সিনিয়র বউ Part-3 | সিনিয়র বউ লাভ স্টোরি

সিনিয়র বউ
,Part-3
,
রুহীর পিছনে পিছনে রুমে আসলাম ,,, আমি রুমে ঢুকতেই রুহী এবার নিজেই দরজা বন্ধ করে দিলো,,,
বুঝতে আর বাকী রইলো না যে এবার ও কপালে শনি রাহু কেতু সব আছে
,,,
“”” আপনি দরজা বন্ধ করলেন কেন ,,,,
“””” কেন করলাম তুই বুঝিস নি ,,,
“”” আমি আবার কি করলাম ,,,
“”” কিছু করিস নি তাই না ,,,
“”” না,,,
“”” আমায় এখানে রেখে যাওয়ার মতলব কি হ্যা,,,
“”” কোনো মতলব নাই মাইরী বলছি,,,,
“”” তোর মতলব আমি বুঝি না ,, তুই ঐ হারামজাদীর সাথে সারা রাস্তা ফষ্টিনষ্টি করতে করতে যাবি,,, আর আমায় নিয়ে তো তোর এসব হবে না ,,,
“”” সি,, নিজের ভাবনাগুলো একটু পরিবর্তন করেন,,,,
“”” আমার ভাবনা ঠিকই আছে ,,, এখন তুই গিয়ে বলবি আমায় নিয়ে যাবি,,,


রুম থেকে বের হয়ে শ্বশুর মশাই কে বললাম যে
আমি আপনার মেয়েকে না লহিয়া যাইবো না,,,
এই কথা শুনিয়া শালিকাগণ সকলে আমার দিকে কেমন জানি দুষ্টু মিষ্টি দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো,,,


“”” কি দুলাভাই বউকে ছাড়া একটা রাতও কাটাতে পারবেন না ,,,
( হ রে বইন,,, তোর বইনটায় যে হাল করছে ,,, ওরে ছাড়া কি থাকা যায়,,, )
“”” আরে তেমন কিছু না ,,,, কি যে বলো না তুমি ,,,
“”” বুঝি তো সব কিছু বুঝি,,, বিয়ে হয় নি বলে যে কিছু বুঝি না তা কিন্তু না,,,,
( শালা আমি বিয়ে করেও এখনো কিছু বুঝতে পারলাম না,, আর এ বিয়ে না করেই সব কিছু বুঝে গেছে )


এরপর রুহী ডাইনীটারে নিয়ে বাসায় আসলাম ,,,,

এভাবেই ঝগড়ার মধ্যে দিয়ে কেটে গেলো বেশ কিছু দিন,,,
আমার পরীক্ষা ও শেষ হলো,,,

“”” আন্টি সুমন বাসায় আছে ,,,
“”” হুম ,,, কেন বাবা,,,
“”” আজ পাড়ায় ক্রিকেট ম্যাচ আছে ,,,, তিনটায় ওকে মাঠে আসতে বইলেন,,,,
“”‘ আচ্ছা ,, বলবো,,,

রকি চলে গেল,,,

“”” কে আসছিলো আম্মু ,,,
“”” রকি,,, আজ নাকি ক্রিকেট ম্যাচ আছে ,, তাই যেতে বলছে ,,,
“”” কোথায় আম্মু ,,, ( রুহী)
‘””” আপনি জেনে কি করবেন ,,,
“”” আমিও খেলা দেখতে যাবো,,,
“”” আমি নিয়ে যাবো না ,,,
“”” আম্মু আমি যাবো,,,
“”” ও না নিয়ে গেলো তো কি হইছে ,, আমি অবন্তী কে বলে দিবো ও নিয়ে যাবে,,,,
“”” আচ্ছা ,,,,
.

রুমে এসে খেলতে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি,,,

“”” খেলতে পারিস তুই ,,,
“”” না,,, আমি মাঠের বাইরে দাঁড়িয়ে বল কুড়াই,,, আপনার সমস্যা ,,,
“”” তোকে দিয়ে এর থেকে বেশি কিছু তো আর আশা করা যাবে,,,
“”” আপনাকে কেউ আশা করতে বলেছে,,,
“”” যাই দেখি খেলা দেখতে,,, কি হয়,,,
“”” যদিও বা জিততাম ,, আপনি গেলে সিয়র হারবো,,,
“”” খেলতে পারিস না আর আমি গেলে হারবি,,,


সেদিনের ম্যাচ টা আমরাই জিতে যাই,,, শুধু ঐ টা না প্রায় সব গুলো ম্যাচ আমরাই বরাবর জিতে যাই,,,


সবাই ভার্সিটি ভর্তি হচ্ছে ,,,

আমি অনেক দুরের একটা ভার্সিটিতে সিট পেয়েছি ,,,,
আমি ওখানেই ভর্তি হলাম,,,
কয়েক দিনের মধ্যে বাসা ছেড়ে মেসে চলে যাবো,,,,

রাতে রুমে একা বসে বসে ফেসবুকিং করছি ,,, রুহী রুমে আসলো

“”” কবে মেসে যাবি,,,
“”” কয়েক দিনের মধ্যেই ,,,
“”” তাড়াতাড়ি যা,, তুই গেলে আমিও বাঁচি ,,,
“”” আপনি আমায় খুব ঘৃণা করেন তাই না,,
“”” তোরে তো দুই চোখে দেখার ইচ্ছে করে না ,,,
“”” তাই,,, আর বেশি দিন দেখতে হবে না ,,,


আর কেউ কারো সাথে কোনো কথা হয় নি ,,,
প্রতিদিনের মতোই আমি ফ্লোরে আর উনি বিছানায় শুয়ে পড়লাম ,,,,

তবে আজ কেন জানি ওনার কথা গুলো শুনে খুবই খারাপ লাগছে ,,,,
কেন জানি আমি বার বার করে চাইছি যে উনি শুধু একবার বলুক তুমি যেওনা,,,,
তাহলে কি আমি ওনাকে ভালোবেসে ফেললাম ,,,,


বাইরে টিপটিপ বৃষ্টি হচ্ছে ,,,,
বৃষ্টি আবার আমার অনেক ভালো লাগে ,,,
দিনের বেলা হলে হয়তো ভিজতাম ,,,
রাতের বেলা তো তাই ঝিমঝিম শব্দ শুনছি,,,
কখনে যে ঘুমিয়ে গেছি বুঝতেই পারি নি ,,,,

মাঝরাতে হঠাৎ বুকের উপর ভারী কিছু অনুভব করলাম ,,,
প্রথমে অনেক ভয় পেলেও পরে দেখলাম রুহী আমার বুকে মাথা রেখে আমায় জড়িয়ে ধরে শুয়ে আছে ,,,
মেয়েটা ঘুমালে তো অনেক সুন্দর লাগে মনে হয় যেন পরীর রাজ্যের রাজকন্যা আমার ঘরে এসেছে ,,,

আমি কি ডাকবো???
না থাক,,,
যদি ঘুম ভেঙে যায় ,,,,
আমিও স্বযত্নে জড়িয়ে ধরলাম ,,,,
এই প্রথম আমি রুহীকে জড়িয়ে ধরলাম ,,,
সে যেন এক অদ্ভুত রকমের অনুভূতি ,,,,

হঠাৎ রুহীর ঘুম ভেঙে যায় ,,,

“”” এই ছাড় আমায় ছাড়,,,,
রুহী তাড়াতাড়ি উঠে লাইট জ্বালায় ,,,

“”” কি হলো,,,,,
“”” ঠাসসসসসসস,,,,
“”” মারলেন কেন ,,,
“”” তোর সাহস হয় কিভাবে,,, তুই আমায় জড়িয়ে ধরিস,,,,
“”” আপনি তো,,,,
“”” আমি কি,,,, তখন বাজ পড়ছিল তাই ভয় পেয়ে এখানে এসে শুনছিলাম ,,, তাই জন্য তুই জড়িয়ে ধরবি,,,
“”” সরি,, আমি আসলে বুঝতে পারি নি ,,,
“”” বুঝতে পারিস নি না কও অন্য কিছু সেটা আমার ভালো করেই জানা আছে ,,,,,
“”” বললাম তো,,,,
“”” একটা কথা ভালো করে শুনে রাখ আমি কখনোই তোকে স্বামী হিসাবে মেনে নিবো না ,,,,
“”” কিন্তু কেন,,,,
“”” কারণ তুই আমার স্বামী কে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছিস,,, আর তুই আমার বয়সের ছোট,,, তাই ,,,
“”” ভাইয়া তো অন্য কাউকে ভালোবাসতো,,,
“”” আর আমি তোর ভাইয়াকে ভালোবাসতাম,,,,,
“”” সেদিন যে আপনি বললেন ভাইয়া পালিয়ে যাওয়ায় আপনি খুশি হয়েছিলেন,,,,
“”” ওটা রাগে বলেছিলাম ,,,,
“”” ওহহহ,,,
“”” কখনো কোনো দিন স্বামীর অধিকার ফলাতে আসবি না,,,,
“”” তাহলে আপনি এই বাড়িতে আছেন কেন,,,
“”” তোর বাবা মা অনেক ভালো বলে,, আর তারা আমায় অনেক ভালোবাসে বলে,,,,, আর তোকে শিক্ষা দিতে,,,
“”” ওহহহ,,,,
“”” ভুল করে ও কখনো আমায় টাস করতে আসবি না ,,,,
“”” আমি এতোটাও বাজে না,,,,
“”” সেটা তোদের মতো ছেলেকে দেখলেই বোঝা যায় ,,,


আমি আর কোনো কথা বললাম না ,, ,
কারণ আমি জানি এখন যদি কথা বলি তাহলে উনি আরও বেশি রেগে যাবে,,,,

সারারাত আর ঘুমালাম না,,, বারান্দায় দাঁড়িয়ে কেটে দিলাম ,,,,
জীবনে আজ পর্যন্ত কোনো দিন সিগারেট খাই নি তবে আজ কেন জানি না খুব খেতে ইচ্ছে করছে ,,,,
মানুষ কতটা কষ্ট পেলে নেশার জগতে ডুবে যায় তা হয়তো কিছু টা হলেও আজ বুঝতে পারছি ,,,,

সিনিয়র বউ 
সিনিয়র বউ 

সকাল বেলা আব্বুর কাছে গেলাম ,,,,

“”” আব্বু ,,,
“” কিছু বলবি,,,,
“”” আমি আজকেই মেসে চলে যাবো,,,
“”” কেন,,,,
“”” কিছু কাজ আছে ভার্সিটিতে,,, তাই ,,,
“”” ওহহহ,, কখন যাবি,,,,
“”” দুপুরে ,,,,
“”” আচ্ছা ,,,


আব্বুর সাথে কথা বলে রুমে আসলাম ,,
রুহী এখনো ঘুমাচ্ছে ,,,
ফ্যানের বাতাসে একগুচ্ছ চুল বার বার ওর মুখে এসে পড়ছে ,,,
কতো মায়াবী লাগছে ,,,
ইচ্ছে করছে চুলগুলো সরিয়ে দেই কিন্তু না,,,,
সব ইচ্ছে পূরণ করতে নেই ,,,

আমার সব কাপড় ব্যাগে তুললাম ,,,
রুহী এর মাঝে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে আম্মুর কাছে গেলো,,,
খুব কষ্ট হচ্ছে ,,,
আম্মু আব্বু এবং রুহীকে ছেড়ে যেতে ,,,
কিন্তু তবুও যেতে হবে ,,, কারণ রুহী তো আমাকে পছন্দ করে না ,, তবে আমি কেন ওর সামনে থাকবে,,,
কিন্তু আমি ওকে অনেক ভালোবেসে ফেলেছি,,,
একটা বার যদি শুধু বলতো যেও না ,,,,

ব্যাগ নিয়ে বাইরে বের হলাম ,,,
“””” আম্মু আব্বু আমি গেলাম,,,
“”” রুহীকে বলে আয়,,,
“”” আচ্ছা যাচ্ছি ,,,
ইচ্ছে না থাকা সত্ত্বেও বলতে গেলাম,,, কারণ আমি জানি আমি চলে গেলেই উনি বেশি খুশি থাকবে ,,,,

“”” আমি যাচ্ছি ,,, ,,,
“”” যা,, তো আমি কি করবো,,,,

আমি আর কিছু বললাম না ,,, আসার সময় পিছনে থেকে রুহী জড়িয়ে ধরলো ,,,
কেন জানি না নিজের অজান্তেই চোখ থেকে দু ফোঁটা পানি গড়িয়ে পড়লো,,,,
ভালোবাসার মানুষের স্পর্শ যে এতোটা সুখের তা আগে কখনো বুঝি নি ,,,, ,,,
.
আমিও যেই জড়িয়ে নিতে যাবো সেই সময়
“””” ঠাসসসসসসস,,,
“””” মারলেন কেন ,,,
“”” তুই আবার আমায় জড়িয়ে ধরলি কেন,,,
“”” আপনি তো আগে,,,
“”” আমার গায়ে আরশোলা উঠছিলো তাই ভয় পেয়ে ধরেছিলাম ,,,
“”” ওহহ,, সরি বুঝতে পারি নি ,,,
“”” কত দিনে যে তোর কাছে থেকে মুক্তি পাবো কে জানে ,,,
“”” আপনি মুক্তি চাচ্ছেন তো,,, ইনশাআল্লাহ পেয়ে যাবেন ,,,

বাসার সবার থেকে বিদায় নিয়ে গাড়তে উঠলাম,,,,,,
আজ কেন জানি না চোখের পানি বাঁধ মানছে না ,, আমি কি এতোটাই খারাপ যে ও আমার কাছে মুক্তি চাচ্ছে ,,,
আমি তো ভালোবেসে ফেলেছি ,, সবসময় তো আমার চিন্তায় ভাবনায় শুধু ও থাকে,,,,
যাই হোক ও যখন মুক্তি চাচ্ছে তবে তাই হবে,,,


নতুন শহর নতুন জায়গা নতুন মানুষ ,,,,
মানিয়ে নিতে বেশ কিছু দিন চলে গেল ,,,
আম্মুর সাথে রোজ কথা হতো,,,
আম্মু যখন বলতো রুহীর সাথে কথা বল তখন খুব আনন্দ হতো,,, কিন্তু রুহী ফোনটা হাতে নিয়ে রেখে দেয়,,, কোনো কথা বলে না ,,, এর জন্য মনের ভিতর টা কান্নায় ভেঙে যেতো,,,
কিন্তু কিছু প্রকাশ করার মতো না,,,


আজ প্রায় দুই মাস পর বাসায় আসলাম

আম্মু আব্বু আমায় দেখে অনেক খুশি ,,,,

“”” আম্মু রুহী কোথায়,,,
“”” ও তো ওর বাবার বাসায় গেছে ,, কেন তোকে বলে নি ,,,

“”” ওহহহ হ্যা বলেছে তো,, মনেই ছিলো না ,,,
“”” আজ ফ্রেশ হয়ে খাওয়া করে ঘুমা,, কাল গিয়ে নিয়ে আসিস,,,
“”‘ নিয়ে আসার কি দরকার ,, থাক না ও ওখানে ,,,
“”” কাল গিয়ে নিয়ে আসিস,, বাসাটাও কেমন জানি ফাঁকা লাগছে ,,, ,,
“”” আচ্ছা ,,,

পরের দিন সকাল বেলা খাওয়া করে রুহীর বাসায় গেলাম ,,, সবাই আমায় দেখে খুব খুশি হলো,,,
শালিকাগণ তো আমাকে পেয়ে মনে হচ্ছে কি অমাবস্যার চাঁদ পেয়েছে ,,,
কিন্তু রুহীর মুখে কোনো হাসি নেই বরং বিরক্তির ছাপ,,,
আমার মনে হয় এখানে আসাটা ঠিক হয় নি,,,

বিকেল বেলা রুহীকে নিয়ে বাসায় আসলাম ,,, সারাটা রাস্তা ও আমার সাথে কোনো কথা বলে নি ,,,
আমি যদিও অনেক কথা বলেছি কিন্তু ও কোনো কথা বলে নি ,,,,,,,,
নিজেকে কেন জানি না আজ খুব বেহায়া মনে হচ্ছে ,,,


রাতে রুহী রুমে শুয়ে আছে ,,,

“”” আপনাকে আমার কিছু কথা বলার ছিলো ,,,
“”” হুম বল,,,
“”” আপনি কি সত্যি আমায় স্বামী হিসাবে মানতে পারবে না ,,,
“”” না,, কখনোই না,,, ,,,
“”” তাহলে আপনি এখানে আছেন কেন,,,, চলেন আজকেই আব্বু কে বলবো ,,,
“”” না,,,
“”” কেন,,,
“”” আমার অনার্স শেষ হলে আমি নিজেই চলে যাবো,,,
“”” ওহহ,, আচ্ছা ,,,,
“”” হুম ,,,
“”” একটা কথা বলবো ,,,
“” হুম বল,,
“” জানি না আপনি আমায় কি মনে করেন,, তবে আপনি আমায় যতটা খারাপ ভাবেন ততটাও খারাপ না,,,
“”” তো,,
“” আপনি তো আর এক থেকে দেড়বছর থাকবেন ,,,
“”” হুম ,,,
“”” আমরা কি বন্ধু হয়ে থাকতে পারি,,,
“”” ভাবতে হবে ,,,
“”” ভেবে জানাইয়েন,,,,


পরের দিন সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে আম্মুর সাথে রান্না ঘরে রান্না করছি এমন সময় রুহী রান্না ঘরে আসলো,,,

“”” আম্মু আপনি যান আমি রান্না করছি,,,
“”” তুই একাই পাবি না মা,,,
“”” আপনার ছেলে আছে না,,,

কথাটা শুনে আমি নিজের কান কে বিশ্বাস করতে পারছি না ,,,

“”” আপনি রুমে যান,,, আপনার ছেলে আর আমি রান্না করে আপনাদের ডাকবো,,,
“”” লক্ষী মেয়ে ,,, ঐ হারামজাদা দেখিস যেন ওর ক্ষতি না হয়,,,
“”‘ চিন্তা করো না,, তুমি যাও ,,,,,

আম্মু চলতে গেছে ,,,

“”” আপনি নাস্তা করেছেন ,,,,
“”” আজ থেকে তুমি আমায় তুমি বলবে আমিও তোমায় তুমি বলবো,,,
“”” আচ্ছা আপনার শরীর খারাপ হয় নি তো ,,,
“”” আরে না আমি ঠিক আছি,,, ভাবলাম আর কয়েক দিন এ তো আছি ,,, বন্ধু হলে খারাপ হয় না,,,
“”” হুম ,,
“”” শুধুই বন্ধু ,, অন্য কিছু না কিন্তু ,,,
“”” সমস্যা নেই ,,,, আমি জানি ,,,
“”” আজ বন্ধুরা মিলে দেখা করবো,,, তুমি ও যেও,,,
“”” আপনার কোনো সমস্যা হবে না তো ,,,
“”‘ না,, আর তুমি বলবে ওকে ,,,
“”” আচ্ছা ,,,

একটু হলেও শান্তি লাগলো ,,, যাই হোক বন্ধু তো হতে পারলাম ,,, এটাই অনেক ,,

সকালের খাওয়া করে আব্বুকে বলে রুহীকে নিয়ে বের হলাম,,,,
সেখানে ওর অনেক বন্ধু,,, অনেক ছেলেও আছে,,, ,,,
ও সবার সাথে কথা বলছে,, সবার সাথে আমার পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে,,,

“”” আজ রুহী আমাদের সবার সামনে ওর বরকে কিস করবে,,,,
“”” এই না,,, এসব কিছু হবে না ,,,
“”” সবাই এই কন্ডিশন মানছে,, সো তোকেও মানতে হবে,,,

না জানি এখন আবার কি হয়,,,
যদি কিস করে তবে অনেক কষ্টে নিভানো অগুন টা আবার জ্বলে উঠবে,,,,
আল্লাহ রক্ষা করো,,,
.
..

….

..
.
To be continue

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *