দুষ্ট মিষ্টি স্বামী স্ত্রীর ভালবাসা । Sami strir vslobasar golpo

  • দুষ্ট মিষ্টি স্বামী স্ত্রীর ভালবাসা

 

–এই যে মিষ্টার।(অচেনা মেয়ে)
–,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
–এই যে,আপনাকে বলছি।বলি কথা কানে
যায় না।(অচেনা মেয়েটি)
–আমাকে?
–হুম,আপনাকে।তা প্রতিদিন এই পথের পাশে
বসে থাকেন কেনো?
–ভালো লাগে।
–শুধুই ভালো লাগে নাকি অন্য কোনো কারন
আছে?
–এই আপনি এতো প্রশ্ন করছেন কেনো?কে
আপনি?আর আমার কাছেই বা কি চাই?
–অনেক কিছু।শোনেন প্রশ্নের উত্তর দেন তো।
না দিলে,,,,,,
–না দিলে কি?
–না দিলে,চিৎকার করে লোক ডেকে বলবো
আপনি আমাকে ডিস্টার্ব করছেন।
–না এসব করবেন না, বলছি।
–শুধু বললেই হবে না,৫০০টাকা বের করেন।
–কেনো?
–এই যে,কষ্ট করে এতো গুলো কথা বলালেন
আমাকে,তাই।
–তাই বলে ৫০০টাকা।
–হুম,তাড়াতাড়ি। সময় করলে চিৎকার করে
লোক জড়ো করবো+আরো ৫০০ টাকা দিতে
হবে।
–না,দিচ্ছি।এই যে নিন।(এ আবার কোন
বিপদে পরলাম,এরপর আর এখানে আসা যাবে
না।)
–কি,কি ভাবছেন,এরপর আর আসবেন না?
না,আসলে কিন্তু আমি আপনার বাসায় গিয়ে
টাকা,,,,,,,
–সেটা কিভাবে পারবেন?
–মনে করেন কি আমি আপনার সম্পর্ক-এ কিছু
জানি না?আপনি কোথায় থাকেন?কোথায়
যান? সব কিছু জানি।
–আচ্ছা?
–হুম,ফ্রেন্ড?
–ফ্রেন্ড হয়ে কি হবে?
–কেনো?
–না,আপনারা তো ফ্রেন্ডশিপ-এর মানে
বুঝেন না।ফ্রেন্ডশিপ মানে পথের শুরু থেকে
শেষ প্রান্ত পর্যন্ত একসাথে চলা।কিন্তু
আপনারা মাঝ পথেই ছেড়ে চলে যান।
–সবাই তো আর এক না।
–তা কিরকম?
–কি ফ্রেন্ড হবেন কিনা?৫০০টাকা।
–আরে বোকা মেয়ে,আমি বলেছি নাকি
যে ফ্রেন্ড হবো না?ওকে,ফ্রেন্ডস।
(ইসসসসস,আরেকটু হলেই টাকা গেছিলো।
–ওকে।এখন আর আপনি না,আর তুই করে বলতে
কেমন জানি লাগে,আজ থেকে তুমি?
–ওকে।(রাজি না হলে আবার টাকার দিকে
নজর যাবে)
–আরে তুমি সিগারেট খাও নাকি?
–হুম,
–এটাকে ছারতে হবে।
–পারবো না।
–কি?
–পারবো না।
–আবার বলোতো।কি?
–পারবো না।
–টাকা বের করো।
–আরে বলছি কেন পারবো না।
–আগে টাকা বের করো,তারপর বলছি।
–আবার?
–ওকে,চিৎকার করছি।
–না,এই নাও।
–৫০০টাকা কেনো?১০০০টাকা দিতে হবে।
–এতো,এই বাচ্চা ছেলেটার জন্য একটুও কি
মায়া হয় না?
–না,হয় না।তাড়াতাড়ি।
–হুম।(এটা মেয়ে নাকি ডাকাত)
–এবার কি জানো বলছিলে। ছারতে পারবা
না?
–আরে ছেড়ে দিছিতো।
–হুম।এখন বলো কেনো প্রতিদিন এই পথের
পাশে বসে থাকো।
–এটা একটু পারসোনাল।
–ইসসসস,আবার মনে হয় টাকা আসবে আমার
কাছে।
–না,বলছি।
–হুম।
–একটা সময় ছিলো যখন তাসফিয়া নামের
একটা মেয়ে ছিলো আমার জীবনে।ইচ্ছা
ছিলো দুজনে মিলে একসাথে এই পথের শেষ
প্রান্ত পর্যন্ত চলবো।কিন্তু মাঝ পথে ও অন্য
পথিক খুজে নেয়।তাই এখানে প্রতিদিন বসে
থাকি।আর নিকোটিনের ধোয়া দিয়ে মনের
কষ্ট গুলোকে আড়াল করে ফেলি।
–ও,সরি।
–সরি কেনো?
–এই যে তোমার মন খারাপ করে দিলাম।
–আরে না।যে এই জীবন এলোমেলো করে
গেছে,সেই একবারের জন্য জানতে চায় নি
কেমন আছি।আর তুমি জানতে চেয়ে কি এমন
দোষ করেছো।
–হুম,আচ্ছা তোমার ফোন নাম্বার টা দাও
তো।
–কেন?
–বাড়ে, ফ্রেন্ড-এর নাম্বার ফ্রেন্ড-এর
কাছে থাকবে না।আর বেশি কেন কেন করলে
কিন্তু টাকা..
–হুম,দিচ্ছি।0176704****
–হুম,গুড বয়।কালকে আসবে না।
–দেখি?
–দেখি না,আসতেই হবে।
–ওকে,না বললে তো বলবে টাকা।তাই না?
–শুধু টাকা না,সাথে চিতকারও আছে।
–ও ভুলেই গেছিলাম।
–হুম।আমার নাম টাই তো জানতে চাইলা না.
–সরি,তোমার নাম।
–শিফা।আর তুমি ইমরান।
–হুম।
(এভাবেই শুরু হয়েছিলো আমাদের নতুন পথ
চলা।এভাবেই পথ চলছিলাম ১টা বছর।এখন দুজন
খুব কাছে থেকেই পথ চলি ।কিন্তু জানতাম
না।এই পথ চলার মাঝেও ভালোবাসার একটা
পথ আছে।)
হঠাত একদিন শিফা এসে বললোঃ
–ইমরান?
–হুম বলো।
–আমি তোমাকে ভালোবাসি।
–টাকা লাগবে,ফন্দি আটার কি আছে,বললেই
পারো।
–কি বলো এসব।আরে আমি তোমাকে টাকার
জন্য ভালোবাসি নাকি?আর তোমার টাকা
গুলো আমি স্মৃতি হিসেবে রেখে দিয়েছি।
আমাদের প্রথম দেখা হওয়ার স্মৃতি।
–তাই।
–হুম,সিরিয়াসলি আমি তোমাকে
ভালোবাসি।
–কয়দিনের জন্য।
–সারাজিবনের জন্য।
–বিশ্বাস হচ্ছে না।
–কি করলে বিশ্বাস হবে।
–জানি না।
–আচ্ছা তুমি আমাকে ছাড়া বাচতে পারবা?
–আমি অন্যদের মতো মিথ্যে বলবো না।
দেখো,তুমি যখন না ছিলে আমার জীবনে তখন
কি বেচে ছিলাম না।তারমানে পারবো।
তবে খুব কষ্ট হবে।
–ওকে।বায়।ভালো থেকো।
–হুম,কিন্তু কই যাচ্ছো।
–চলে যাচ্ছি। আর দেখা হবে না।
–তুমিও চলে যাচ্ছ মাঝপথে আমাকে রেখে।
–আমি চলে যাচ্ছি না,আমাকে তাড়িয়ে
দেওয়া হচ্ছে।
–আমি যেতে বলেছি?
–বলোনি,কিন্তু শুধু শুধু মিথ্যে মায়ায় জড়িয়ে
কি লাভ বলো।
–ভালোবাসি।
–কাকে?
–তোমাকে।
–বিশ্বাস হচ্ছে না।
–তা বিশ্বাস করার জন্য কি করতে পারি?
–জড়িয়ে ধরতে পারো।
–ইসসসসস,যাহহহহ দুষ্টু লজ্জা করে না বুঝি।
–তুমি ছেলে হয়ে এতোটা লজ্জা পাচ্ছো।
–হুম,আমি পারবো না জড়িয়ে ধরতে,তুমি
ধরো।
–ওকে।
–এই দারাও,
–আবার কি হলো।ধ্যাত সিনেমার
নায়িকাদের মতো কতো সুন্দর রোমান্টিক
ভাবে দৌড় দিলাম,জড়িয়ে ধরবো বলে,আর
তুমি?
–না,বলছিলাম কি রবির 4.5G স্পিডে আসলে
তো আমার বুক ফেটে একদম কাতুকুতু হয়ে যাবে।
তার থেকে বরং তুমি গ্রামীনফোনের4G না
3G স্পিডে আসো।
–ধ্যাত,পাগল একটা।ওকে,আসছি।
(আহহহহহ কি শান্তি,কিন্তু মনে হচ্ছে বুক টা
সত্যিই ফেটে যাবে,কারন যে 4Gস্পিডে
হার্টবিট বেড়ে যাচ্ছে, তাতে আমি শেষ)
–এই ছাড়ো (আমি)
–কেনো?ভালোই তো লাগছিলো। কেনো
তোমার ভালো লাগে নি?
–লাগছিলো, কিন্তু কেমন জানি মনে
হচ্ছিলো আরেকটু থাকলে,মরেই যেতাম।
–পাগল।চলো।
–কোথায়?
–পথের শেষ প্রান্তে।
–মানে?
–কাজী অফিসে।
–কেনো?কাজী অফিসে কেনো?
–কাজী অফিসে যায় কেনো?কুতকুত খেলতে?
–না,বিয়ে করতে।কিন্তু বিয়েটা কার?
–তোমার আর আমার।
–কি বলো।
–এখন যদি আর একটা কথা বলো তাহলে কিন্তু
আবার ৫০০টাকা।
–না,চলো।
(তারপর আর কি কুতুকুতু হয়ে গেলো মানে
বিয়েটা করেই ফেললাম।আর এখন বাস
স্টেশনে আছি সরি বাসর ঘরে।এই তো ডাকাত
মেয়েটা ভদ্র মেয়ের মতো এসে পা ধরে
মাফ চেয়ে গেলো,সরি সালাম করে
গেলো)
–তা সোনা দারিয়ে আছো কেনো,আমিও
কি তোমায় সালাম করবো?
–না,কি বলো।আমি তোমাকে কিছু বলতে
চাই।
–আবার কি?ওকে,বলো।
–তুমি যে মেয়েটার সাথে প্রেম করতা
মানে তাসফিয়া,আমি তার ছোটো বোন।
মানে চাচাতো।
–তো তুমি তো তাসফিয়ার মতো না।
–হুম,কিন্তু,,,,,
–ভয়ে ছিলা?
–হুম,
–বোকা মেয়ে,এদিকে তাকাও
–কেনো?
–আরে তাকাও বলছি,
–হুম,
–দেখোতো চোখ দুটো কি বলে,ছেড়ে
যাবো?
–না।
–তো,ভয় পাও কেনো।কই একটু আজ আদর দিবা
তা না।
–আদর নিবা,ওকে।বললেই তো হয়।এদিকে
আসো।
–৫০০টাকা দিলে আসবো।
–না আসলে.১০০০টাকা দিতে হবে।
— +চিৎকার তাই না।
–হুম,লাইট টা অফ করো।
–কেনো?
–পাঠকরা দেখছে,আর ওরা আসছে যখন গল্প
শেষ না হওয়া পর্যন্ত যাবে না।
–যা করার ওদের সামনে ই করবো।ওরাই তো
বলছে গল্পে মসলা একটু বেশি দিতে।তাইতো
হঠাত রোমান্টিক হয়ে গেছি।
–ওকে,
–চলো সোনা ইতিহাস গড়ি।–এই,সোনা
উঠো না কেনো?সকাল হয়ে গেছে।(শিফা)
–তুমি আগে উঠো (ঘুমের ঘোড়ে কথা গুলো
বললাম শিফাকে)
–না,তুমি আগে উঠো।
–আরেকটু পর উঠি?
–আরেকটু পর মানে?এখন উঠবা।
–প্লিজ।আরেকটু পর উঠি,
–প্লিজ,সোনা ৫০০টাকা দাও।
–কেন?এইতো উঠে গেছি।
–হুম।তারপরও দাও,সকাল সকাল এতো গুলো
কথা কেনো বলালে?
–উঠছি তো।
–টাকা দিবা কিনা?না দিলে কিন্তু…..
–কিন্তু কি?চিৎকার করবা?এখন চিৎকার করে
কোনো লাভ নেই পাখি, তুমি এখন আমার বউ।
–তা ঠিক, আজকে বাসায় রান্না বন্ধ।
–রান্না বন্ধ করলে খাবো কি?
–না খেয়ে থাকবো।আজকে রোজা।
–বুঝছি,এই নাও তোমার ৫০০টাকা।
–৫০০টাকায় হবে না,১০০০দিতে হবে।
–কেন?
–এই যে একবার বলছি তখন দাও নাই।কই
দাও,বেশী কথা বললে কিন্তু আরো
৫০০বারবে।
–হুম,এই নাও।
–রাগ করছো?
–না,সোনা।(রাগ করে দিছি, জানলে আরো
৫০০যাবে)
–এই তো গুড বয়।
–হুম,
(এভাবেই টাকা গুলো যাচ্ছে আমার,কি
অবিচার।আমার মনে হয় আমি সংসার করছি
না,মনে হচ্ছে ব্যবসায় করছি সংসার নিয়ে।)
–কি ভাবছো?(শিফা)
–কিছু না।
–তা সোনা আমরা জানো কয়টা বেবি
নেবো?
–একটাও না।
–কেনো?
–ওলে বাবা লে,নিজের সর্বনাশ নিজে
ডাকবো নাকি।
–কেনো,বেবি নিলে তোমার সর্বনাশ হবে
কিভাবে?
–ইসসসস,কিচ্ছু বুঝে না।তুমি এই যে কিছুক্ষণ পর
পর টাকা নিচ্ছো।তুমি যদি ৫০০টাকা করে
নাও,তাহলে বেবিরা তো এর অর্ধেক মানে
২৫০টাকা করে নিবে।তো সর্বনাশ না?
–আরে বোকা,আমি বেবি দের বলে দেবো
যাতে তোমার কাছ থেকে টাকা না নেয়।
–সেটাই বেবিরা জেনো তোমার মতো
রাক্ষসী না হয়(মনে মনে বললাম)
–কিছু বললে।
–না,
–হুম,এখন বলো কয়টা বেবি নিবো।
–যদি বেবি গুলো তোমার মতো না হয়।
পেয়েছি,আগে একটা নিয়ে টেস্ট করে
দেখবো তোমার মতো হয় না কি?
–যদি না হয়?
–যদি না হয় তাহলে একটানা ১২ বছরে ১২টা
নিয়ে ৩বছর রেস্ট নিবো।তারপর না হয় আরো
কিছু এক্সট্রা রাখার জন্য নিবো।
–জ্বি না,এতোগুলা নেবো না।
–কেনো?
–এতোগুলো নিয়ে কি করবো?
–কেনো প্রয়োজন হলে,ভাড়া দেবো বা
বিক্রি করবো।
–ধ্যাত,তুমি কি সব যে বলো না?
–ওকে,তাহলে তুমি বলো কয়টা নেবো।
–২টা।
–এতো সীমিত।
–হুম,
–ওকে।
–হুম।
–কিন্তু ১২টা হইলে ভালো হতো না।
–আবার
–………
–রাগ করছো?
–………….
–ওকে,৩টা নিবো। একটা বাড়ালাম।
–শুধু ১টা।
–হুম,এরপর রাগ করলে বাড়বে না,উল্টো কমবে।
–হুম,
(এভাবেই চলছিলো,কিন্তু আমাদের মধ্যে
তেমন কোনো অভিমান ছিলো না,তাই দুজন
চুক্তি করতে বসলাম)
–আচ্ছা আমাদের মাঝে অন্যদের মতো
অভিমান হয় না কেনো,
–কে জানে?
–ইসসসস অভিমানের ভিতর কতো
ভালোবাসা ই না লুকিয়ে থাকে।কতো
আশা ছিলো রাগ করে কাপর-চোপর গুছিয়ে
বাসা থেকে চলে যাবো, ঠিক তখনি তুমি
পিছন থেকে হাত ধরে টান মেরে জরিয়ে
নিবা।কিন্তু দেখো?
–ওকে,আজ রাতে আমি দেরি করে
আসবো,তারপর তুমি আমার সাথে ঝগড়া করবা।
তারপর আমি রেগে গিয়ে তোমাকে একটা
চড় মারবো।তারপর তুমি চলে যাওয়ার সময়
তোমাকে পিছন থেকে টান দিয়ে জড়িয়ে
ধরবো।ওকে?
–ওকে.
(প্লান অনুযায়ী রাতে দেরি করে বাসায়
ফিরলাম)
–এতো দেরি হলো কেনো আসতে,হুম।
–কেনো তুমি জানো না,তোমাকে তো
বলেই গিয়েছিলাম রাতে ঝগড়া করব,তাই
দেরি করে আসবো।
–ধ্যাত, সব তো বলেই দিলা।ওকে,একটা
মিথ্যা কথা বলো।
–ছিঃ মিথ্যা কথা বলা মহাপাপ। জানো
না।
–ধ্যাত,
–ও সরি,আসলে কি অফিসের এক মেয়ে
কলিগের সাথে ডিনারপার্টিতে
গেছিলাম,তাই।
–কি?ঘরে বউ রেখে,বাহিরের মেয়েকে
নিয়ে ডিনারপার্টি। মিথ্যাবাদী,ছোটো
লোক।
–দেখেছো এই জন্যই মিথ্যা বলতে চাই নি।
এখন গালি গুলো সহ্য করি কি করে।
–একটু সহ্য করো সোনা,ঝগড়া জমতেছে।
–ওকে।
–তুই আর আমার সাথে কথা বলবি না।
–তা বলবো না,খুব খুদা পাইছে,খেতে দাও।
–কেন,তুই না ডিনার করে আসছিস।
–আরে ওটা তো মিথ্যা বলছি,এখন সত্যি খুব
খুদা পাইছে।
–ধ্যাত,কিচ্ছু হবে না তোমাকে দিয়ে।
–সরি,তুমি এসব ছেড়ে,তোমার গাল টা
এদিকে বাড়িয়ে দাও তো চড় মারি।
–এই নাও।
ঠাসসসসসসসস
–এতো জোরে মারলা কেনো?
–সরি,তুমি তাড়াতাড়ি যাও, জামা-কাপর
গুছাও।
–হুম,জাচ্ছি।
(কিছুক্ষণ পর)
–এই আমি চলে জাচ্ছি কিন্তু,আমাকে বাধা
দাও।
–ওকে,যাও।
–কই বাধা দাও।
–পারবো না।
–ওকে,দরজা টা খুলে দাও।
–খোলাই আছে।
–তারপরও
–দারাও আসছি।
–হুম।
–যাও।
–সত্যিই যাবো?
–হুম।
–আর নাটক করা লাগবে না,একটু জড়িয়ে ধরার
জন্য অনেক নাটক করলা কষ্ট করে,নাটক করার
কি দরকার ছিলো।বললেই পার তা।
–বুঝো যখন তো আর বলা লাগবে কেনো?
জানো তুমি যখন বাধা দিচ্ছিলে না তখন খুব
ভয় করছিলো।মনে হচ্ছিলো এই বুঝি কি
জানো হারিয়ে জাচ্ছে।
–ভয় নেই।(বলেই জড়িয়ে ধরলাম)
–এভাবে রাখবা সারাজীবন?
–না,
–কেনো?
–৫০০টাকা দিলে রাখবো।
–ইসসসস,আমার ডায়লগ।
(এভাবেই থাকুক সংসার ব্যবসায়ীরা)
(আমাকে একজন প্রশ্ন করে ছিলো
যে,ভালোবাসা কি?বুঝি না,বুঝিয়ে দাও।
তাকে কিছু কথা বলে দিচ্ছি,আসলে কি
আপনিই ভালো বুঝেন ভালোবাসা টা কি?
এই যে গল্পের মধ্যে যে ভয় টা ছিলো ওটা
ছিলো ভালোবাসা হারানোর ভয়।আপনি
সারাদিন যাকে নিয়া ভাবেন,সেটা হলো
ভালোবাসার ভাবনা।যার সাথে একটু কথা
বললে আপনার হার্টবিট বেড়ে যায়, যার
এসএমএস আপনি বারবার পড়েন,যাকে আপনি
চলার পথে খোঁজেন, এমনকি রাতে ঘুমবার
আগে আপনি যাকে নিয়া চিন্তায় মগ্ন
থাকেন তাকেই আপনি ভালোবাসেন।এক
কথায় যাকে হারানোর ভয় করেন,যার জন্য
বুকের বাম পাশ টায় থাকা গোলাপের
কাটা গুলো আপনাকে ব্যথা দেয়,এবং মনে
করিয়ে দেয় আপনি কাকে ভালোবাসেন।
আসলে ভালোবাসা কি তা আমরা কেউ
জানি না।তবে জীবনে চলার পথে অনুভব
করতে পারি ভালোবাসাটা কি?আর এই
অনুভূতি গুলোই হলো ভালোবাসার অনুভূতি।
লেখা : Md Jihad ahamod,,,,,??

সিনিয়র আপুর সাথে প্রেম  

গল্প ভাল লাগলে কমেন্ট করে জানাবেন প্লিজ।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *