে আমাকে প্রতি টা সময় অপমান করতেই আছে আমাকে অপমান করে কি পাবে
সে যার জিবন টাই অপমানকর লাঞ্ছনা যার জিবনে আর কি অপমান করবে!!
আল্লাহ আমি তোমার কাছে কিছু চাইনা তুমি আমার স্বামীকে সব সময় ভালো রাখো সে না মানলে ও,, আমি তো মানি,, যে বাবা আমাকে নিজের মেয়ের মতো ভালবাসে পরিবার কি জিনিশ আমি জানতাম না আমাকে একটা পরিবার দিছিলো কিন্তু সে টা আমার কপালে নাই!
আল্লাহ তুমি আমাকে মেরে ফেলো আমি আর এই জিবন চাই না তুমি আমাকে মেরে শান্তি দাও তাইলে আমার স্বামীও শান্তি পাবে সে কারো কাজ থেকে শুনতে হবে না যে বিবাহিতা ডিভোর্সি বউ এই কথা টা!!
আমি:ওর কথা গুলা শুনে নিজের অজান্তে চোখ দিয়ে জল পরতে লাগলো নিরব নিস্তব্ধ হয়ে গেলাম একটা মেয়ের জিবনে এতো টা কস্ট থাকতে পারে নিজেকে অনেক টা অপরাধি মনে হয়তাছে দেখি ওর দোয়া শেষ পর্যায়ে তাড়াতাড়ি গিয়ে শুয়ে পড়লাম অনেক চেষ্টা করলাম কিন্তু কিছুতেই ২চোখ এক করতে পারলাম
মেয়েটার জিবনে এতো কস্ট আর এই সব ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়লাম মনে নেই!!!!
সকালে কারো আওয়াজে ঘুম ভাঙলো!!
ছোট ভাই:ভাইয়া এই ভাইয়া উঠ অফিসে যাবিনা??
আমি:হুম যাইবো তো!!
ছোটঃকখন যাবি কয় টা বাজে তুই জানিস??
আমি:হয়ছে তুই নিচে যাতো, আর হে কিরে তোর ভাবি কয় আজ তুই আসলি??
ছোট:ভাবি তো আম্মুর সাথে রান্না করতাছে?
আমি:ও আচ্ছা তুই যা!!
তারপর ফ্রেশ হয়ে গেলাম নিচে গিয়ে দেখি সবাই আমার জন্য বসে আছে কিন্তু জান্নাতের দিকে অনেক বার তাকাইলাম ও আমার দিকে এইবার ও ছেয়ে দেখে নাই আগে অনেক বার তাকিয়ে থাকতো ওর মুখের হাসিটাই যেনো আমি কেড়ে নিলাম মেয়ে টা কে এমন দেখে আমার ভিতরে কেমন জানি ব্যথা অনুভব হতে লাগলো অনেক টা কস্টো লাগতাছে কিন্তু কেনো আমার এমন লাগতাছে আমি কি তাইলে ওর???????
খেয়ে গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকলাম এমনি ও আসছে!!!
আমি:শুভ সকাল জান্নাত??(এই বলে গাড়ির দরজা টা খুলে দিতে লাগলাম!!
জান্নাত:হুম শুভ সকাল !(এই বলে ও পিছনে গিয়ে বসতে যাইতাছে!
আমি:ওই তুমি কয় যাও??
জান্নাত:কেন পিছনের ছিটে??
আমি:না তুমি আমার পাশে এসে বসো??
আমার এই কথা শুনে মনে হয় ও আসমান থেকে পড়ছে!!আমি কি হলো দাঁড়িয়ে আছো কেন আসো??
জান্নাত:না আমি এই খানে ঠিক আছি আপনার পরে সমস্যা হয়বো??
আমি:ওই তুমি এতো কথা বলো কেন তোমাকে এই খানে আসতে বল্লাম না (ধমকের স্বরে)
জান্নাত:হুম আসতাছি!!
তারপর ও এসে বসলো!!
আমি:তোমার কোমরের বেল্ট টা বাধো ??
জান্নাত:হুম!!
অনেক চেস্টার পর ও বেল্টা বাধতে পারে নাই ওর লিলা দেখে আমার হাসি পেট ভরে গেলো কিন্তু হাসলাম না!!
আমি:দাও আমি বেধে দিচ্ছি!!
জান্নাত:হুম!!
ওর বেল্টা যখন বাধতে লাগলাম ওর নিষ্পাপ ঘ্রাণে আমার শরীল শিরণ হয়ে উঠলো ওর শ্বাসের আওয়াজে কোথাও জেনো হারিয়ে গেলাম!!
যাইহোক ওকে নিয়ে অফিসে গেলাম!!
আমিঃতুমি যাও আমি গাড়ি টা পার্কিং আসতাছি সাবধানে যাইবা? [ads1]

জান্নাত:হুম!!
আমার কথা যতই শুনতাছে ও তোতো টাই অবাক হয়তাছে!!!
আমি:কি হলো দাঁড়িয়ে আছো কেন যাও??
জান্নাত:হুম যাইতাছি!!
আমি:সাবধানে?
জান্নাত:হুম!!
তারপর গাড়ি রেখে অফিসে এসে ওর সাথে অনেক কাজ করতে লাগলাম কিন্তু একবার ও খারাপ আচরণ করিনাই আমি তো ওকে যতই দেখছি ওর প্রতি ততোটা দূর্বল হয়ে পড়তাছি
!!
জান্নাত:আপনি lunch করেন আমি বাহিরে যাই??
আমি:বাহিরে মানে?
জান্নাত:আমি বাহির থেকে করে আসি আপনার খাবার সময় হয়ে গেছে??
আমি:তো কি হয়ছে তুমি বসো আমার সাথে বসে lunch করবে?
জান্নাত:কিহহ কিন্তু আপনি তো এটা ভালো পান না???
আমি:আজ থেকে আমাকে তুমি আপনি নয় তুমি করে বলবা??
জান্নাত:মানে??
আমি;কিসের মানে হুম তুমি আমাকে তুমি বলবা ব্যস??
জান্নাত:কিন্তু?
আমি:কোনো কিন্তু না আমি যে টা বলছি সেটা করবা আর বেশি কথা না বলে খেতে আসো আমার সাথে??
জান্নাত:আচ্ছা তুমি করে বলবো তুমি খাও তো আমি পরে খাবো??
আমি:ওই বসো! (ওর হাত টা ধরে বসাইয়া ২জন এক সাথে খাইতে লাগলাম)
আমি:তুমি কাঁদো কেন??
জান্নাত:কয় নাতো!!!
আমি:(মনে মনে জানি এটা তোমার খুশির কান্না এখন থেকে আর তোমাকে কান্না করতে হবে না তোমার জিবন কে আমি সুখ দিয়ে ভিড়িয়ে দিবো আর একটু অপেক্ষা করো)
তারপর খেয়ে ২জন এক সাথে কিছু ফাইল দেখে বিকালে!!
আমি: চলো বাসাতে??
জান্নাত:কেনো তোমার শরীল ভালোনা খারাপ লাগতাছে??
আমি:হুম চলো!
জান্নাত:ডাঃ কাছে আগে চলো??
আমি:না ডাঃ লাগবেনা আগে বাসাতে চলো এক বন্ধুর বিয়ে তে যাইবো???
জান্নাত:ও আচ্ছা চলো!!!
ওকে বাসাতে নিয়ে গিয়ে!!
আমি:জান্নাত তুমি উপরে যাও?
জান্নাত:হুম।
আমি:আপু জান্নাত কে এক্টু রেডি করে দে তো??
আপু:কেন কোথাই যাইবি???
আমি:আমি ওকে নিয়ে ঘুরতে যাইবো???(আমার কথা শুনে মনে হয় বাসার সবাই আসমান থেকে পড়ছে আর পড়বেই না কেন বলেন বিয়ের পর তো একদিন ও জান্নাত কে নিয়ে ঘুরতে যাইনাই)
আপু;কি??
আমি:কেন তুই শুনতে পারিস নাই কানে??
আপু:হুম আমি এখনি যাইতাছি!!
তারপর আপু ওকে সাজিয়ে নিয়ে আসছে আমি তো চোখ ফিরাইতে পারতাছিনা পুরা একটা নীল পরী আমার সামনে হাজির যা সুন্দর লাগতাছে না বলে বুঝাতে পারবো না সব কিছু ম্যাচিং করে পড়ছে!!!!
আপু:কিরে হা করে আছিস কেন হুম??
আমি:কয় নাতো??
আপু:হুম আমি দেখছি তো??
আমি:তুই তো বেশি দেখিস!!
আমি:জান্নাত চলো??
জান্নাত:হুম!!
বাড়ি থেকে বাহির হওয়ার পর!!?
জান্নাত:আপনার বন্ধুর বিয়েতে আমাকে নিয়ে যাওয়া টা কি ঠিক হবে অনেক মানুষে অনেক রকম কথা বলবে আপনাকে??
আমি:আবার আপনি??
জান্নাত :সরি তুমি!!
আমি: ও হ্যালো এই নিয়ে তোমাকে ভাবতে হবে না বুঝলা কে কি বলবে আমি দেখবো আর আমি নস্ট বা বাজে মেয়ে কে নিয়ে যাইতাছিনা নিজের!!☺☺
জান্নাত: নিজের কি??
আমি:কিছু না চলো??
জান্নাত: আমি জানি আমার জন্য তোমার অনেক সমস্যা হয়তাছে চিন্তা করোনা আর কিছুদিন পর চলে যাবো তোমাকে ডিভোর্স দিয়ে মুক্ত করে দিবো তখন আমার জন্য তোমাকে আর কেও ডিভোর্সি জামাই বলবে না ???
আমি:(মনে মনে আরো কয় যাইবা তুমি তোমাকে আমি জেতে দিলে তো কিছুক্ষণ পর তোমার জন্য কতো বড় একটা সারপ্রাইজ আছে তুমি নিজে ও জানোনা ) আচ্ছা!!।
তারপর ওকে নিয়ে একটা পার্কে ডুকে গেলাম!!?
জান্নাত:এই খানে আসলা কেন??
আমি:দরকার আছে কিছু তুমি দাড়াও আমি এখনি আসতাছি??
জান্নাত:হুম!
জান্নাত হয়তো ভাবতাছে আমি ওকে এই খানে নিয়ে আসলাম কেন!!
আরে তোমার জন্যতোই এই খানে আসলাম কারো বিয়ে নাই এটা তো এমনি বল্লাম এই খান থেকে লাল টক টকে ফুল দিয়ে তোমাকে যখন জড়িয়ে ধরে বলবো I love u jannat, আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি হে আমি তোমাকে অনেক যত্ন করবো আমি আমার বউ অনেক ভালবাসি যখন এই লাল গোলাপ ফুল গুলা নিয়ে জান্নাতের সামনে যাবো ও নিশ্চয় চমকিয়ে যাবে!! আমি তো এটাই চাই যে তুমি চমকিয়ে যাও!!
যাইহোক অনেক গুলা ফুল কিনে নিয়ে যাইতে লাগলাম!
গিয়ে তো আমি পুরা অবাক কি বেপার জান্নাত কই গেলো ওর তো এই খানেই থাকার কথা ওর জুতা গুলা পড়ে আছে কিন্তু ও কই ওকে আমি খুঁজতে লাগলাম কোথাও পাইতাছিনা ওর কিছু হয়ে যাইনাই তো আমার কপালে চিন্তার ভাজ পরে গেলো!!!!!

কোথাও জান্নাত কে খুঁজে পাইতাছি না আস্তে আস্তে আমার চিন্তা বেড়েই যাচ্ছে!!
হঠাৎ চিৎকার আসে বাচাও!
আরে এটা তো জান্নাতের আওয়াজ কিন্তু কোথাই থেকে আসতাছে!!
ওকে খুঁজতে লাগলাম পার্কের এক কোনাতে ওকে নিয়ে চলে যাইতাছে ৪লোকে!!!
আমিঃ ওই কে তোরা ওকে কোথাই নিয়ে যাইতাছিস দাড়া বলছি??
কে শুনে কার কথা ওরা ওকে নিয়ে যাইতাছে,
আমি দৌড়ে গিয়ে!!
আমিঃ ওই তোরা কেরে হুম ওকে নিয়ে কয় যাইতাছিস??
ওরাঃ কে মানে হুম তুই কে আর ঝামেলাতে আইছোস কেন??
আমিঃ আবে হালা আমার বউকে নিয়ে যাইতাছোস আবার বলিস আমি কে তোদের সাহস তো কমনোই??(আমার কথা শুনে জান্নাত অবাক হয়ে আছে থাকবে না কেন কোনোদিন তো ওকে আমি আমার বউ বলে পরিচয় দেয়নাই)
ওরাঃ হাহা তুই ওর স্বামী তুই ওকে বিয়ে করলি কি ভাবে ওর আগের স্বামী ওকে আমাদের কাছে বিক্রি করে দিছে অনেক দিন ধরে ওরে খুঁজতাছি আজ পাইছি আজাইরা প্যাঁচাল না যা ভাগ???
আমিঃ না যাবোনা ওকে রেখে আমি চলে যাবো তোরা ভাবলি কি করে! (এই বলে ওদের থেকে কেড়ে নিয়ে আসলাম)
ওদের সাথে আমার হাতা হাতি ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে গেলো এক পর্যায়ে ওদের একটা পকেট চাকু ডুকাইতে যাইবে এমনি পিছনে ফিরে দেখি জান্নাত মাটিতে পড়ে আছে ওর পেট দিয়ে অনেক রক্ত গড়িয়ে পরতাছে!!!
আমিঃ ওই কুত্তার বাচ্চারা তোরা কি করলি এটা??
ওরা সবাই দৌড়ে পালিয়ে গেলো!!
আমিঃ জান্নাত এই জান্নাত তুমি আমার দিকে থাকাও তোমার কিছু হবে না??
জান্নাতঃ তুমি এতো ভয় পাচ্ছো কেনো তোমার কোনো সমস্যা হবে না??।
আমিঃ ওই চুপ থাকো তুমি তোমার কিছু হবে না আমি কিছু হতে দিবোনা তোমাকে!!
এই বলে আমি ওকে গাড়িতে নিয়ে তুল্লাম!!
এইতো এসে পড়ছি আর একটু তুমি চোখ খোলা রাখো বন্ধ করোনা আর মাত্র ২মিনিট প্লীজ চোখ টা খোলা রাখো???
জান্নাতঃ তুমি এতো ঘাবড়াইতাছো কেন হুম আজ আমি কস্ট থেকে মুক্তি পাইতে যাইতাছি??
আমিঃ ওই তুমি প্লীজ এমন কথা বলো না (কান্না করে)
আর একটু ??!!
জান্নাতঃ হুম,!!!
তারপর ওকে মেডিকেলে নিয়ে ভিতরে গেলাম!!
ডাঃ প্লীজ ওকে বাঁচিয়ে তুলুন ওর যাতে কিছু না হয় ওর কিছু হলে যে আমি ও??
ডাঃ হুম আমরা চেষ্টা করবো আপনি চিন্তা করবেন না এই খানে বসেন আপনি??
আমিঃ জি!!
তারপর আব্বু আম্মু সবাইকে ফোন করে বলে দিলাম!!
কিছুক্ষণের মধ্যে ওরা এসে পরবে!!!
আম্মুঃ কিরে কি ভাবে হয়ছে এমন??
আমিঃ হটাৎ করে কিছু ছেলে আমাকে ধরতে আসে মারতে যখনি আমাকে চাকু মারতে যাবি এমন সময় জান্নাত আমার সামনে চলে আসে ওর কিছু হলে আম্মু আমি নিজেকে ক্ষমা করতে পারবোনা অনেক অন্যায় করছি ওর সাথে???
আম্মুঃ চিন্তা করিস না বাবা ঠিক হয়ে যাবে??
আমিঃ আল্লাহ তুমি আমার জান্নাত কে বাঁচিয়ে দাও একটি বাড়ের মতো আমাকে সুযোগ দাও আমার অন্যায় গুলার ক্ষমা চাইতে ওর পাশে থাকার সুযোগ দাও আল্লাহ আমাকে(মনে মনে)।
ডাঃ রোগীর সাথে কে ওনার O নেগেটিভ রক্ত লাগবে অনেক রক্ত ক্ষয় হয়ছে??!
আমিঃ আমার Oনেগেটিভ রক্ত ডাঃ যা রক্ত লাগে সব দিয়ে দেন কিন্তু ওকে বাঁচিয়ে দেন??!!!
ডাঃ হুম আসেন!!
তারপর গেলাম গিয়ে দেখি ওর মায়াবিনী চেহারা আরো বেশি মায়া লাগতাছে আজ একদম নিষ্পাপ শিশুর মতো ওর রক্তে আমার সাদা শার্ট লাল রঙে রঙিত হয়ে আছে!!!!
ওকে রক্ত দিয়ে আমার আর জ্ঞান নাই জ্ঞান ফিরে দেখি আমি অন্য রুমে তে আছি!
আমিঃ আপু জান্নাত কোথাই ও কেমন আছে??

>নিশ্চুপ………………
আমিঃ তুই চুপ করে আছিস কেন কথা বলিস না কেন??
>নিশ্চুপ………………
আমিঃ কি হলো কথা বল(রাগি স্বরে)
আপুঃ আরে বাবারে বউয়ের জন্য পুরা পাগল হয়ে গেছে গিয়ে দেখ ওই রুমে একদম ঠিক আছে এখন???
আমিঃ এই কথা টা বলতে তোর এতোক্ষণ লাগে এমন সময় তুই মজা করতে আসছিস আমার তো প্রাণ বাহির হয়ে যাইতাছিলো!!
আপুঃ হুম তা দেখতে আছি যা!!!
তারপর গেলাম ওই রুমে আমি যাওয়া মাত্রয় আম্মু আব্বু বাহির হয়ে গেলো আর জান্নাত শুয়ে আছে।
আমিঃ জান্নাত তুমি ভালো আছো?এখন!!
জান্নাতঃ হুম ভালো আছি তুমি এতো চিন্তা করতাছো কেন তুমি জানো আজ আমি মারা গেলে আমার কাছে অনেক ভালো লাগতো??
আমিঃ কি থাপ্পড় দিয়া সব দাঁত ফেলে দিবো তুমি মারা গেলে আমি কি নিয়ে থাকতাম কাকে নিয়ে বাছতাম??
জান্নাতঃ মানে??
আমিঃ আমি যে তোমাকে অনেক ভালবাসি আর তোমাকে ছাড়া যে আমি বাছতে পারতাম না??
জান্নাতঃ হয়ছে আর মিথ্যা বলা লাগবোনা আমাকে এখন মিথ্যা শান্তনা দেওয়া লাগবোনা তা তুমি বিয়ে তে গেলে না কেন???
আমিঃ তুমি কি বল্লা হুম সত্যি বলতাছি অনেক অনেক ভালবাসি তোমাকে আমি (জড়িয়ে ধরে ওকে)আর কার বিয়ে কিসের বিয়ে হুম কোনো বিয়ে টিয়ে ছিলনা পার্কে তো আমি তোমাকে নিয়ে ঘুরতে গেছিলাম আর তখন তোমার জন্য ফুল আনতে গেছিলাম নিয়ে এসে তোমাকে প্রপোজ করতে আসছিলাম পরে দেখি তুমি নাই যানো আমার প্রাণ টা বাহির হয়তাছিল????
জান্নাতঃ এতো ভালবাসো আমাকে??
আমিঃ হুম অনেক!!
জান্নাতঃ হয়ছে মহারাজ আমাকে ছাড়েন এইবার মানুষে দেখলে কি বলবে??
আমিঃমানুষে কি বলবে মানে আমি আমার বউ ধরছি মেডাম অন্য কাওকে না!!!
জান্নাতঃ হয়ছে আর ভালবাসা দেখাইতে হবে না এখন ছাড়েন আব্বু আম্মু আসতাছে??!!
আমিঃ হুম!!!
আর দেখতে দেখতে ৪বছর কেটে গেলো!!
ওতো আমাকে ছাড়া কিছুই বুঝেনা আমি ও বুঝিনা সকালে বাসাতে আসতে না আসতে অফিসে জান্নাত ২০বার ফোন করছে কি করি না করি ঠিক মত অফিসে আসলাম কিনা এখন তো আর জান্নাত অফিসে আসে ও বাসাতে সবাই কে সামলাই !!!
কাজ করতে করতে দুপুর হয়ে গেলো এমনি ফোন টা ভেজে উঠলো !!
আমিঃ হেলো হুম বলো??
জান্নাতঃ lunch করছো তুমি??
আমিঃ হুম এখন করবো??!
জান্নাতঃ কি এখনো করোনাই তাড়াতাড়ি যাও বলছি??
আমিঃ হুম যাইতাছি!!তুমি করছো??
জান্নাতঃ তুমি জানো না তুমি না করলে আমি করি না??
আমিঃ তোমাকে না বল্লাম তুমি করে ফেলবে??
জান্নাতঃ না করবোনা তুমি আগে করো আর বেশি কথা বলবানা বলে দিলাম তুমি না খাইলে আমি খেতে পারি???
আমিঃ জি মহারানী আমি করতাছি আপনি ও করে ফেলেন??
জান্নাতঃ হুম!!!
পুরা পাগল একটা মেয়ে খাওয়ার পরেও ফোন দিবে সত্যি ওকে আমার জিবনে পেয়ে আমি অনেক খুশি আর ভাগ্যমান মানুষ, ও যদি আমার জিবনে না আসতো তাইলে জিবনের মানে কি জিবন কি ভালবাসি কি জিনিশ কিছু বোঝতাম না।
আমার অগুছানো জিবন টা কে গুছিয়ে তুলার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ জান্নাত আমাকে পরিপূর্ণ তা করার জন্য!!!
#সমাপ্ত
কেমন হলো অবশ্যয় জানাবেন আপনাদের জানা নিতে আগ্রহ বারবে লিখতে মন চাইবে,আর নয় তো ভাল লাগবেনা আর গল্প লিখতে…………..

ছাত্রী যখন আদরের বউ 

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *