সিনিয়র বউ । সিনিয়র বউ রোমান্টিক গল্প,

সিনিয়র বউ
১৭ এবং শেষ পার্ট
,
এতগুলো মানুষের মাঝে থেকে কি করে একটা বাচ্চা হারিয়ে যায়,,,
কিছুই মাথায় আসছে না ,,,

একটু পরেই আমি এসে পৌছালাম ,,,
আমায় দেখে রুহী দৌড়ে এসে
আমায় জড়িয়ে ধরলো ,,,

“”” সুমন আমার রোজাকে এনে দাও,,, আমার রোজাকে আমার কাছে ফিরিয়ে দাও,,, ওকে ছাড়া আমি বাঁচতে পারবো না ,,,

আমার চোখ দিয়ে পানি ঝড়ছে ,,,
এই অবস্থায় আমি কি করবো কিছুই বুঝতে পারছি না ,,,

“”” আপনারা এতজন থাকতে একটা মেয়ে কি করে হারিয়ে যায়,,, ( রিয়াকে বললাম)
“”” আমরা সবাই ড্রেস,,, ( তুবা)
“”” চুপ থাকো,,, ( তুবাকে থামিয়ে দিয়ে)
“”” তুমি প্লিজ আমার রোজাকে এনে দাও প্লিজ ,,
“”” আশেপাশে সব জায়গায় খুজেছো,,,
“”” হুম ,, তুমি আমার রোজা কে এনে দাও,,,

“”” স্যার চলেন পুলিশে রিপোর্ট করি,,, ( নয়ন)
“”” হুম চলো,,,


পুলিশের কাছে রিপোর্ট করে
হোটেলে আসলাম ,,,

রুহী প্রচুর কান্না করছে ,,,
আমার ও চোখের পানি বাঁধা মানছে না ,,
চার দিকটা কেমন ফাঁকা লাগছে ,,
রুমের ভিতর কত আলো,,
তবুও রুমটা অন্ধকার মনে হচ্ছে ,,,

রুহী আমার ফোনটা নিয়ে কাকে যেন ফোন দিলো,,,

“”” হ্যালো,,,

কন্ঠ শুনে বুঝলাম এটা আব্বু ,,
কিন্তু রুহী কান্না করেই যাচ্ছে ,,,
কোনো কথা বলছে না ,,,

“”” রুহী কি হইছে মা,, কাদছিস কেন,,,
“”” আব্বু ,,,
“”” বল মা,,, সুমন কিছু বলছে ,,,
“”” আব্বু রোজা হারিয়ে গেছে ,,,,
“”” কি??? কিভাবে ,,,
“”” জানি না আব্বু ,, আমার সাথে শপিং করতে গেছলো,,,
“”” দেখে রাখবি না,,

আব্বুর কন্ঠ ও ভেজা ভেজা লাগছে ,,
আব্বু ও কান্না করছে ,,,

“”” আব্বু তুমি আমার রোজাকে এনে দাও,,, ওকে ছাড়া আমি বাঁচবো না,,,,
“”” সব জায়গায় খুঁজছিস ,,,
“”” হুম ,,, আব্বু তুমি আমার রোজাকে এনে দাও না ,, প্লিজ ,,,
“”” সুমন কে ফোন দে,,,

আমি রুহীর থেকে ফোনটা নিলাম ,,

“”” হ্যাঁ আব্বু বলো,,,
“””” বাচ্চা একটা মেয়ে কিভাবে হারিয়ে যায়,,,
“”” আমি ছিলাম না আব্বু ওদের সাথে ,,,
“””সব জায়গায় খুজেছিস,,,
“”” হ্যাঁ ,, প্রায় সব জায়গা,,,
“”” ওহহ,,, পুলিশকে জানাইছিস,,,
“”” হুম ,,,
“”” আচ্ছা আমি কাল আসবো,,,
“”” আচ্ছা ,,,


রোজার হারিয়ে যাওয়ার জন্য সবার আনন্দ মাটি হয়ে গেছে ,,,
পরের দিন সবাই কে কক্সবাজার পাঠিয়ে দিলাম,,
শুধু আমি রুহী আর নয়ন থাকলাম ,,,

রুহী সব সময় কান্না করে
আমি আর নয়ন প্রতি দিন সব জায়গায় পাগলের মতো রোজাকে খুঁজে বেড়াচ্ছি,,,

রাতে আব্বু আসলো,,,
আব্বু আসার পর
আব্বু সহ পুলিশের কাছে গেলাম ,,,

“”” একটা বাচ্চা মেয়েকে খুঁজে দিতে পাচ্ছেন না,,, কি করেন আপনারা,,, ( আব্বু )
“”” দেখুন আমরা যথেষ্ট চেষ্টা করছি ,,,
“”” আর কতদিন লাগবে,,,
“”” সেটা বলতে পারছি না ,,, তবে দেশের যা পরিস্থিতি এখন,, যদি কোনো খারাপ মানুষের হাতে পরে তবে,,,,
“”” চুপ থাকুন ,,, ( আমি )
“”” বাজে কথা না বলে তাড়াতাড়ি খুঁজে বের করুন ,,, ( আব্বু)
“”” দরকার পড়লে আরও পুলিশ নিয়োগ করুন ওকে খুজতে ,,,
“”” আমরা চেষ্টা করছি তো,,,
“”” যত টাকা লাগবে আমি দিবো,,, আপনারা আমার মেয়ে কে এনে দিন,,,
“”” টাকা দিয়ে তো সব কিছু হয় না,,, ও যদি পৃথিবী আর না থাকে,, তবে,,,
“”” অফিসার মুখ সামলে কথা বলুন ,, আপনি জানেন কি বলছেন,,,,
“”” সরি,, আমি জানি ,,, আপনাদের অবস্থা স্বাভাবিক নেই ,,, আপনারা আসুন ,, আমরা কোনো খবর পেলে জানাবো,,,
“”” ওকে ,,,

হোটেলে চলে আসলাম,,,
রুমের বেল বাজাতেই রুহী দরজা খুললো,,,
মনে হয় দরজার পাশেই বসে ছিলো,,,

“”” আব্বু পুলিশ কি বললো,,
“”” ( আব্বু চুপ হয়ে আছে ,, )
“”” আমার রোজাকে খুঁজে দিবে তো,,, বল না কি বললো,,,
“”” ওরা বললো বর্তমানে যে মাথা কাটার দল বের হইছে তাদের হাতেও পরতে পারে,,,
“”” কখনোই না ,,, আমার রোজা বেঁচে আছে ,,, তুমি চুপ করে আছো কেন ,,, কিছু বলো না ,,, আমাদের রোজার কিছু হয় নি,, তাই না ,, বলো না ,, বলছো না কেন ,,,
“”” হুম পাগলী আমাদের রোজার কিছু হয় নি ,, ও খুব তাড়াতাড়ি আমাদের কাছে চলে আসবে ,,,


কান্না করতে করতে
কথা গুলো বললাম,,,
রুহী আমায় শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো ,,,

“”” আমার রোজাকে এনে দাও প্লিজ ,, তুমি যা বলবা তাই করবো,, কোনো দিন অফিসে যাবো না ,, সারাদিন রোজার সাথে থাকবো,,,
“”” হুম ,, দিবো রোজাকে এনে দিবো,,,

যখন নিজেই ভেঙে পরছি তখন আবার নতুন করে নিজেকে শক্ত হয়ে রুহীকে শান্তনা দিতে হচ্ছে ,,,
পাশেই আব্বুর চোখ দিয়ে ঝর্ণা বইছে,,,

কি করবো এখন আমি,,,
কিভাবে শান্তনা দিবো,,
আর আমাকেই বা কে শান্তনা দিবে,,,
আল্লাহ আমাদের কি পরীক্ষা নিচ্ছো,,,
আমরা কি এমন পাপ করছিলাম যার সাজা তুমি আমাদের এভাবে দিচ্ছো,,,
ঐ একতটা প্রান ছাড়া বাকী চারটা প্রাণ যে
বেচে থেকেও মরে যাবে ,,,
প্লিজ আল্লাহ আমার রোজাকে ফিরিয়ে দাও ,,,


দুই দিন থেকে রুহী আমি কেউ তেমন কিছু খাই নি ,,,


শুয়ে আছি
কখন যেন চোখ গুলো বুঝে আসছে ,,,
মাঝরাতে হঠাৎ করেই ঘুম ভেঙে গেলো,,,
উঠে দেখি রুহী নামাজ পড়া শেষ করে মুনাজাত করছে ,,,
আমি উঠে ওর পাশে গিয়ে বসলাম ,,

“”” আল্লাহ আমার যত পাপের শাস্তি তুমি আমায় দাও,,, আমি সহ্য করে নিবো,,, কিন্তু আমার মেয়ে কে আমার থেকে নিয়ো না,,, আমি মরেই যাবো,,, আমি না হয় অনেক পাপ করছি কিন্তু আর মানুষ গুলো ,, তারা তো অনেক ভালো ,,, তুমি তাদের জন্য রোজাকে ফিরিয়ে দাও ,,,, ওর আম্মু ডাকটা না শুনলে আমার কলিজাটা ছিড়ে যাবে,,, আল্লাহ তুমি তো সব পারো প্লিজ আমার রোজাকে ফিরিয়ে দাও ,,, জীবনে কখনো কিছু চাইবো না,, তুমি প্লিজ আমার রোজাকে ফিরিয়ে দাও ,,,

আরও অনেক কিছু বললো,,,
রুহীর চোখের পানি দিয়ে ওর হাত ভিজে গেছে ,,,

ওর কথা শুনতে শুনতে কখন জানি না আমার চোখে পানি ঝড়তে শুরু করছে বুঝতে পারি নি ,,,

পরের দিন
রোজাকে খুজতে বের হবো
এমন সময় পুলিশের থেকে ফোন আসলো,,,

“”” হ্যাঁ বলুন ,,,
“”” একটা মাথা ছাড়া বাচ্চা মেয়ের লাশ পাওয়া গেছে,,, আপনি যদি একটু আসতেন ,,,

কথা টা শুনেই মাথা ঘুরে গেলো,,,
কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বললাম
”’ কোথায়,,,

 

পুলিশের থেকে ঠিকানাটা জেনে নিলাম ,,,
ফোনটা কান থেকে নামাতেই রুহী বললো,,

“”” কে ছিলো ??
“”” পুলিশ,,,
“”” কি বললো???
( খুব আগ্রহ নিয়ে)
“”” বললো,,,
“”” থামলে কেন ,,, বলো না কি বললো,,, আমার রোজাকে পেয়েছে তো,,,
“”” না,,,
“”” তো কি বললো,,,
“”” একটা ছোট বাচ্চার লাশ পাওয়া গেছে ,,,

কথাটা শুনার পর পরই
রুহী জ্ঞান হারিয়ে ফেলে ,,,
মেঝেতে পড়ে যায় রুহী,,,
তাড়াতাড়ি করে রুহীকে হাসপাতালে নিয়ে গেলাম ,,,
ওকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে
নয়নকে রুহীর পাশে রেখে
আব্বু আর আমি পুলিশের দেওয়া ঠিকানায় গেলাম ,,,

লাশটা সাদা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা

লাশটার দিকে যত এক পা করে এগোচ্ছি,,
ততই হার্ট বিট বেরে যাচ্ছে ,,,
নিজেকে সামলে নিতে
লাশটার কাছে গেলাম ,,,
কাঁপা কাঁপা হাতে সাদা কাপড় টা পুরোটা সরিয়ে দিলাম,,,
আব্বু আর আমি অনেক সময় নিয়ে ভালো করে দেখলাম ,,
এটা আমাদের রোজা না,,,


“”” অফিসার এটা আমার মেয়ে না,,,
“”” ভালো করে দেখুন ,,,
“”” ভালো করেই দেখেছি ,,, এটা আমার রোজা না,,,
“”” আপনি সিয়র তো,,,
“”” হুম ,,,
“”” ঠিক আছে তাহলে আপনারা আসুন ,,,

আব্বু আর আমি
সরাসরি হাসপাতালে আসলাম ,,,

“”” নয়ন রুহীর কি অবস্থা ,,,
“”” আগের থেকে একটু বেটার,,,
“”” ডাক্তার কি বললো,,,
“”‘ কিছুই না খাওয়ার জন্য হালকা শকেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলো,,,
“”” ওহহহ,,,
“”” সুমন ,,
“”” হ্যাঁ আব্বু,,
“”” রুহী বরং এখানে থাক কিছু দিন ,,, আমরা রোজাকে খুঁজি ,,,
“”” আমিও সেটাই ভাবছি ,,,


আব্বু আর নয়ন বাইরে গেলো,,,
আমি রুহীর পাশে বসে আছি ,,,
একদিকে রোজা নেই
অপর দিকে রুহী অসুস্থ ,,,
আল্লাহ প্লিজ আমায় ধোর্য ধরার ক্ষমতা দাও,,,

আমার চোখ থেকে কয়েক ফোটা পানি বের হলো,,,
রুহীর হাতের উপর মাথা নিচু করে বসে আছি ,,,
হঠাৎ রুহীর হাতটা
একটু নড়ে উঠলো ,,,

মাথা তুলে দেখি রুহী জ্ঞান ফিরছে ,,,
রুহী কিছু বলতে চাচ্ছে ,,
কিন্তু কথা বলার মতো এনার্জি ওর শরীরে ছিলো না,,,
আর ওর মুখে মাক্স ছিলো ,,,
তবে ও মুখে বলতে না পারলেও
ওর চোখের দিকে তাকিয়ে আমি বুঝতে পারছি ও কি বলতে চাচ্ছে,,,
রুহী এটাই বলতে চাচ্ছে
ঐ লাশটা আমার রোজার ছিলো না তাই না ,,,
ওটা অন্য কারো লাশ ছিলো ,,,


রুহীর চোখ দিয়ে পানি ঝড়ছে ,,
এটা দেখে আমি বললাম ,,

এই পাগলী কাদছো কেন,,,
আমাদেররোজার কিছু হয় নি,,,
ও ঠিক আছে,,,
ওটা রোজার লাশ ছিলো না,,,

আমার কথা শুনে রুহী আমার হাতের উপর ওর হাতটা রাখলো,,,
আমি ওর হাতটা আমার হাতের মুঠোয় নিয়ে কান্না করে বললাম ,,,

“”” আমাদের রোজার কিছু হবে না ,,, আল্লাহ কখনো একজন মায়ের দোয়া ফিরিয়ে দিতে পারে না ,,,
তুমি দেখে নিও ও ঠিক আমাদের কাছে ফিরে আসবে ,,,


রুহীর চোখের পানি মুছে দিয়ে
আমার চোখের পানি মুছতে মুছতে বের হয়ে আসলাম ,,,
বাইরে বসে বসে চোখের পানি মুছছি
সামনে কেউ একজন বলছে
যে তার এ পজেটিভ রক্ত লাগবে ,,

এই কথা শুনে মাথা তুললাম,,,

“”” এই যে ভাইয়া,,,
“”” হ্যাঁ বলুন,,,
“”” আমার এ পজেটিভ রক্ত ,,, কার জন্য লাগবে ,,,
“”” একটা মহিলার জন্য ,,,
“”” আচ্ছা চলেন,,, আমি দিচ্ছি ,,,
“”‘ ধন্যবাদ ভাইয়া ,,,


লোকটার সাথে গিয়ে রক্ত দিয়ে আসলাম ,,,
রক্ত দেওয়া শেষ হতেই আমি বের হচ্ছি
এমন সময় একটা অমৃত ডাক কানে ভেসে আসলো,,,

“””” বাপি,,,,,

দাড়িয়ে গেলাম,,,
আমি কি ভুল শুনলাম ,,,
পিছনে ফিরে তাকালাম ,,,
পিছনে তাকাতেই আমি
খুশিতে আত্মাহারা হয়ে গেলাম ,,

“”” বাপি,,,
“”” রোজা,,,, মা আমার,,, কেমন আছো,,, কোথায় ছিলে আমাদের ছেড়ে ,,,

রোজাও কান্না করছে,,
আমিও কান্না করছি,,,

রোজাকে কোলে নিয়ে দৌড়ে রুহীর কাছে আসলাম ,,,

“”” রুহী,, এই পাগলী চোখ খুলে দেখো তোমার দোয়া আল্লাহ ফিরিয়ে দেয় নি,,, রোজাকে ফিরিয়ে দিছে,, চোখ খোলো,,,, রোজা আম্মু তোমার আম্মু কে ডাকো,,,
“”” আম্মু ,, এই আম্মু ,, কি হইছে তোমার ,,, আম্মু কথা বলছো না কেন ,,,
“”” রুহী,, এই রুহী ,,,

রুহী কোনো সাড়া দিচ্ছে না,,,
দৌড়ে ডাক্তার কে নিয়ে আসলাম ,,,

“”” এই সুচ টা কিভাবে খুলে গেলো,, সব গুলো মেডিসিন তো বেডে পড়ে গেছে ,,,
“”” সেটা তো বলতে পারবো না ,,, প্লিজ ডাক্তার আমার রুহীকে বাচান,,,
“”” আপনারা বাইরে যান,,, আমরা দেখছি,,,

ডাক্তার আমাদের বাইরে বের করে দিলো,,,

আমি আব্বু কে ফোন দিলাম ,,,


“”” হ্যাঁ আব্বু কই তুমি ,,,
“”” পাশেই আছি ,,
“”” আব্বু রোজাকে পেয়েছি,,,
“”” কি,,, তুই এখন কোথায় ,,,
“”” হাসপাতালে ,,, কিন্তু আব্বু রুহী ওর হাতের সুচ টা খুলে দিছে ,,, জ্ঞান ফিরছে না,,,
‘”” আমি এখনি আসছি ,,

আব্বু আসার সাথে সাথে
রোজা দৌড়ে গিয়ে আব্বু কে জড়িয়ে ধরলো,,,

“”” দাদু কেমন আছো তুমি ,,, কোথায় ছিলে,,

আব্বু এমন আরও অনেক কথা বলছে আর রোজার পুরো মুখে চুমু দিচ্ছে ,,,

একটু পরে ডাক্তার রুমে থেকে বের হলো,,

“”” ডাক্তার ও কেমন আছে এখন ,,
“”” এখন মোটামুটি আশঙ্কা মুক্ত ,,, তবে খেয়াল রাখবেন ,, আর এখন ওনার কাছে যাবেন না ,,
“”” ঠিক আছে ,,,

আব্বু আর আমি রোজার সাথে কথা বলছি
এমন সময় একজন লোক এসে বললো,,

“”” রোজা তুমি এখানে ,,, তোমায় আমি খুঁজছি ,,,
“”” আপনি কে,,,
“”” আংকেল ,, ও আমার বাপি ,,, বাপি আমি এই আংকেল এর বাসায় ছিলাম ,,,
“”” ওহহ ধন্যবাদ ভাইয়া আমার কলিজা কে আগলে রাখার জন্য ,,
“”” হুম ,, আসলে আমার স্ত্রী বেশ কিছু দিন ধরে অসুস্থ ,,, ঐ দিন আসার সময় রাস্তার পাশে একা একা কান্না করছে দেখে আমার সাথে নিয়ে আসছিলাম,,, কিন্তু কোথায় থাকে সেটা বলতে পারে নি,, আর এর মাঝে আমার স্ত্রী অনেক বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ায় ওর সাথে তেমন কোনো কথা বলা হয় নি,,, সারাদিন আমার মেয়ের সাথে বাসায় থাকতো ,,,
“”” আপনাকে যে কি বলে ধন্যবাদ দিবো ভাইয়া,,,

একজন নার্স এসে বললো রুহীর জ্ঞান ফিরছে ,,,
রোজাকে নিয়ে রুহীর কাছে গেলাম ,,,
রোজাকে দেখে ওর চোখ ছলছল করতে শুরু করলো ,,
ও বার বার উঠতে চেষ্টা করছিলো,,

“”” তোমার দোয়া আল্লাহ ফিরিয়ে দেয় নি রুহী,, আমাদের রোজাকে ফিরে পেয়েছি ,,,

রোজাকে রুহীর কাছে বসিয়ে দিলাম,,,,

এর কয়েক দিন পর রুহী সুস্থ হয়ে যায় ,,,
এরপর আমরা সবাই বাসায় আসি,,,
আজ আমাদের বিবাহ বার্ষিকি,,,
বাড়িটা সুন্দর করে সাজানো হয়েছে ,,,

“”” রুহী এই রুহী,,,
“”” হ্যাঁ বলো,,,
“”” আমার প্যান্ট টা কই,,,
“”” আমি পড়েছি,,,

রুহী রুমে আসলো,,,

“”” একটা প্যান্ট ও নিজে খুঁজে নিতে পারো না ,,,
“”” তাহলে কি আর তোমার সাথে দুষ্টুমি করতে পারতাম ,,,

রুহী কে পিছনে থেকে কোলে তুলে বেডে শুইয়ে দিলাম ,,,

“”” এই ছারো ছাড়ো বলছি ,,,
“”” এই আমি কিন্তু কিছু দেখি নি ( রোজা)
“”” পিচ্চি বুড়ি,,, পাকনামি করো তাই না ,, দাঁড়াও দেখাচ্ছি ,,, ( আমি)
“””” এই শোনো,,,

আমি রোজার পিছনে দৌড়াচ্ছি
আর রুহী আমার পিছনে,,,
এভাবেই কেটে যাচ্ছে আমাদের সিনিয়র জুনিয়র সংসার ,,,



জানিনা পুরো গল্প টা কেমন হয়েছে ,,
তবে শেষ টা ভালো হয় নি মনে হয় ,,,
তবুও জানাবেন প্লিজ সম্পূর্ণ গল্প টা কেমন লাগলো,,,
,.★★
★””★
★ The
.★End
..★★★।

আমাদের এই সাইটে সব বাছাই করা গল্প পোস্ট করা হয়।

আমাদের গল্প গুলো ভালো লাগলে  নোটিফিকেশন অন করে রাখুন;

ধন্যবাদ

 

Related Posts

One thought on “সিনিয়র বউ । সিনিয়র বউ রোমান্টিক গল্প,

  1. অসাধারণ ভাই এতো সুন্দর একটা গল্প উপহার দেওয়ার জন্য
    আর একটা কথা বিশেষ করে সেস টা হ্যাপি এন্ডিং হওয়াতে এতো খুশি হয়েছি তা বলার মতো না
    ,ধন্যবাদ আপনাকে আশা করি এর থেকেও ভালো কিছু আমাদের উপহার দিবে
    আবারও ধন্যবাদ
    ❤❤❤

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *