চিঠি । ভালোবাসার কষ্টের গল্প

গল্পঃ চিঠি
 জুয়েল 

মিমির সাথে আজকেই আমার শেষ দেখা। অর্থাৎ আজকেই আমাদের ব্রেকআপ হয়ে যাবে। কোনো কারণ ছাড়াই ব্রেকআপটা হবে।

বেশ কিছু দিন যাবৎ মিমি আমাকে এড়িয়ে চলছে, কল দিলে ব্যস্ত, মেসেজ দিলে সিন কিরে রাখতো রিপ্লাই দিতো না। সারাদিনে নেটে একটিভ থাকে, অথচ আমি মেসেজ দিলে কোনো রিপ্লে দেয় না।

যেই মিমি আমাকে ছাড়া অন্য কিছু কল্পনাও করতো না, একদিন কল না দিলে পাগল হয়ে যেতো, একদিন দেখা না করলে কল দিয়ে কান্না করতো আর সেই মিমি আমাকে দিনের পর দিন এড়িয়ে যাচ্ছে। তাই কালকে রাতে কল দিলাম বাট কল ধরেনা। পরে মিমির আম্মুর নাম্বারে কল দিয়ে ওর সাথে কথা বলি।

মিমি সোজাসুজি আমাকে বলে দিয়েছে সে আমার থেকে মুক্তি চায়, আমাকে আর তার সহ্য হয় না। আমি কল না দিলেই সে অনেক খুশি হবে। অনেক অনুরোধ করে আজকে শেষবারের মতো দেখা করতে বললাম আর এটাও বললাম আজকে যেন আমার সাথে ব্রেকআপ করে দেয়।

কল কেটে দিয়ে সারা রাত কান্না করলাম, মিমির স্মৃতি গুলো মনে করতে করতে কখন যে ঘুমিয়ে গেছি মনে নেই।

আজকে বিকালবেলা রেড়ি হয়ে আমি মিমির পছন্দের সেই জায়গায় চলে গেলাম, যেখানে আমরা প্রতিদিন সূর্যাস্ত দেখতাম। আজও সেখানে চলে গেলাম।

প্রতিদিন মিমিই আমার জন্য অপেক্ষা করতো, দেরি হলে কানে ধরাতো আর আজকে আমি গিয়ে বসে ২০ মিনিটের মতো কিন্তু সে এখনো আসছে না।

প্রায় ৩০ মিনিট পর মিমি আসলো, একটা কালো শাড়ি পড়ে, অন্যদিনের তুলনায় একটু বেশিই সুন্দর লাগছে।

এসে আমার থেকে কয়েক হাত দূরে গিয়ে বসলো, প্রতিদিন এসে আমার বাম হাত ধরে কাঁধে মাথা রেখে তারপর গল্প করতো কিন্তু আজকে তার উলটো। আমি চুপ করে বসে আছি। একটু পর মিমি বললো….

মিমিঃ বল কেন ডেকেছিস?

আমিঃ তোর এতো দেরি হলো যে?

মিমিঃ বাসায় কাজ ছিলো। কি বলবি তাড়াতাড়ি বল। আমার বাসায় কাজ আছে।

আমিঃ মাত্রই তো আসলি একটু বস।

মিমিঃ বললাম না আমার কাজ আছে, কি বলবি বল।

আমিঃ আমায় ছেড়ে থাকতে পারবি?

মিমিঃ দেখ তোর এসব আলগা ফিরিত দেখার জন্য আমি আসিনি, আর হে শোন আজ থেকে আমার সাথে কোনো যোগাযোগ করবি না, তুই ডিস্টার্ব না করলেই আমি খুশি হবো। আমাকে আমার মতো থাকতে দে। আজ থেকে আমাকে কোনো কল বা মেসেজ দিবি না।

এ কথা গুলো বলে মিমি হাটা দিলো,,,,

আমিঃ দাঁড়া!

মিমিঃ হুম বল।

আমিঃ নিজের খেয়াল রাখিস, পারলে ক্ষমা করে দিস।

মিমি আর কিছু না বলে হাটা দিলো, আমি ওর চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে আছি। একটু পর চোখ গুলো ঝাপসা হয়ে আসলো, নিজের অজান্তেই চোখ দিয়ে পানি বের হতে শুরু করলো।

আমি হারিয়ে গেলাম আজ থেকে ৪ বছর আগে। যেদিন প্রথম আমার আর মিমির পরিচয় হয়।

আমি জুয়েল ইন্টারমিডিয়েট পাশ করে গ্রাম থেকে ঢাকা আসি পড়ালেখা করার জন্য, বাবা নাই মা আর ছোট একটা ভাই আছে, ওরা গ্রামে থাকে। আমি টিউশনি করিয়ে নিজের খরচ নিজে চালাই। বাড়তি টাকা বাড়িতে পাঠাই।

এভাবেই দিন যাচ্ছিলো, একদিন আমি টিউশনি করিয়ে হোস্টেলে যাচ্ছিলাম এমন সময় অনেক জোরে বৃষ্টি শুরু হলো, ছাতা না থাকার কারণে ভিজে ভিজে যাচ্ছিলাম দেখলাম একটা মেয়ে গাছের নিচে দাঁড়িয়ে আছে, আমাকে দেখে হাত দিয়ে ইশারা করে ডাকলো, কাছে যাওয়ার পর বললো। সে নাকি ভয় পাচ্ছে একটু এগিয়ে দেওয়ার জন্য।

তারপর আমি ওরে বাসা পর্যন্ত দিয়ে আসলাম। পরের দিন কলেজে গেলাম, গিয়ে দেখি গত কালকের সেই মেয়েটা। আমাকে দেখে এগিয়ে আসলো। পরিচিত হলাম জানতে পারলাম আমার সাথে একই কলেজে একই ডিপার্টমেন্ট এ পড়ে।

তারপর ফ্রেন্ডশিপ হলো, একটা সময় দুজন দুজনকে পাগলের মতো ভালোববেসে ফেললাম। রাগারাগি, খুনসুটি, ঘুরাফেরা, অভিমান সব কিছুই ছিলো আমাদের মাঝে শুধু ছিলো না একজন অন্যজনকে ছাড়া বাঁচার কল্পনা।

আমার এখনো মনে আছে অসুস্থতার কারণে আমি কয়েকদিন কলেজে যেতে পারিনি। তারপর একদিন গেলাম মিমি সবার সামনেই আমাকে জড়িয়ে ধরে কান্না করে দিয়েছিলো। আমাদের ভালোবাসা ছিলো পবিত্র ভালোবাসা।

এভাবেই আমাদের দিন যাচ্ছিলো আর ভালোবাসা দ্বিগুণ হচ্ছিলো কিন্তু কয়েকমাস আগে থেকে মিমি আমাকে আগের মতো কল দেয়না, কথা বলেনা, দেখা করেনা। তারপর যা করলো আপনারা তো দেখলেন।

মিমি চলে যাওয়ার পর একা একা সূর্যাস্ত দেখলাম, মনে হচ্ছে আমার জীবন থেকে অনেক বড় কিছু একটা হারিয়ে গেছে। তারপর সেখান থেকে উঠে হোস্টেলে চলে গেলাম।

বার বার শুধু মিমির কথা মনে পড়তেছে, যেদিকে যাই শুধু ওর স্মৃতি গুলো মনে পড়ে, কলেজে গেলে ওরে মিস করি, বাসায় আসলে মিস করি, ঘুমাতে গেলেও ওর স্মৃতি গুলো আমাকে ঘুমাতে দেয়না।

দিন দিন আমার অবস্থা খারাপ হতে লাগলো, কি থেকে কি হয়ে গেলাম নিজেও জানিনা।

একদিন রাতে আমি বসে বসে নেশা করতেছি এমন সময় আমার রুমমেট আয়মান আমার পাশে এসে বসলো….

আয়মানঃ কিরে এভাবে নিজেকে শেষ করে দিয়ে লাভ কি?

আমিঃ কি করবো বল! কার জন্য এই জীবন রাখবো।

আয়মানঃ দেখ যে চলে যাওয়ার সে চলে গেছে। সে যদি তোকে ভুলে থাকতে পারে তুই কেন পারবি না।

আমিঃ নারে আমি পারবো না।

আয়মানঃ দেখ পাগলামি করিস না, তোর মা আছে, ছোট ভাই আছে তোর কিছু হয়ে গেলে ওদের কে দেখবে? প্লিজ ভাই এগুলো আর করিস না।

আমিঃ…….

আয়মানঃ শোন আমার মনে হয় তোর এখানে থাকা উচিত হবে না।

আমিঃ মানে!

আয়মানঃ মানে এখানে থাকলে বার বার মিমির কথা মনে হবে, তুই কিছুদিনের জন্য গ্রামে চলে যা। মায়ের কাছে থাক, মনটা হালকা হবে।

আমিঃ কিন্তু…

আয়মানঃ কোনো কিন্তু না, তুই কালকেই ফেনীতে চলে যা। এখানে থাকলে তোর কষ্টটা আরো বাড়বে। আর ভাই তুই তো এই রকম ছিলিনা, নেশাপানি করতি না এখন কেন করিস, প্লিজ এগুলো ছেড়ে দে।

আয়মানকে জড়িয়ে ধরে অনেক কান্না করলাম, কিছু কিছু বন্ধু ভাইয়ের থেকেও বেশি করে।

তারপর ঘুমিয়ে পড়লাম, পরের দিন ঘুম থেকে উঠে দেখি আয়মান নাস্তা নিয়ে বসে আছে, তারপর দুজনে নাস্তা করে নিলাম। কাপড়চোপড় সব কিছু গুছিয়ে নিলাম।

আয়মানঃ তোর টিকিট আমি কেটে রাখছি।

আমিঃ কখন কাটলি?

আয়মানঃ ভোরবেলা, তুই ঘুমে ছিলি। এই নে টিকিট টা ধর।

তারপর ব্যাগপত্র নিয়ে হোস্টেল থেকে বেরিয়ে গেলাম, আয়মান আমার সাথে বাসস্টপ পর্যন্ত আসলো। তারপর আমাকে বাসে উঠিয়ে দিয়ে চলে গেলো।

আমি বার বার এদিকওদিক তাকাচ্ছি, ব্যাস্ত শহরে আমার স্মৃতি গুলো বার বার উঁকি দিচ্ছে।

এরপর বাড়িতে চলে আসলাম। মা আর ভাই দেখে জড়িয়ে ধরলো…

মাঃ কিরে বাপ তোর এই অবস্থা কেন?

আমিঃ কি আমি ঠিক আছি।

মাঃ না তুই ঠিক নাই, চেহারার এই অবস্থা করলি কি করে?

আমিঃ পড়ার চাপে ছিলাম।

তারপর আরো কিছু মিথ্যা বলে ঘরে গেলাম, সেখানেও শান্তি লাগছে না। বার বার মিমির কথা মনে পড়তেছে। মা আমার মুখের দিকে তাকিয়ে সব বুঝে গেছে বার বার জিজ্ঞেস করার পরেও আসল কথা বলিনি।

এভাবে দিন যাচ্ছিলো। দেখতে দেখতে ২ মাস চলে গেলো। আয়মান কল দিলো সামনের সপ্তাহে এক্সাম ঢাকায় চলে যাওয়ার জন্য।

আবারও ব্যস্ত নগরী আমাকে ডাকতেছে, যেতে ইচ্ছা করছে না কারণ ওখানে গেলেই আমি নিজেকে ঠিক রাখতে পারি না। তাও চলে গেলাম।

পরীক্ষার কিছুদিন পর আমি টিউশনি করিয়ে হোস্টেলের দিকে যাচ্ছি এমন সময় মিলির (মিমির ছোট বোন) সাথে দেখা হয়।

মিলিঃ আরে জুয়েল ভাইয়া, কেমন আছো?

আমিঃ আছি, আল্লাই রাখছে। তুমি কেমন আছো?

মিলিঃ আছি। জানো তোমাকে কতো খুঁজেছি, কলেজ থেকে শুরু করে তোমার বাসা টিউশনি সব জায়গায়।

আমিঃ এখন তো দেখা হয়ে গেলো, বলো কেন খুঁজেছিলে?

মিলিঃ এই নাও….. (একটা চিঠি)

আমিঃ কি এটা?

মিলিঃ খুলে দেখো।

আমি চিঠিটা ওর সামনে খুলে পড়তে লাগলাম, হাতের লেখা গুলো দেখে টাসকি খেলাম কারণ এটা মিমির হাতের লেখা ছিলো।

“”” জুয়েল, তুই যখন চিঠিটা পড়বি তখন হয়তো আমি আর এই জগতে থাকবো না, থাকবে আমার কিছু স্মৃতি। যেদিন তোর সাথে বৃষ্টিতে ভিজেছিলাম সেদিনই আমি তোকে আমার এই মনটা দিয়ে দিই, তুই যখন আমার বাসার সামনে থেকে চলে যাচ্ছিলি আমি তোকে ফলো করে তোর সব ডিটেলস নিয়ে নিই, তারপর তোর ক্যাম্পাসেই এডমিশন নিই। তোর মনে আছে তোর সাথে আমি যেদিন সূর্যাস্ত দেখেছিলাম সেদিন তুই আমার চুল গুলো খোলা আকাশে উড়াতে বলেছিলি। আর সেদিন থেকেই আমি সব সময় তোর সামনে চুল খোলা রাখি। আমার যখন মন খারাপ হয় তোর কথা ভাবতে থাকি, তখনই আমার মন ভালো হয়ে যায়।

আমারও ইচ্ছা ছিলো তোর সাথে সারা জীবন কাটানোর, কিন্তু কি করবো বল, একজন মানুষ তো সব কিছু পায়না। আমিও নাহয় তোকে এই জগতে ফেলাম না। তোর হয়তো মনে হবে আমি অন্যকারো সাথে রিলেশনে জড়িয়ে গেছিলাম যার কারনে তোকে সব সময় এভয়েড করতাম, কিন্তু বিশ্বাস কর এগুলো কিছুই ছিলো না। তোর প্রতি আমার ভালোবাসা কখনো কমে নি বরং বাড়তেছিলো দিনের পর দিন।

আমারও ইচ্ছা ছিলো তোর পাশে বসে সারাজীবন সূর্যাস্ত দেখবো কিন্তু দেখ আমার ভাগ্য কতো ভালো এই চাওয়াটুকুও আমার কপালে ছিলোনা। মরণ ব্যাধি ক্যান্সার সব কেড়ে নিয়েছে আমার জীবন থেকে।

হে আমার ক্যান্সার হয়েছে, ডাক্তার বলেছে ৩ মাস হাতে সময় আছে আমার হাতে, আমি তোকে শুনাইনি কারণ তুই ভেঙ্গে পড়বি তাই, তুই যদি ভেঙ্গে পড়িস তাহলে তোর ফ্যামিলি কে দেখবে?

জানিস আমার ইচ্ছা ছিলো জীননের শেষ ৩ মাস তোর সাথে কাটাতে কিন্তু পারিনি। আমি তোকে এড়িয়ে চলেছি যাতে তুই আমাকে ছাড়া থাকতে শিখে যাস। তুই ভাবতি আমি সারাদিন নেটে কি করতাম, আসলে কারো সাথে চ্যাটিং করতাম না ক্যান্সারের ভালো কোন ট্রিটমেন্ট আছে কিনা সেটাই খুঁজতাম, সারাদিন কল দিয়ে অনেকের কাছে ট্রিপস নিতাম। তুই ভাবতি আমি অন্য কারো হয়ে গেছি।

আমার মৃত্যুর আগে তোকে শেষবারের মতো দেখতে চেয়েছিলাম, পরে মিলি খোঁজ নিয়ে দেখলো তুই নাকি চলে গেছিস। দেখ আমার কপালটা কেমন, যাকে ভালোবাসালাম তাকে দেখেই মরতে পারলাম না,,,

এই শোন আমার কথা মনে করে কাঁদবি না, একদম কাঁদবিনা। আমার কসম তুই কাঁদবিনা।

আমাকে মাফ করে দিস, জানি আমি যে অন্যায় করেছি সেটা ক্ষমার যোগ্য নয়, তবুও বলছি আমাকে মাফ করে দিস। আর হে শোন নিজের খেয়াল রাখবি, সব সময় হাসিখুশি থাকবি, তোর মায়ের স্বপ্ন তোকে পূরন করতেই হবে। আমার কথা একদম মনে আনবি না। ভালো থাকবি সব সময়,,,

ইতি তোর মিমি”””

চিঠিটা পড়ে আর স্থির হয়ে দাঁড়াতে পারিনি, ধপাস করে মাটিতে বসে পড়লাম। চোখের পানিতে চিঠিটা পুরো ভিজে গেছে।

মিলিকে সাথে নিয়ে মিমির কবিরের পাশে গেলাম, কবরের পাশে গিয়েই বসে পড়লাম, ইচ্ছা করছে কবর থেকে আমার ভালোবাসাটাকে টেনে বের করে ফেলি, কবরের মাটি হাতে নিয়ে বললাম…

“”মিমি, এই মিমি উঠ, দেখ আমি আসছি, তাকিয়ে দেখ জুয়েল আসছে, আজকে আমার পাশে বসে সূর্যাস্ত দেখবি না? আয় আমারও যে কেউ নেই সূর্যাস্ত দেখার মতো। এই মিমি উঠনা, বল কে আমার পাশে বসে চাঁদ দেখবে? তুই ছাড়া যে কেউই নেই আমার।

মিমি, এই মিমি তুই না আইসক্রিম অনেক পছন্দ করতি, আয় দুজনে আজকে অনেক আইসক্রিম খাবো। এই মিমি উঠ।

কেন আমাকে এভাবে একা রেখে চলে গেলি, তোর শেষ ৩ টা মাস আমাকে দিতি, আমি সারা জীবন অই ৩ মাসের স্মৃতি নিয়ে বেঁচে থাকতাম, তোর পছন্দের সব কিছু করতাম। মিমি আরেকবার আয়, ৩ মাস নয়, ৩ সেকেন্ডের জন্য আয়, আমি তোকে দেখি আর তোর সাথেই চলে যাই। উঠনা মিমি, এই মিমি উঠ। আমি তোকে ছাড়া আজকে যাবো না। একবারের জন্য আয়, মিমি। প্লিজ একবারের জন্য আয়, দেখ আমি এখনো দাঁড়িয়ে আছি। আয় না মিমি,,,,,,,

আর কোনো কথা আমার মুখ দিয়ে আসছে না, ঝাপসা চোখে তাকিয়ে মিলিও কাঁদছে, আমার কাছে এসে কাঁদে এসে হাত দেয়, তারপর ইশারায় বলে চলে যেতে। কিন্তু আমি তো আমার মিমির কাছ থেকে যাবো না। আমি শক্ত করে ধরে রাখছি মিমির কবরের বাঁশের বেড়াটা,,,,,,,,

*** সমাপ্ত ****

বিঃদ্রঃ কাল্পনিক ছিলো। Valobasar Koster golpo

(অনেকে বলেন আমি নাকি sad story দিই না, তাই আজকে দিলাম, এবার বলেন কেমন লাগলো)

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *