সিনিয়র ভাবি যখন বউ । রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

সিনিয়র ভাবি যখন বউ

কখনো ভাবিনি নিজের ভাবীকেই বিয়ে করতে হবে। কিন্তু, পরিস্থিতির স্বিকার হয়ে বিয়ে করতে হয়েছে। এখন আমি ছাদে দাঁড়িয়ে আছি। একটু পরেই আমার বাসর। শুধু আমার না আমার আর ভাবীর। এখন তো ভাবী না বউ।
কিন্তু, আমার চিন্তা হচ্ছে নীলাকে নিয়ে। আমার গার্লফ্রেন্ড। যাকে আমি প্রথম দেখায় ভালোবেসে ফেলেছিলাম। আর তারপর প্রেম। নীলা তো আমাকে তার জীবনের চেয়েও বেশী ভালোবাসে। নীলাকে এখন কি বলব? নীলা কি মেনে নিবে সেটা?
– কিরে এখনো দাঁড়িয়ে আছিস? রুমে যা।
আম্মুর কন্ঠে পিছনে ফিরে তাকালাম।
– হুম।
– তুই কি আপসেট?
– নাহ, এটাতো আমার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।
– হুম। যা রুমে যা।
আমি ছাদ থেকে নিচে আসলাম। রুমের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছি। কি করব ভাবতে পারছি না? সাহস জুগিয়ে দরজা ঠেলে রুমে ডুকলাম। রুমে ডুকে দেখলাম ভাবী জানালার পাশে বসে বাইরের দিকে তাকিয়ে আছে।
– এহেম…।
ভাবীর দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য। মিরা আমার দিকে তাকাল। তার দৃষ্টি একেবারেই শান্ত। কিভাবে? মেয়েটা নিজেকে ধমিয়ে ও রাখতে পারে।
– কাব্য তুমি এসেছো। কোথায় ছিলে এতক্ষণ? ( শান্ত কন্ঠে বলল)
– ছাদে ছিলাম। তুমি জানালায় দাঁড়িয়ে কি করছো? ঘুমওনি?
– নাহ, কি করে ঘুমাই বল? ( গলায় যেন কথা আঠকে গেল)
আমি কিছু বললাম না।
– আচ্ছা কাব্য। আমার সাথেই এমন কেনো হল? কি দোষ করেছি আমি?
ধুকরে কেঁদে উঠল।
– কেঁদো না প্লিজ….।
– তোমার জীবনটাও নষ্ট করে দিলাম। তুমি এখন নীলাকে কি জবাব দিবে?
ভাবীকে আমি নীলার কথা শেয়ার করতাম।
– এতে তোমার কোনো দোষ নেই। তুমি নিজেকে দোষারোপ করো না প্লিজ।
মিরা কেঁদেই চলছে।
– কাঁদবে না প্লিজ। যাও ঘুমিয়ে পড়। অনেক রাত হয়েছে।
– হুম। ( ভাঙা ভাঙা গলায়)
ভাবী বিছানায় গুটিশুটি মেরে শুয়ে পড়ল। আমি জানালার পাশে দাড়ালাম। ভাবীকে তো খুব ভালো ভাবেই শান্ত্বনা দিলাম। এখন নিজেকে শান্ত করি কি করে?
.
নীলা আমাকে প্রতারক ভাববে না তো। কি করবো এখন?
কি করার আছে আমার?

জানালার পাশে দাঁড়িয়ে নীলার কথাই ভাবছিলাম। নীলা কি আমাকে প্রতারক ভাববে? কি করতে পারি আমি এখন? হঠাৎ কাধে কারো হাতের স্পর্শ অনুভব করলাম। পিছনে ফিরে তাকিয়ে দেখলাম মিরা ..।
– নীলার কথা ভাবছিলে?
আমি মাথা নাড়ালাম
– এখনো ঘুমওনি? [আমি]
– না, আমার ঘুম তো সেদিনই চলে গেছে। যেদিন থেকে নিশান নিখোঁজ।
.
নিশান। নিশান আহম্মেদ। আমার ভাইয়া। আজ ৪/৫ থেকে নিখোঁজ অনেক খোঁজাখুঁজিরর পরও পাওয়া যায়নি। জানিনা কোথায় আছে ভাইয়া?
.
আমি কিছু বললাম না। জানালার দিকে হয়ে বাইরের দিকে তাকিয়ে রইলাম।
– আমাকে নীলার সাথে দেখা করিয়ে দিতে পারবে।
আমি ভ্রু কুচকালাম।
– কেনো?
– ভয় পেয়ো না। আমি কিছু করব না। নীলাকে বুঝিয়ে বলব। নীলা কি জানে?
– জানি না। হয়তো জেনে গেছে।
– ওও, চিন্তা করো না আমি বুঝিয়ে বলব। তুমি আমাদের দেখা করিয়ে দিয়ো।
– হুম।
তারপর কিছুক্ষণ নিরবতা।
– তুমি ভাইয়াকে খুব ভালোবাসতে তাই না ভাবী। [আমি]
ভাবী শুধু আমার দিকে তাকালো। চোখের পানিগুলো শেষ হয়ে গেছে। ভাইয়া নিখোঁজ হওয়ার পর ভাবী পুরো পাগল হয়ে যাচ্ছিল। আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হয়েছে। প্রতিদিন রাতেই কাঁদত বোধ হয়। সকালে চোখ দেখেই বোঝা যেত।
– তোমার আর নীলার মাঝে আমি বাধা হয়ে দাঁড়ালাম। তাই না?
– না না, এটাতে তোমার কোনো দোষ নেই। এই সময় তোমাকে সাপোর্ট দেয়া খুবই জরুরি। যেটা আমার দায়িত্ব। [মুখে স্ফিত হাসি এনে বললাম]
– তুমি তো নীলাকে ভালোবাসো তাহলে আমাকে বিয়ে করতে রাজি হলে কেনো?
আমি কিছু বললাম না।
– তুমি চুপ থাকলে ও। আমার সেটা অজানা নেই।
আমি প্রশ্নসূচক দৃষ্টিতে তাকালাম।
– আম্মুর কথায়।
হুম এটা একটা কারন অবশ্য। আম্মু মিরাকে নিজের মেয়ে হিসেবে ধরে নিয়েছে। আর ভাইয়ার তো কিছু হয়নি। তাহলে ভাবীকে তার আব্বুর বাসায় যেতে হবে কেনো? কিন্তু, ভাইয়াকে তো খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে না। তাই ভাবীকে এখানে রাখার জন্য এটাই একমাত্র কার্য। আমার সাথে বিয়ে দেয়া। আর এমন সময় ভাবীর সাপোর্ট প্রয়োজন।
– ঠিক বললাম।
– হুম। তবে..
– তবে কি?
ভাবী প্রশ্নসূচক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে আমার দিকে।
– আরোও একটি কারন আছে?
– আমি যেটা ভাবছিলাম সেটাই কি?
– তুমি কি ভাবছিলে?
– আমার অনাগত সন্তানের জন্য।
আমি মাথা নাড়ালাম।
হুম মিরা প্রেগন্যান্ট। ৪/৫ মাসের হবে।
মিরা কিছুক্ষণ আমার দিকে তাকাল। তারপর…
– জানো, কাব্য তুমি অনেক ভালো।
– কি জানি? হয়তো।
– আমি ভেবেছিলাম তুমি আমার উপর বিরক্ত। কিন্তু, তুমি আমাকে খুব ভালো ভাবেই সাপোর্ট দিচ্ছ। আমি ভাবলাম তুমি শুধু আম্মুর কথা রাখার জন্য বিয়েটা করেছ। কিন্তু…। সত্যি তুমি খুব ভালো।
– আচ্ছা, তোমার এখন রেষ্টের প্রয়োজন ভাবী। ঘুমিয়ে পড়ো যাও।
– বোকা। সবার সামনে ভাবী ভাবী করবে নাকি। আম্মু এতে কষ্ট পাবে।
– তাহলে…
ভাবী কিছুক্ষণ ভাবল,
– নাম ধরে ডাকতে পারো।
– নাম ধরে!! 😲
– হুম। সমস্যা নেই তো?
– না, কিন্তু।
আমি মাথা চুলকাতে লাগলাম।
– আচ্ছা, যাই ডাকো সবার সামনে ভাবী ডেকো না শুধু।
– ওকে, যাও শুয়ে পড়ো। গুড নাইট।
– গুড নাইট।
আমি গিয়ে সোফায় শুয়ে পড়লাম। কিন্তু, মিরা জানালার পাশেই দাঁড়িয়ে রইল।
– কি হলো ঘুমুবে না? [আমি]
– ঘুম আসবে না।
– কেনো? [আমি]
– প্রতি রাতে তো নিশান আমার মাথায় হাত বুলিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিতো। এখন তো নিশান নেই। তাই ঘুমও নেই।
– কিন্তু, তোমার তো ঘুমানো প্রয়োজন।
– কিন্তু, আমার তো ঘুম আসবে না।
– এক কাজ করতে পারি।
– কি?
– আমি মাথায় হাত বুলিয়ে দিই। ঘুমিয়ে পড়ো।
মিরা আশ্চর্য হয়ে তাকাল আমার দিকে। ইতস্তবোধ করছে। নিজেকে অপরাধী মনে করছে।
– কি হলো?
– না না, লাগবে না। আমি ঘুমুতে পারব।
– কিভাবে?
– চেষ্টা করলে এমনিতেই ঘুম আসবে।
আমি সোফা থেকে উঠে মিরার কাছে গেলাম।
– আমি জানি তোমার ঘুম আসবে না। চল আমি মাথায় হাত বুলিতে দিচ্ছি।
আমি মিরার হাত ধরে টেনে বিছানার দিকে যেতে লাগলাম। মিরা অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে আমার দিকে। কিছু বলতে পারছে। আমি মিরাকে শুইয়ে দিয়ে মাথায় হাত বুলাতে লাগলাম।
মিরা লজ্জায় চোখ বুঝে নিল। মিরার কেমন কেমন লাগছে। এতোদিন দিন নিশানের সাথে সংসার করল। আর এখন তার আপন ছোট ভাইয়ের সাথে….। ছিঃ। নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছে মিরার।
.

মিরা ঘুমিয়ে গেলে আমি উঠে। সোফায় গিয়ে শুয়ে পড়ি। কখন ঘুমুলাম মনেই নেই। যখন ঘুম ভাঙল চোখ খুলে দেখলাম সকাল হয়ে গেছে। হাত-পা উপরে তুলে বড় করে হাই তুললাম। বিছানার দিকে তাকিয়ে দেখলাম মিরা এখনো ঘুমিয়ে আছে। ঘুমন্ত অবস্থায় পরীর মতো লাগছে। কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলাম। মোবাইলটা হাতে নিয়ে অন করলাম। নীলার ১০ টা মেসেজ দেখে আমার চোখ চড়কগাছ। মেসেজ ওপেন করলাম,
১ম – কংগ্রেস মিঃ কাব্য।
২য় – আপনার বিবাহিত জীবন সুখী হোক।
৩য় – তুমি কি জানতে না যে, আমি তোমাকে কতোটুকু ভালোবাসতাম। কেনো এমন করলে আমার সাথে। কি দোষ করেছিলাম আমি? আমার অপরাধটা কি ছিল ?
৪র্থ – ইউ আর এ চিটার কাব্য। ইউ আর এ লায়ার।
৫ম – সেদিন কি বলেছিলে মনে আছে। জীবন চলে গেলেও আমাকে তোমার কাছ থেকে কেউ আলাদা করতে পারবে না। এই তার নমুনা?
– লাষ্ট একটা জিনিসই চাই, তুমি সুখে থাকো।
মেসেজগুলো পড়ে আর বুঝতে বাকি রইল না যে, নীলা আমার বিয়ের ব্যাপারটা জেনে গেছে।
– শিট…এখন কি করে বুঝাবো নীলাকে যে, আমি নিজ থেকে এই বিয়ে করতে চাই নি।
কি করে বোঝাবো? উফফ! কি করি এখন? সত্যিইই নীলা আমাকে অনেকটাই ভালোবাসে। তাই হয়তো ব্যাপারটা সহ্য করতে পারেনি। তাড়াতাড়ি করে নীলার ফোনে কল করলাম। নাহ! বন্ধ দেখাচ্ছে। নীলা তাহলে সত্যি আমাকে প্রতারক ভেবে নিল। আমি আর কি করতাম? কিন্তু, নীলা যাই করোক? নীলাকে ছাড়াতো আমি থাকতে পারব না। আম্মুকে নীলার কথাটা বলা হয়নি। বলার সময় পাইনি। হঠাৎ করেই বিয়েটা হয়ে গেল।
– কাব্য, কোনো সমস্যা?
নীলাতেই মগ্ন ছিলাম। হঠাৎ কারো কন্ঠ শুনে চোখ তুলে তাকালাম। মিরা দাঁড়িয়ে আছে।
– উঠে, পড়েছো?
– হুম, বললে না তো।
– না, তেমন কিছু না।
– আমি জানি সমস্যাটা।
আমি অসহায় দৃষ্টিতে তাকালাম মিরার দিকে। মেয়েটার আশ্চর্য এক ক্ষমতা আছে, মনে কথা বুঝে নিতে পারে।
– নীলা বিয়ের ব্যাপারে জেনে গেছে তাই না?
আমি মাথা নাড়ালাম।
– হুম।
– ভয় পেয়ো না। তুমি শুধু আমার আর নীলার যোগাযোগ করিয়ে দিয়ো। বাকিটা আমি দেখে নিবো।
– হুম।
– আচ্ছা মনে থাকে যেনো।
বলে মিরা ওয়াসরুমে ডুকল। ফ্রেস হয়ে বেরিয়ে এলো।
– ফ্রেস হয়ে নিচে আসো।
বলে মিরা নিচে চলে গেলো। আমি বুঝি না মেয়েটা আমার কেয়ার করছে না আমি মেয়েটার কেয়ার করছি।
.
ফোনটা হাতে নিয়ে নীলার ফোনে আরেকবার ট্রাই করলাম। নাহ, সংযোগ বন্ধ দেখাচ্ছে। এই মেয়েটাও না একটুতে অভিনয় করে ফেলে। কিন্তু, এই ব্যাপারটাতো একটু না অনেক বড়ই। কারো ভালোবাসার মানুষের অন্য কারো সাথে বিয়ে হয়ে গেলে কেউই স্বভাবিক থাকে না। নীলাকে নিয়ে প্রচুর টেনশন হচ্ছে। আমার এমন কর্মকান্ডে অনেক কষ্ট পেয়েছে মেয়েটা। এসব ভাবতে ভাবতেই ওয়াসরুমে ডুকলাম।
.
মিরা নিচে নেমে এলো। খুব অস্থির লাগছে নিজেকে। রাতে একটুও ঘুময়নি। কাব্য ভেবেছিল আমি ঘুমিয়ে পড়েছি। কিন্তু, আমি ঘুমইনি। কি করে ঘুমুবে মিরা? এতোদিন যার স্পর্শে ও ঘুমের দেশে তলিয়ে যেতো এখনতো সেই নেই। তাহলে মিরা ঘুমুবে কি করে?নিশান কি আর ফিরে আসবে না? যদিও আসে তাহলে শুনে যদি ওর ছোট ভাইয়ের সাথে আমার বিয়ে হয়েছে তখন কি ভাববে? নিশ্চয়ই খারাপ ভাববে। মিরা ভাবে, ওর জন্যই কাব্য ওর ভালোবাসাকে হারাতে চলেছে। নিজেকে কঠোর শাস্তি দিতে ইচ্ছে হচ্ছে মিরার। যে করেই হোক নীলার কাব্যের ভালোবাসা সহজ করে দিতে হবে। সমস্যার সমাধান করতে হবে।
.
আমি ফ্রেস হয়ে একটা শার্ট পড়ে নিচে নামলাম। বাসাটা বেশ উৎসব মুখর। তেমনটা না হলেও একমত আর কি? যতই হোক ছোট ছেলের বিয়ে। নিচে নামতেই দেখলাম মিরা আর আম্মুর মধ্যে কথোপকথন চলছে।
– কিরে মা এতো তাড়াতাড়ি ঘুম ভেঙে গেলো? [আম্মু]
– হুম।
ছোট্র করে উত্তর দিলো মিরা। আম্মু মিরার থুঁতনি ধরে মুখটা উঁচু করে ধরলেন।
– তুই কিন্তু আমাকে প্রমিস করেছিলি। নিজেকে শক্ত রাখবি। নিশানের কথা ভেবে কষ্ট পাবি না। [যদিও আম্মুর চোখে পানি আছে। তবুও বললেন। ]
– তাহলে তুমি কাঁদছ কেনো আম্মু? [মিরা ভাঙা গলায় বলল ]
আম্মু ধুকরে কেঁদে উঠল।
– আমার ছেলেটা এখন কোথায় আছে কে জানে?
কাঁদতে কাঁদতে বললেন।
– আম্মু, তোমার যেমন কষ্ট হচ্ছে। আমারও তেমনি কষ্ট হচ্ছে। তাহলে আমি নিজেজে সহজ করব কি করে বলো?
আম্মু মিরাকে জরিয়ে ধরে কেঁদে দিলেন। দুজনেই কাঁদছে।
– আম্মু, কাব্যকে এসবের মধ্যে জড়ানোর কি দরকার ছিল?
– তোর মতো এতো ভালো আর মিষ্টি মেয়েকে হারাতে চাই না যে তাই।
মিরা আম্মুকে জরিয়ে ধরল শক্ত করে।
– কিন্তু, কাব্যের জীবন আর ভবিষ্যৎটা যে নষ্ট করে দিলে।
– আমার বিশ্বাস এতে কাব্যের জীবন নষ্ট নয় বরং আরোও ভালো হবে। সুন্দর হবে। যার তোর মতো একটা বউ আছে তার জীবন নষ্ট হয় কিভাবে?
মিরা নির্লিপ্ত দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে আম্মুর দিকে।
– আচ্ছা যা এখন টেবিলে গিয়ে বস। আমি নাস্তা রেডি করাচ্ছি।
আম্মু আমার দিকেই আসল। আমাকে দেখতেই মিষ্টি একটা হাসি দিলেন।
– ঘুম ভাঙল তোর?
– হুম।
– যা, টেবিলে যা।
আমি টেবিলের দিকে না গিয়ে একটু বাইরের দিকে গেলাম। নীলাকে ফোনে ট্রাই করলাম। দেখি পাই কি না?
কিন্তু, না এখনো সুইচড অফ দেখাচ্ছে।
.
হঠাৎ করে আরেকবার ট্রাই করতেই ফোন ডুকে গেলো। ২/৩ রিং হওয়ার পর রিসিভ ও করল,
– হ্যালো নীলা…।[আমি]

 

পার্ট-১

সিনিয়র ভাবি যখন বউ পার্ট-২

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *